• ই-পেপার

পুঁজিবাজারে লেনদেনে আজ সূচকের ওঠানামা

আরো কমলো সোনার দাম

অনলাইন ডেস্ক
আরো কমলো সোনার দাম

দেশের বাজারে আবারো সোনার দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ২৬ হাজার ৩৪০ টাকা নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

শনিবার (২০ জুন) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ দাম আজ সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিস্তারিত আসছে...

দাম কমার পর নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা

অনলাইন ডেস্ক
দাম কমার পর নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা
সংগৃহীত ছবি

দেশের বাজারে সোনার দাম প্রতি ভরিতে ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা কমায় নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে সোনা। ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকায় আর ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

গতকাল শুক্রবার নতুন এ দাম নির্ধারণ করে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। যা গতকাল সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক বাজার পরিস্থিতি বিবেচনা করে সোনার নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

দাম কমায় রুপাও নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে। ২২ ক্যারেটের রূপার ভরি ৫ হাজার ২৪৯ টাকা, ২১ ক্যারেটের ৫ হাজার ১৬ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের ৪ হাজার ২৫৭ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

গত বছর দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার সোনার দাম সমন্বয় করা হয়েছিল, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

ক্ষমতা কমছে টাকার

ডলারের বিপরীতে দেড় বছরে ১১ শতাংশ অবনমন রেকর্ড পরিমাণ পতন ঘটেছে চীনা মুদ্রা ইউয়ানের বিপরীতে মান কমেছে ইউরো-পাউন্ডের বিপরীতেও বাড়ছে আমদানিজনিত মূল্যস্ফীতি শিল্পের উৎপাদন খরচ বেড়ে গেছে

অনলাইন ডেস্ক
ক্ষমতা কমছে টাকার

টাকার ক্ষমতা কমে যাচ্ছে। দেড় বছর আগে যে পণ্য আমদানি করতে ১০০ টাকা লাগত, এখন তার জন্য ১২০ টাকা বা তারও বেশি গুনতে হচ্ছে। বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ বিভাগের নথি বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, আন্তর্জাতিক বাজারে ডলার, ইউরো, পাউন্ড এবং চীনা ইউয়ানের বিপরীতে টাকার রেকর্ড পতন হয়েছে। এই মুদ্রার অবমূল্যায়ন দেশের অর্থনীতিকে এক জটিল ফাঁদে ফেলেছে, যার সরাসরি মাশুল দিচ্ছে সাধারণ ভোক্তা।

বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪ সালের এপ্রিলে প্রতি মার্কিন ডলারের আনুষ্ঠানিক মূল্য ছিল ১১০ টাকা। ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রতি ডলারের বিনিময় হার গিয়ে ১২২ টাকায় ঠেকে। মাত্র দেড় বছরে ডলারের বিপরীতে টাকার ক্ষমতা কমেছে প্রায় ১১ শতাংশ। গত দেড় বছরে ইউরোপের একক মুদ্রা ইউরো এবং ব্রিটিশ পাউন্ডের বিপরীতে টাকার মান প্রায় ১৮ থেকে ২০ শতাংশ পর্যন্ত কমে গেছে। আর চীনা মুদ্রা ইউয়ানের বিপরীতে টাকার মান কমেছে রেকর্ড পরিমাণ।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, টাকার দাম কমায় সাময়িকভাবে রপ্তানিকারকরা সুবিধা পেলেও দেশের ভিতর মূল্যস্ফীতি বেড়ে যাওয়ায় সেই সুবিধা উধাও হয়ে গেছে। টাকার এই অবমূল্যায়নের ফলে দেশের প্রধান ৫টি খাত এখন চরম চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। উৎপাদন ও শিল্প খাত বিশেষ করে তৈরি পোশাক ও ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্পে কাঁচামাল ও যন্ত্রপাতি আমদানির খরচ ২০ থেকে ২৫ শতাংশ বেড়ে গেছে। ফলে কারখানার উৎপাদন ব্যয় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পেয়েছে। জ্বালানি তেল, ভোজ্য তেল, গম ও ডালের মতো আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম বাড়ায় দেশে ‘আমদানিকৃত মূল্যস্ফীতি’ তৈরি হয়েছে। ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা কমে গেছে। ডলারের দাম বাড়ায় সরকারের বিদেশি ঋণ ও সুদের কিস্তি পরিশোধের খরচ বহুগুণ বেড়েছে। বাড়তি আমদানি ব্যয় মেটাতে এবং ডলারের বাজার ধরে রাখতে কেন্দ্রীয় ব্যাংককে অনবরত রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রি করতে হচ্ছে। এতে রিজার্ভের ওপর ধারাবাহিক চাপ তৈরি হয়েছে।

ইউয়ানের বিপরীতে টাকার মান কমায় চ্যালেঞ্জ বাড়ছে : ডলারের বিপরীতে টাকার মান কমায় অর্থনীতিতে যে চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়, ইউয়ানের বিপরীতে টাকার মান কমায় তারচেয়ে বেশি চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি হয়েছে বলে খোদ অর্থ মন্ত্রণালয় স্বীকার করছে। অর্থ বিভাগের মধ্যমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ইউয়ানের বিপরীতে টাকার অবমূল্যায়ন হওয়ায় চীন থেকে আমদানি করা কাঁচামাল এবং মধ্যবর্তী পণ্যের ‘ল্যান্ডিং কস্ট’ বা প্রকৃতি আমদানি ব্যয় বেড়ে গেছে। এর ফলে দেশের অভ্যন্তরীণ সরবরাহ ব্যবস্থায় উৎপাদন ব্যয়ের চাপ আরও তীব্র হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চীনা মুদ্রা ইউয়ানের বিপরীতে বাংলাদেশি টাকার মান কমে যাওয়ার অর্থ হলো চীন থেকে পণ্য আমদানির খরচ বহুগুণ বেড়ে যাওয়া, কারণ বাংলাদেশের মোট আমদানির সবচেয়ে বড় অংশটি আসে চীন থেকে। চীনের বাজারে বাংলাদেশের রপ্তানি খুবই সীমিত, কিন্তু আমদানি বিশাল। ইউয়ানের বিপরীতে টাকার মান কমায় এই দুই দেশের মধ্যকার সামগ্রিক বাণিজ্য ঘাটতি আরও বাড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

দেশের নিট পোশাক রপ্তানি খাতের সংগঠন বিকেএমইএর সাবেক সভাপতি ফজলুল হক বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, দেশের পোশাক শিল্পসহ সিংহভাগ কারখানার কাঁচামাল আসে চীন থেকে। চীনা মুদ্রা ‘ইউয়ান’র বিপরীতে টাকার মান কমে যাওয়ায় চীন থেকে কাঁচামাল আমদানির খরচ বেড়ে গেছে। শুধু তাই নয়, সাধারণ মানুষের নিত্যব্যবহার্য ইলেকট্রনিক্স, যন্ত্রপাতি, কাপড় এবং বিভিন্ন কেমিক্যাল ও প্লাস্টিক পণ্য চীন থেকে আমদানি করা হয়। আমদানিকারকদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হওয়ায় স্থানীয় বাজারে এসব পণ্যের দাম বাড়ছে, যা সরাসরি সাধারণ ভোক্তার ওপর চাপ ফেলছে। এ ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক ডলারের ওপর চাপ কমাতে ইউয়ানে এলসি খোলার যে বিকল্প সুবিধা চালু করেছিল, টাকার বিপরীতে ইউয়ান শক্তিশালী হতে থাকায় আমদানিকারকরা ইউয়ানে লেনদেন করতে আগের চেয়ে কম লাভবান বা নিরুৎসাহিত হচ্ছেন। পদ্মা সেতু রেল সংযোগ বা কর্ণফুলী টানেলের মতো চীনের অর্থায়নে পরিচালিত বড় বড় মেগা প্রকল্পের বিপরীতে নেওয়া ঋণের কিস্তি ও সুদ পরিশোধের খরচ টাকার অঙ্কে অনেক বেড়ে যাচ্ছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্ববাজারে সোনা-রুপার দামে বড় পতন
সংগৃহীত ছবি

বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের শক্তিশালী অবস্থান এবং যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভের (ফেড) সুদের হার বাড়ানোর অনমনীয় মনোভাবের কারণে সোনার দামে বড় পতন হয়েছে। শুক্রবার (১৯ জুন) আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবান এই ধাতুর দাম আরও কমেছে, যা টানা তৃতীয় সপ্তাহের মতো সাপ্তাহিক দরপতনের রেকর্ড গড়ল। খবর রয়টার্স

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, স্পট মার্কেটে সোনার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪৫ দশমিক ০২ ডলারে নেমে আসে। এর আগে দিনের শুরুতে এটি গত ১১ জুনের পর সর্বনিম্নে নেমে ৪ হাজার ১১৯ দশমিক ৭৮ ডলারে ঠেকেছিল। বাজারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, গত ৫ জুন থেকেই সোনা তার ২০০ দিনের গড় দামের (মুভিং অ্যাভারেজ) নিচে কেনাবেচা হচ্ছে।

অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে সোনার ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য (গোল্ড ফিউচার্স) ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৬৩ দশমিক ২০ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

চলতি সপ্তাহে মার্কিন ডলারের দর বৃদ্ধির ধারা বজায় থাকায় অন্যান্য মুদ্রার ব্যবহারকারীদের জন্য ডলারের মূল্যে সোনা কেনা বেশ ব্যয়বহুল হয়ে উঠেছে। ফলে কমেছে সোনার চাহিদা।

জেফরিসের মালিকানাধীন ট্রেডু ডটকমের জ্যেষ্ঠ বাজার বিশ্লেষক নিকোস জাবোরাস বলেন, ‘সোনার বাজার এখন বড় ধরনের মন্দার (বেয়ার মার্কেট) ঝুঁকিতে রয়েছে। যেকোনো সময় দাম প্রতি আউন্স ৪ হাজার ডলারের নিচে নেমে যেতে পারে। ফেড সুদের হার দীর্ঘদিন চড়া রাখবে—এমন আভাসে ডলার লাভবান হলেও সোনার মতো অলংকারিক ধাতুর বাজার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

গত বুধবার মার্কিন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতি-নির্ধারকদের বৈঠক শেষে এক প্রক্ষেপণে জানানো হয়, ১৯ জন নীতি-নির্ধারকের মধ্যে ৯ জনই মনে করেন চলতি বছর সুদের হার আরও বাড়ানো প্রয়োজন। যদিও এবারের বৈঠকে সুদের হার বর্তমান ৩ দশমিক ৫০ থেকে ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশের ঘরেই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। তবে সিএমই ফেডওয়াচ টুলের হিসাব অনুযায়ী, ব্যবসায়ীরা আগামী সেপ্টেম্বরের মধ্যে ফেডের সুদের হার বৃদ্ধির ৭০ শতাংশ সম্ভাবনা দেখছেন।

বিশ্লেষকদের মতে, সোনার ভবিষ্যৎ দাম এখন মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করছে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার কূটনৈতিক আলোচনা, আগামী সপ্তাহের মার্কিন মূল্যস্ফীতির (ইনফ্লেশন) প্রতিবেদন এবং ফেডের নীতিমালার প্রতি বিনিয়োগকারীদের প্রতিক্রিয়া।

এদিকে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে সুইজারল্যান্ডে ইরানি প্রতিনিধিদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের যে বৈঠক হওয়ার কথা ছিল, তা বাতিল হয়েছে। মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স সুইজারল্যান্ড সফর বাতিল করায় এই অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, যা ভূ-রাজনীতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।

এমন পরিস্থিতিতে মার্কিন বহুজাতিক বিনিয়োগ ব্যাংক গোল্ডম্যান স্যাকস আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সোনার দামের পূর্বাভাস কমিয়েছে। আগের ৫ হাজার ৪০০ ডলারের প্রক্ষেপণ থেকে কমিয়ে তারা এখন প্রতি আউন্স সোনার দাম ৪ হাজার ৯০০ ডলার হতে পারে বলে জানিয়েছে। তবে ব্যাংকটি মনে করে, দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার ইতিবাচক হলেও স্বল্পমেয়াদে দাম আরও কমতে পারে।

সোনার পাশাপাশি বিশ্ববাজারে অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও কমেছে। স্পট সিলভার বা রুপার দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৬৪ দশমিক ৬১ ডলারে নেমেছে। এছাড়া প্ল্যাটিনামের দাম ১ দশমিক ৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৬৬৫ দশমিক ০৭ ডলার এবং প্যালাডিয়ামের দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমে ১ হাজার ২৫৪ দশমিক ১৬ ডলারে দাঁড়িয়েছে। সোনার মতো এই তিনটি ধাতুরও সপ্তাহ শেষে দরপতন হয়েছে।

দেশের বাজারে ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে দাম ২ লাখ ২৮ হাজার ৫৫৬ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৮ হাজার ২৯২ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪৪০ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

এদিকে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ হাজার ২৪৯ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৪ হাজার ২৫৭ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ৩ হাজার ২০৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

পুঁজিবাজারে লেনদেনে আজ সূচকের ওঠানামা | কালের কণ্ঠ