kalerkantho

শুক্রবার । ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ৮ রবিউস সানি ১৪৪১     

রাসুল (সা.) এর নামাজের মধ্যেই কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ আসে

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৪ নভেম্বর, ২০১৯ ১১:৫৩ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



রাসুল (সা.) এর নামাজের মধ্যেই কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ আসে

এই মসজিদের নাম হয়ে যায় মসজিদে কিবলাতাইন বা দুই কিবলাধারী মসজিদ

ইসলাম ধর্মের অনুসারী পবিত্র কাবার দিকে ফিরে নামাজ আদায় করে। ইসলামের সূচনাকালেও মুসলিমরা কাবার দিকে ফিরেই নামাজ আদায় করতেন। তবে মধ্যবর্তী কয়েক মাস (১৬-১৭ মাস) আল্লাহ তাআলা মসজিদুল আকসার দিকে ফিরে নামাজ আদায় করার নির্দেশ দেন। কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ যখন আসে, তখন রাসুলুল্লাহ (সা.) মসজিদে বনু সালামায় জোহরের নামাজ আদায় করছিলেন। দুই রাকাত আদায় করার পর কিবলা পরিবর্তনের নির্দেশ আসে। নামাজের ভেতরই রাসুল (সা.) বায়তুল্লাহর দিকে ফিরে যান। অবশিষ্ট দুই রাকাত নামাজ সেদিকে ফিরেই আদায় করেন। যেহেতু চার রাকাত নামাজ তিনি দুই কিবলার দিকে ফিরে আদায় করেছিলেন তাই এই মসজিদের নাম হয়ে যায় মসজিদে কিবলাতাইন বা দুই কিবলাধারী মসজিদ। ঐতিহাসিক সেই ঘটনার বিবরণ বিভিন্ন হাদিসের কিতাবেও এসেছে।

মসজিদে কিবলাতাইন মদিনা নগরীর দক্ষিণ-পশ্চিম উপকণ্ঠে অবস্থিত। মসজিদে নববী থেকে এর দূরত্ব চার কিলোমিটার। দ্বিতীয় হিজরিতে সাওয়াদ বিন গানাম গোত্রের লোকেরা মসজিদটি নির্মাণ করেন। নির্মাণকাজে তারা কাঁচা ইট, পাথর, খেজুরগাছের পাতা ও ডাল ব্যবহার করেছিল। পরবর্তী সময়ে খলিফা ওমর ইবনে আবদুল আজিজ (রহ.), শাহিন সুজা জামালি, উসমানীয় সুলতান সোলায়মান, বাদশাহ আবদুল আজিজ ও ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ মসজিদে কিবলাতাইনের সংস্কার করেন। বাদশাহ আবদুল আজিজ মসজিদের পুরনো অবকাঠামো ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করেন। ফাহাদ বিন আবদুল আজিজ তার আধুনিকায়ন করেন। বর্তমানে মসজিদে কিবলাতাইনের আয়তন তিন হাজার ৯২০ স্কয়ার মিটার। মসজিদে রয়েছে দুটি গম্বুজ। যার একটির আয়তন আট মিটার এবং অন্যটির আয়তন সাত মিটার। উভয় গম্বুজের উচ্চতা প্রায় ১৭ মিটার। কিবলা পরিবর্তনের ঐতিহাসিক ঘটনার প্রতি ইঙ্গিত করে এখনো মসজিদের দুটি মেহরাব ও আজানের স্থান (মিনার) রাখা হয়েছে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা