<p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের চাঞ্চল্যকর ৫ বছর বয়সী শিশু হত্যা মামলার ৩ আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার কৃষক সেজে সুনামগঞ্জের হাওর থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুইজন নিজেদের দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে। </p> <p style="text-align: justify;">শুক্রবার (৮ মে) বিকেলে শাহজাদপুর চৌকি আদালতের বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোসলেম উদ্দিন তাদের জবানবন্দি রেকর্ড করেন।  </p> <p style="text-align: justify;">গ্রেপ্তাররা হলো- উপজেলার গালা ইউনিয়নের মার্জান গ্রামের হাতেম সরদারের দুই ছেলে পেশকার সরদার, হামেদ সরদার এবং হামেদ সরদারের শ্যালক লাল মিয়া। </p> <div class="d-flex justify-content-center"> <div class="col-12 col-md-10 position-relative" data-id="1682566"><strong>আরো পড়ুন</strong> <div class="card"> <div class="row"> <div class="col-4 col-md-3"><img alt="মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ‘অদেখা সংগ্রাম’" class="img-fluid rounded-start m-0 w-100" height="66" src="https://asset.kalerkantho.com/public/news_images/2026/05/09/1778319152-e06d061a77a7bde916b8a91163029d41.jpg" width="100" /></div> <div class="col-8 col-md-9"> <p class="p-1 m-0 lh-sm">মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভদের ‘অদেখা সংগ্রাম’</p> </div> </div> </div> <a class="stretched-link" href="https://www.kalerkantho.com/online/miscellaneous/2026/05/09/1682566" target="_blank"> </a></div> </div> <p style="text-align: justify;">মৃত শিশু হৃদয় (৫) ফারুক সরদারের ছেলে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে পেশকার ও হামেদ মৃত শিশুর আপন চাচা।</p> <p style="text-align: justify;">শাহজাদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম বলেন, গত ১৬ এপ্রিল ফারুক সরদারের বাড়ির পাশে টয়লেট নির্মাণ করা নিয়ে বড় ভাই হামেদ সরদারের সঙ্গে প্রথমে হাতাহাতি হয়। কিছুক্ষণ পর সেখানে আসেন আরেক ভাই পেশকার সরদার। একপর্যায়ে মাথায় ধারালো হাঁসুয়ার আঘাতে ফারুক সরদারের শিশুছেলে হৃদয়ের মৃত্যু হয়। পরে মৃত হৃদয়ের বাবা ফারুক সরদার বাদী হয়ে বড় ভাই হামেদ সরদার, তার স্ত্রী, দুই ছেলে, শ্যালক ও আরেক বড় ভাই পেশকার সরদার মিলে ৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।</p> <p style="text-align: justify;">আসামিদের গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে ওসি বলেন, মামলা দায়েরের পর আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়। তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে জানা যায়, তারা সুনামগঞ্জে অবস্থান করছে। এরপর থানার এসআই মোমিনুর রহমান, শাহ্ আলম ও এএসআই মোস্তফা কামাল সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে বৃহস্পতিবার সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলার হাওর অঞ্চলে চলে যায়। আসামিরা সেখানে কৃষক সেজে ক্ষেতে ধান কাটছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে পুলিশ সদস্যরাও কৃষক সেজে ধান কাটার ছলে তাদের গ্রেপ্তার করে শাহজাদপুর নিয়ে আসেন।</p> <p style="text-align: justify;">ওসি আরো বলেন, শুক্রবার বিকেলে গ্রেপ্তার তিনজনকে শাহজাদপুর চৌকি আদালতে হাজির করা হলে মৃত শিশুর আপন চাচা হামেদ ও পেশকার হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন। হামেদ সরদারের দাবি, মূলত ছোট ভাই ফারুককে মারার জন্য হাঁসুয়া দিয়ে কোপ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু সে সরে গেলে ভাতিজা শিশু হৃদয়ের মাথায় কোপটি লেগে সে মারা যায়। জবানবন্দি রেকর্ড করার পর আসামিদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।</p>