• ই-পেপার

কৃষিমন্ত্রী

আমাদের দায়িত্ব আগামী প্রজন্মের জন্য ইতিবাচক কিছু রেখে যাওয়া

বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত

মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় এক চোরাকারবারি আহত হয়েছে। বিজিবি জানায়, গতকাল শনিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম পরিচালনার সময় বিজিবি টহলদল দুই সন্দেহভাজন ভারতীয় চোরাকারবারিকে চ্যালেঞ্জ করলে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে টহলদলের ওপর আক্রমণের চেষ্টা করে।

আত্মরক্ষায় ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিজিবি সদস্যরা গুলি করলে একজন চোরাকারবারি আহত হয়। আহত ব্যক্তিসহ অন্য চোরাকারবারি ভারতে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় গোয়েন্দা অনুসন্ধান ও আইনানুগ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

 

 

আইনমন্ত্রী

প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল পরিবেশ দরকার

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে অনুকূল পরিবেশ দরকার

আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী হওয়ার প্রবণতা কমিয়ে তাঁদের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে দেশের উন্নয়ন ও শিল্পায়নে কাজে লাগানোর উপযোগী পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে। সরকার এ লক্ষ্যে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষা সম্প্রসারণ ও উদ্ভাবনবান্ধব কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের বিষয়ে গুরুত্ব দিচ্ছে। গতকাল শনিবার রাজধানীর আইইবি ভবনে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশের (আইইবি) উদ্যোগে আয়োজিত ‘আইইবির জব ফেয়ার ও প্রজেক্ট কম্পিটিশন-২০২৬’-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির জন্য এসব মেধাবী জনশক্তিকে দেশে ধরে রাখা প্রয়োজন। তিনি বলেন, চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এবং এর মধ্যে কারিগরি ও প্রযুক্তি শিক্ষাকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। তিনি প্রকৌশলীদের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, দেশের ভেতরে থেকেই নতুন নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন, শিল্পায়ন এবং কৃষির আধুনিকায়নে তাঁরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারেন।

ঢাকার জেলা প্রশাসক

ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে বৃক্ষরোপণকে দায় হিসেবে নিতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
ঢাকাকে বাসযোগ্য করতে বৃক্ষরোপণকে দায় হিসেবে নিতে হবে

ঢাকাকে বাসযোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দেওয়ার আহবান জানিয়েছেন ঢাকার জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম। তিনি বলেছেন, ‘বৃক্ষরোপণ আমাদের দায়িত্ব নয়, আমাদের দায়।’

গতকাল শনিবার রাজধানীর আজিমপুর সরকারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে আয়োজিত  বৃক্ষরোপণ  কর্মসূচি ও আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন তিনি।

জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম বলেন, ‘দ্রুত নগরায়ণ, পরিবেশদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে রাজধানী ঢাকা ক্রমেই নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে। এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় ব্যাপক সবুজায়নের কোনো বিকল্প নেই। একটি গাছ শুধু পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে না, এটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও বাসযোগ্য পৃথিবী গড়ে তুলতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।’

জেলা প্রশাসক বলেন, ‘আমরা প্রায়ই বৃক্ষরোপণকে একটি আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি হিসেবে দেখি। কিন্তু বাস্তবে এটি কোনো শৌখিনতা নয় বরং আমাদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। প্রতিটি নাগরিক যদি বছরে অন্তত একটি করে গাছ রোপণ ও পরিচর্যার দায়িত্ব নেয়, তাহলে রাজধানীর পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় বড় ধরনের পরিবর্তন আনা সম্ভব।’

জেলা প্রশাসক আরো বলেন, ‘সবুজ ঢাকা গড়তে শুধু সরকারের উদ্যোগ যথেষ্ট নয়। শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক, সামাজিক সংগঠন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ প্রয়োজন। বৃক্ষরোপণকে সামাজিক আন্দোলনে রূপ দিতে পারলেই আমরা আগামী প্রজন্মের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও বাসযোগ্য ঢাকা উপহার দিতে পারব।’

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক এবং জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করা আমাদের সবার দায়িত্ব

নিজস্ব প্রতিবেদক
নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করা আমাদের সবার দায়িত্ব

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেছেন, ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ করা আমাদের সবার দায়িত্ব। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা ও মাদকের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেছে।’

গতকাল শনিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনাল, আইন, নীতিমালা এবং নানা ধরনের অ্যাডভোকেসি কর্মসূচি থাকার পরও মামলা দায়ের, তদন্ত এবং ডাক্তারি পরীক্ষায় বিলম্ব, অপর্যাপ্ত প্রমাণ এবং সাক্ষীর অভাবে লিঙ্গভিত্তিক যৌন সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বাড়ছে। প্রচলিত আইন কাঠামোর সীমাবদ্ধতা, বিচারহীনতার সংস্কৃতি, ক্রমবর্ধমান সামাজিক অস্থিতিশীলতা, সামাজিক অন্যায়-অবিচার, সংঘবদ্ধ সহিংসতা ইত্যাদি অপসংস্কৃতির ফলে সামগ্রিকভাবে মানবাধিকার এবং মানবিক মর্যাদার ক্রমাবনতি ঘটছে। সামগ্রিকভাবে সমাজে বাড়ছে অপরাধপ্রবণতা।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বিদ্যমান আইনের ব্যাপক প্রচার ও যথাযথ বাস্তবায়ন এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

মন্ত্রী, নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতার ঘটনার অবসানে রাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যমসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং তরুণ প্রজন্মের সমন্বিত কর্ম-উদ্যোগে মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার প্রতি আহবান জানান। সংলাপে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম।