সুইজারল্যান্ড-আলজেরিয়া (সকাল ৯টা)
অস্ট্রেলিয়া-মিসর (রাত ১২টা)
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে (কাল ভোর ৪টা)
কলম্বিয়া-ঘানা (কাল সকাল সাড়ে ৭টা)

সুইজারল্যান্ড-আলজেরিয়া (সকাল ৯টা)
অস্ট্রেলিয়া-মিসর (রাত ১২টা)
আর্জেন্টিনা-কেপ ভার্দে (কাল ভোর ৪টা)
কলম্বিয়া-ঘানা (কাল সকাল সাড়ে ৭টা)

‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার জনপ্রিয় করতে রাজধানীর বিভিন্ন ছোট-বড় দোকানে গিয়ে নিজেই কিউআর কোড স্ক্যান করে মূল্য পরিশোধ করেছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান। তাঁর এই উদ্যোগের মাধ্যমে নগদ অর্থ ছাড়াই ফুটপাতের দোকান থেকে কাঁচাবাজার পর্যন্ত ডিজিটাল লেনদেনের ব্যবহার বাড়ানোর বার্তা দেওয়া হয়েছে।
গত বুধবার বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় থেকে বের হয়ে রাজধানীর মতিঝিল এলাকায় ছোট ছোট দোকানে ডিজিটাল পেমেন্টের এই প্রদর্শনী করেন গভর্নর। প্রথমে ফুটপাতের ক্ষুদ্র বিক্রেতার কাছ থেকে কেনাকাটা করেন। পরে একটি চায়ের দোকানে চা পান করে কাউন্টারে থাকা ‘বাংলা কিউআর’ স্ক্যান করে বিল পরিশোধ করেন। এরপর একটি সুপারশপ থেকে পিনাট বার কেনেন এবং দুপুরে একটি রেস্টুরেন্টে মোগলাই খেয়ে একই পদ্ধতিতে বিল পরিশোধ করেন। সব শেষে একটি কাঁচাবাজারে গিয়ে সবজি বিক্রেতার কিউআর কোড স্ক্যান করে সবজি কেনেন।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা বলছেন, এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য হলো দেখানো যে ডিজিটাল পেমেন্ট এখন শুধু বড় প্রতিষ্ঠান বা অভিজাত গ্রাহকদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। ফুটপাতের দোকানি, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও কাঁচাবাজারের বিক্রেতারাও সহজেই এই ব্যবস্থায় লেনদেন করতে পারেন।
বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে, ১ জুলাই থেকে ‘বাংলা কিউআর’ সম্প্রসারণের উদ্যোগ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। নগদ অর্থ বহন, ভাঙতি দেওয়ার ঝামেলা এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আলাদা আলাদা কিউআর কোড ব্যবহারের পরিবর্তে একীভূত কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট ব্যবস্থা গড়ে তোলাই এই উদ্যোগের লক্ষ্য।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, ‘বাংলা কিউআর’ ব্যবহার করে লেনদেনের বিপরীতে বিক্রেতারা ভ্যাটসহ সর্বোচ্চ ১ শতাংশ পর্যন্ত ফি নিতে পারবেন।
ডিজিটাল লেনদেন সহজ করতে বাংলাদেশ ব্যাংক বাংলা কিউআর চালু করেছে। এই একটি কিউআর কোড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যাংক, মোবাইল ফিন্যানশিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) ও পেমেন্ট সেবা প্রদানকারীর গ্রাহকরা অর্থ পরিশোধ করতে পারবেন।
এর আগে ব্যাংক ও এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো নিজস্ব পৃথক কিউআর কোড ব্যবহার করত। ফলে গ্রাহককে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের অ্যাপ ব্যবহার করেই লেনদেন করতে হতো। ‘বাংলা কিউআর’ চালুর ফলে একজন ব্যবসায়ী একটি কিউআর কোড দিয়েই যেকোনো ব্যাংক বা এমএফএসের গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন। উদাহরণ হিসেবে, বিকাশ, নগদ বা কোনো ব্যাংকের অ্যাপ ব্যবহারকারী গ্রাহক ‘বাংলা কিউআর’ স্ক্যান করেই পেমেন্ট করতে পারবেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, একই দোকানে একাধিক কিউআর কোড ব্যবহারের প্রয়োজন কমবে। এতে ডিজিটাল পেমেন্টের প্রসার বাড়বে, ব্যবসায়ীদের পরিচালন ব্যয় কমবে এবং আর্থিক খাতের আন্ত কার্যক্ষমতা উন্নত হবে।
কারা ব্যবহার করতে পারবেন : ছোট, মাঝারি ও বড়—সব ধরনের ব্যবসায়ী এই ব্যবস্থার আওতায় আসতে পারবেন। রেস্টুরেন্ট, মুদি দোকান, ফার্মেসি থেকে শুরু করে বড় শপিং সেন্টার—সব জায়গায় একই কিউআর কোড ব্যবহার করা যাবে। অন্যদিকে, স্মার্টফোন ব্যবহারকারী যেকোনো গ্রাহক সহজেই এই সেবা নিতে পারবেন।
এই পদ্ধতি ব্যবহার করতে আলাদা কোনো যন্ত্রপাতির দরকার নেই। ব্যবসায়ী একটি কিউআর কোড প্রদর্শন করবেন, আর ক্রেতা সেটি স্ক্যান করে অর্থ পরিশোধ করবেন। লেনদেন সম্পন্ন হলে সঙ্গে সঙ্গে এসএমএস বা অ্যাপে নোটিফিকেশন পাওয়া যাবে।
অতিরিক্ত সুবিধা : শুধু পেমেন্ট নয়, ব্যবসা ব্যবস্থাপনায়ও সহায়ক ‘বাংলা কিউআর’। এর মাধ্যমে দৈনিক লেনদেনের হিসাব রাখা, ডিজিটাল হালখাতা তৈরি, সরবরাহকারীদের অর্থ প্রদান এবং বিক্রির তথ্য বিশ্লেষণ করা সহজ হবে।
স্পর্শবিহীন হওয়ায় এটি স্বাস্থ্যঝুঁকি কমায় এবং জাল নোটের আশঙ্কাও থাকে না। পাশাপাশি ব্যাংকিং নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে লেনদেন তুলনামূলকভাবে সুরক্ষিত থাকে।
কারা যুক্ত : দেশে পরীক্ষামূলকভাবে কিউআরভিত্তিক পেমেন্ট চালুর পর সেটিকে জাতীয় পর্যায়ে ‘বাংলা কিউআর’ হিসেবে বিস্তৃত করা হয়েছে। বর্তমানে সব ব্যাংকের জন্য এটি বাধ্যতামূলক করার উদ্যোগ চলছে। অনেক ব্যাংক এরই মধ্যে তাদের অ্যাপে এই সেবা যুক্ত করেছে এবং কিছু ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কার্ড নেটওয়ার্কের সঙ্গেও সমন্বয় করা হয়েছে।
ডিজিটাল অর্থনীতির পথে এগিয়ে যেতে ‘বাংলা কিউআর’ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। সহজ ব্যবহার, কম খরচ এবং দ্রুত লেনদেনের সুবিধায় এটি দেশের পেমেন্ট ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মতে, গভর্নরের এই উদ্যোগ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, হকার ও সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে ডিজিটাল লেনদেনের প্রতি আস্থা বাড়াবে এবং নগদহীন অর্থনীতির পথে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় নতুন গতি যোগ করবে।

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি উড়োজাহাজ থেকে প্রায় ১৯ কেজি সোনা জব্দ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় আসা উড়োজাহাজ থেকে এই সোনা উদ্ধারের তথ্য দিয়েছে ঢাকা কাস্টম হাউস।
সংস্থাটি জানায়, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইটটি বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছে। উড়োজাহাজের কার্গো হোল্ড থেকে সোনার বারগুলো উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত সোনার উৎস, কার্গো হোল্ডে কিভাবে এগুলো রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত চলছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অভিযান পরিচালনা করে গোয়েন্দা সংস্থা, শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষের সমন্বয়ে গঠিত যৌথ দল।
ঢাকা কাস্টম হাউসের অতিরিক্ত কমিশনার কামরুল হাসান এ বিষয়ে বলেন, উড়োজাহাজটির কার্গো হোল্ড থেকে স্কচ টেপে পেঁচানো অবস্থায় মোট ১৬০টি সোনার বার উদ্ধার করা হয়। এসব বারের ওজন ১৮ কেজি ৭২০ গ্রাম।
বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার বলেন, ‘এই ঘটনায় কোনো আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। মামলার প্রক্রিয়া চলছে।’

আওয়ামী সরকার আমলে সশস্ত্র বাহিনীর যেসব কর্মকর্তা অন্যায়ভাবে চাকরিচ্যুত, গুম ও নিষ্ঠুর নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন, মিথ্যা মামলায় যাঁদের কারাগারে পাঠানো হয়েছিল, বৈষম্য ও প্রতিহিংসার শিকার হয়ে প্রাপ্য পদোন্নতি না পেয়ে যাঁরা চাকরি ছাড়তে বাধ্য হয়েছিলেন, তাঁদের ক্ষতিপূরণ বিষয়ে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি হয়েছে। নির্বাচিত সরকার ক্ষমতা গ্রহণের আগে গত ৫ ফেব্রুয়ারি অন্তর্বর্তী সরকার এ বিষয়ে যে প্রজ্ঞাপন জারি করেছিল, তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সংশোধন করে নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। গত বুধবার জারি করা এ প্রজ্ঞাপনে ক্ষতিপূরণ প্রাপ্যের সংখ্যা ৯ জন বেড়েছে।
নতুন প্রজ্ঞাপন অনুসারে সেনাবাহিনীর ১১৫ জন, নৌবাহিনীর ২১ জন ও বিমানবাহিনীর ১৪ জন—মোট ১৫০ জন অবসরপ্রাপ্ত, অপসারণকৃত, অব্যাহতিপ্রাপ্ত ও বরখাস্তকৃত কর্মকর্তা বিভিন্নভাবে ক্ষতিপূরণ পেতে যাচ্ছেন।
আগের প্রজ্ঞাপনে সেনাবাহিনীর ১১০ জন, নৌবাহিনীর ১৯ জন এবং বিমানবাহিনীর ১২ জন—মোট ১৪১ জনের ক্ষতিপূরণের কথা বলা হয়েছিল। নতুন করে কয়েকজন যুক্ত হওয়ার সঙ্গে আগের তালিকা থেকে কয়েকজন বাদও পড়েছেন। ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ আর্থিক সুযোগ-সুবিধার ক্ষেত্রেও কিছুটা পরিবর্তন এসেছে। আগের প্রজ্ঞাপনে সেনাবাহিনী থেকে বরখাস্ত করা চারজন লেফটেন্যান্টকে সমকোর্সের অফিসারদের পদমর্যাদা, জ্যেষ্ঠতা আর্থিক ও আনুষঙ্গিক সুবিধাসহ চাকরি ফিরিয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে তাঁদের মেজর পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, সে অনুয়ায়ী বেতন-ভাতা, ৫০ লাখ টাকা করে প্রণোদনা এবং বয়স ও যোগ্যতা সাপেক্ষে অন্য যেকোনো সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় পদায়ন করতে বলা হয়েছে। এরা হচ্ছেন বিএ-৯৭৮০ লে. শাায়েত আহম্মেদ (আর্টিলারি), বিএ-৯৮২৯ লে. এ এইচ এম ইকরামুজ্জামান (পদাতিক), বিএ-৯৯৬৫ লে. তৌকির মাহমুদ তুষার (আর্টিলারি) এবং বিএ-৯৯৬৫ লে. আবদুল্লাহ ওমর নাসিফ (আর্টিলারি)।
একজন সেনাকর্মকর্তা মেজর মো. জাহিদুল ইসলামকে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে হত্যা করার অভিযোগ ছিল। তাঁকে কয়েক ধাপে লে. কর্নেল, কর্নেল ও আগামী বছরের প্রথম দিন মরণোত্তর ব্রি. জেনারেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি, সে অনুসারে তাঁর পরিবারকে বেতন-ভাতা এবং ডিওএইচএস বা জলসিঁড়ি প্রকল্পে প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দ দেওয়ার বদলে বিশেষ আর্থিক প্রণেদনা সুবিধা হিসেবে এক কোটি টাকা দেওয়া হবে।
গুমের শিকার ব্রি. জেনারেল আব্দুল্লাহিল আমান আযমী লে. জেনারেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং সে অনুসারে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পাবেন । একই সঙ্গে বিশেষ আর্থিক বা প্রণোদনা সুবিধা পাবেন এক কোটি টাকা। এ ছাড়া বয়স ও যোগ্যতা অনুসারে যেকোনো সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় তাঁকে পদায়ন করতে বলা হয়েছে।
গুমের শিকার এবং চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী লে. কর্নেল মোহাম্মদ হাসিনুর রহমান, বিপি ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতিসহ ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন। পিলখানা হত্যাযজ্ঞের পর সহকর্মী হারানো ক্ষোভ থেকে সে সময় প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন করে যেসব সেনাকর্মকর্তা রোষানলের শিকার হয়ে চাকরি হারিয়ে মিথ্যা মামলায় কারাভোগ করেছিলেন, তাঁদের মধ্যে কয়েকজন ক্যাপ্টেন লে. কর্নেল পদে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি এবং প্রায় ১৫ বছর চাকরি না থাকার ক্ষতিপূরণ পাচ্ছেন।
আগের প্রজ্ঞাপনে এঁদের মধ্যে ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ রেজাউল করিম, ক্যাপ্টেন খন্দকার রাজীব হোসেন, ক্যাপ্টেন মো. ফুয়াদ খান শিশির ও ক্যাপ্টেন মো. খান সুবায়েল বিন রফিককে ভূতাপেক্ষ পদোন্নতি ছাড়াও অবর্ণনীয় দুর্দশা ও কঠোর বঞ্চনার কারণে বিশেষ বিবেচনায় ঢাকার সুবিধাজনক ডিওএইচএস বা জলসিঁড়ি প্রকল্পে প্লট-ফ্ল্যাট বরাদ্দ দিতে বলা হয়েছিল। নতুন প্রজ্ঞাপনে তাঁদের প্লট-ফ্ল্যাটের পরিবর্তে এক কোটি টাকা করে আর্থিক-প্রণোদনা সুবিধা এবং বয়স ও যোগ্যতা অনুসারে যেকোন সরকারি বা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থায় তাঁকে পদায়ন করতে বলা হয়েছে।
যাঁদের পদোন্নতি দেওয়া হয়নি তাঁদের অবসরের নতুন তারিখ নির্ধারণ করে চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং সে অনুসারে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হতে যাচ্ছে।
অবসর-পূর্ব চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি : অবসর-পূর্ব চাকরির মেয়াদ বাড়িয়ে সেই অনুসারে আর্থিক সুযোগ-সুবিধা যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁদের মধ্যে লে. জেনারেল থেকে কর্নেল পদে থেকে বঞ্চনার শিকারদের মধ্যে রয়েছেন—লে. জেনারেল মোহাম্মদ আমিনুর করিম, লে. জেনারেল সিনা ইবনে জামালী, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইশতিয়াক, মেজর জেনারেল মো. সফিকুল ইসলাম, মেজর জেনারেল সৈয়দ ফাতেমী আহমেদ রুমী, মেজর জেনারেল মোহাম্মদ রুহুল আমিন, মেজর জেনারেল নিজাম আহমেদ, মেজর জেনারেল মেহাম্মদ কামরুজ্জামান, মেজর জেনারেল মো. নাঈম আশফাক চৌধুরী, ব্রি. জেনারেল সৈয়দ ইমাম হোসেন, ব্রি. জেনারেল মো. জাকির হাসান, ব্রি. জেনারেল হাবিবুর রহমান, ব্রি. জেনারেল মো. বদরুল মিল্লাত ভুঁইয়া, ব্রি. জেনারেল মো. আনিছুজ্জামান ভুঁইয়া, ব্রি. জে. মোজাম্মেল হোসাইন ব্রি. জেনারেল মো. আনোয়ারুল ইসলাম, ব্রি. জেনারেল মো. আবদুস সালাম, ব্রি. জেনারেল আবদুল মুকছিদ মো. ওয়াজেদ ঠাকুর, বি. জেনারেল গাজী আশরাফ উদ্দীন আহমেদ, ব্রি. জেনারেল মো. আমিন আকবর, ব্রি. জেনারেল এ এস এম মাহমুদ হাসান, ব্রি. জেনারেল মো. তোফায়েল আহমেদ, ব্রি. জেনারেল কাজী শামসুল ইসলাম, ব্রি. জেনারেল সৈয়দ ফজলে কাদের আহমেদ, ব্রি. জেনারেল মো. রিয়াজুল ইসলাম চৌধুরী, ব্রি. জেনারেল সৈয়দ রিয়াদ মেহবুব, ব্রি. জেনারেল কাজী মাহফুজুর রহমান, ব্রি. জেনারেল মো. নাজিম উদ্দিন, ব্রি. জেনারেল মো. তাহারুল আলম, কর্নেল ওয়েস হুদা, কর্নেল আলমাস রাইসুল গণি, কর্নেল মো. আব্দুল হক, কর্নেল মো. নেয়ামুল হক, কর্নেল মো. ফরিদউদ্দিন, কর্নেল মোহা. নূরুল ইসলাম, কর্নেল মো. বদরুল আহসান, কর্নেল মো. নুরুল হুদা, কর্নেল মামুন আল মাহমুদ, কর্নেল মো. জগলুল আহাসান, কর্নেল মো. ফখরুদ্দীন আহমেদ ভূঁইয়া, কর্নেল মো. কবিরুল ইসলাম. কর্নেল মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম, মরহুমা কর্নেল খালেদা খানম, কর্নেল কাজী আসকার লতিফ প্রমুখ।