• ই-পেপার

লাইসেন্স বাতিলের ৭২ ঘণ্টা পরও আদ-দ্বীনে ২৩৪ রোগী

  • আদ-দ্বীন কোটি কোটি টাকা নিয়ে ঘুরেছে, কিন্তু লাইসেন্স বাতিল করে দিয়েছি : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সুইজারল্যান্ডের উল্লাস

সুইজারল্যান্ডের উল্লাস
গত রাতে সান ফ্রান্সিসকো বে অ্যারেনায় কাতারের বিপক্ষে প্রথমার্ধে পেনাল্টি থেকে গোল করে এগিয়ে যাওয়া সুইজারল্যান্ডের উল্লাস। ছবি : রয়টার্স

আজকের খেলা

আজকের খেলা

জার্মানি-কুরাসাও (রাত ১১টা)

অস্ট্রেলিয়া-তুরস্ক (সকাল ১০টা)

জার্মানি-কুরাসাও (রাত ১১টা)

নেদারল্যান্ডস-জাপান (রাত ২টা)

আইভরি কোস্ট-ইকুয়েডর (কাল ভোর ৫টা)

উক্তি

উক্তি

অর্থনীতিতে সাম্য ও ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং অলিগার্কদের ধ্বংস করা বিএনপি সরকারের অন্যতম লক্ষ্য।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী

জামায়াত আমির

গণভোটের রায় না মানলে ৯৬ সালের মতো পরিস্থিতি হবে

ভারতীয় হাইকমিশনারের বক্তব্যের সুরাহা চাই

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
গণভোটের রায় না মানলে ৯৬ সালের মতো পরিস্থিতি হবে
শফিকুর রহমান

জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, সরকারকে গণভোটের রায় মেনে নিতে হবে। তা না হলে ১৯৯৬ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্দোলনের মতো পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। তিনি বলেন, জনদাবি ও গণরায় উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন টিকে থাকতে পারে না। গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম নগরের লালদীঘি ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শফিকুর রহমান এসব কথা বলেন। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, জনদুর্ভোগ নিরসন ও দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণের দাবিতে সমাবেশের আয়োজন করা হয়। শফিকুর রহমান বলেন, সরকার যদি গণভোটের রায় বা জনদাবি স্বেচ্ছায় মেনে না নেয়, তাহলে শেষ পর্যন্ত ১৯৯৬ সালের মতো পরিস্থিতি তৈরি হবে। সে সময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু করতে সরকারকে বাধ্য করা হয়েছিল। এবারও গণভোটের রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করা হবে। তিনি সরকারের প্রতি জনগণকে রাজপথে নামতে বাধ্য না করার আহবান জানান।

বিএনপির উদ্দেশে তিনি বলেন, সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। এ সময়ের মধ্যে পরিবর্তন না হলে পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। সরকারকে বেশিদিন সুযোগ দেওয়া হবে না।

নেতাকর্মীদের জেল বা ফাঁসির ভয় দেখিয়ে লাভ হবে না বলেও মন্তব্য করেন শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থে তাঁরা বারবার কারাগারে যেতে এবং জীবন দিতেও প্রস্তুত।

দেশের বিভিন্ন স্থানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বক্তব্যের সমালোচনা করে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, বর্তমান সরকারে একজন সর্ববিষয়ে বিশারদ মন্ত্রী আছেন, যিনি প্রায় সব মন্ত্রণালয়ের কাজ পরিচালনা করেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও তাঁকে কথা বলতে হয়। তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী বিভিন্ন জেলায় গিয়ে ভুল তথ্য দিচ্ছেন। কক্সবাজারে গিয়ে বিরোধী দল বাজেটে মাদক ও নেশাজাতীয় দ্রব্যের কর বৃদ্ধির প্রতিবাদে মিছিল করেছে বলে যে দাবি করা হয়েছে, তা সত্য নয়।

শফিকুর রহমান বলেন, দেশের প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের মতামত উপেক্ষা করে কোনো সরকার দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকতে পারে না। জনগণ তাদের ভোটাধিকার ও গণরায়ের প্রতিফলন দেখতে চায়। সরকার যদি জনগণের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ হয়, তাহলে জনগণই তার জবাব দেবে।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র পরিচালনায় দলীয়করণ ও ভিন্নমত দমনের প্রবণতা বাড়ছে। সংসদে জনগণের সমস্যা, দ্রব্যমূল্য, দুর্নীতি ও জাতীয় স্বার্থের বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতেও বাধার মুখে পড়তে হচ্ছে। অথচ সংসদ জনগণের কথা বলার জায়গা।

সমাবেশে এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, সরকারের ঘোষিত বাজেট সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, জ্বালানিসংকট ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধিতে মানুষ চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এসব সংকট মোকাবেলায় বাজেটে কার্যকর দিকনির্দেশনা নেই।

এলডিপির চেয়ারম্যান অলি আহমদ বলেন, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও সামাজিক অস্থিরতায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিক হত্যার ঘটনায় আরো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহবান জানান তিনি। জাতীয় স্বার্থ রক্ষায় শক্তিশালী ও ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতির ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতের অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ শাহজাহান। আরো বক্তব্য দেন মামুনুল হক, রাশেদ প্রধান, মুসা বিন ইজহার, আসাদুজ্জামান ফুয়াদ, মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, সাখাওয়াত হোসাইন, শাহজাহান চৌধুরী, আ ন ম শামসুল ইসলাম, এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী প্রমুখ।

হাইকমিশনারের বক্তব্যের সুরাহা : বাংলাদেশে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদীর একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গন ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে সরকারের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। গতকাল নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক পোস্টে তিনি লেখেন, বাংলাদেশে নতুন ভারতীয় হাইকমিশনার দিনেশ ত্রিবেদী পৌঁছানোর পর তাঁর একটি বক্তব্য আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তিনি ভারত-বাংলাদেশের এক হয়ে যাওয়া বলতে কী বুঝিয়েছেন, আমাদের সরকারের উচিত হবে তাঁর কাছ থেকে তা জেনে নেওয়া।

তিনি আরো লেখেন, ভারত যেমন একটি স্বাধীন দেশ, বাংলাদেশও তেমনি একটি স্বাধীন দেশ। তাঁর এ বক্তব্য স্পষ্ট না হলে জনমনে অবশ্যই বিভ্রান্তি তৈরি হবে। আমরা আমাদের সরকারের কাছে এ বিষয়টির সুরাহা চাই। যদি তিনি আক্ষরিক অর্থে এ ধরনের কিছু বুঝিয়ে থাকেন, তাহলে অবশ্যই তা নিন্দনীয়। বিষয়টি স্পষ্ট হওয়া দরকার।