• ই-পেপার

ম্যানহোলের ভিতর ২২ বছরের সংসার

তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হলেন বিরোধী দলের নেতা

অনলাইন ডেস্ক
তৃণমূলের বহিষ্কৃত বিধায়ক হলেন বিরোধী দলের নেতা

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলনেতা হলেন তৃণমূল কংগ্রেসের (টিএমসি) বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার (৩ জুন) আনুষ্ঠানিভাবে বিরোধী দলনেতার নাম ঘোষণা করেন বিধানসভা স্পিকার রথীন্দ্র বসু। 

এই সময় অনলাইনের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা করতে ৫৮ জন বিধায়কের সই সংবলিত একটি চিঠি পাঠানো হয় স্পিকার রথীন্দ্র বসুকে। 
তাদের মধ্যে ৫৭ জন তৃণমূল বিধায়ক। অপর দুজন দল থেকে বহিষ্কৃত বিধায়ক ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহা। 

এর আগে বিধানসভায় জাল সই বিতর্কে ঋতব্রত এবং সন্দীপন সাহাকে দল থেকে বহিষ্কার করেছিল তৃণমূল। দলবিরোধী কাজের অভিযোগ ছিল তাদের বিরুদ্ধে।

এদিকে দাবার খেল উল্টে সেই ঋতব্রত এবং সন্দীপনের নেতৃত্বে তৃণমূলের ৫৮ জন বিধায়ক একজোট হয়ে বিরোধী দলনেতা নির্বাচন করলেন। তবে টিএমসি দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চেয়েছিলেন বিরোধী দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্র এবং নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়কে উপদলনেতা এবং ফিরহাদ হাকিমকে মুখ্য সচেতক। 

কিন্তু শেষতক বিধায়কেরা বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নিলেন বহিষ্কৃত ঋতব্রতকে। শুধু তাই নয়, স্পিকারের কাছে বিদ্রোহী বিধায়কেরা যে চিঠি দিয়েছিলেন, সেখানে মমতার নামও দলনেত্রী হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে তৃণমূলের ভেতরে কি হতে চলেছে, তা নিয়ে প্রত্যাশিত ভাবেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

এ নিয়ে শিউলি সাহা বলেন, ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমাদের দলনেত্রী। তাঁরই সৈনিক ছিলাম, আছি এবং থাকব। কিন্তু দলটা যখন অন্য কেউ দখল করে নেয়, সেটা তো মেনে নেব না। আমরা দলে একটা সুস্থ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা চাইছিলাম।’

 

কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় হতাহত ৬৪

অনলাইন ডেস্ক
কুয়েত বিমানবন্দরে ইরানের হামলায় হতাহত ৬৪

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় নিহত হয়েছেন একজন এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৬৩ জন। তাদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় ৭ জনের জরুরি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানায় দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

কুয়েতি কর্তৃপক্ষের বরাতে বার্তা সংস্থা আলজাজিরা জানায়, বুধবার ভোরে চালানো এই হামলায় অন্তত একজন নিহত হয়েছেন। হামলায় বিমানবন্দরের একটি টার্মিনাল ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো এবং কয়েকটি কূটনৈতিক মিশনও ক্ষতির মুখে পড়ে।

হামলার পরপরই জরুরি সেবা ও উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। বিমানবন্দরের ক্ষতিগ্রস্ত অংশগুলো ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণে কাজ চলছে।

কুয়েত সরকার হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করে জানিয়েছে, বেসামরিক অবকাঠামোকে লক্ষ্য করে পরিচালিত এ ধরনের হামলা আন্তর্জাতিক আইন ও কূটনৈতিক রীতিনীতির পরিপন্থী। তবে হামলার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এই হামলা আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরো জটিল করে তুলেছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

জানুয়ারির বিক্ষোভে নিরাপত্তা কর্মকর্তা হত্যায় অভিযুক্তর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

অনলাইন ডেস্ক
জানুয়ারির বিক্ষোভে নিরাপত্তা কর্মকর্তা হত্যায় অভিযুক্তর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের সময় এক নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে হত্যার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে, জানিয়েছে  ইরান সরকার। ইরানি কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে ওই বিক্ষোভকে বিদেশি শক্তির মদদে পরিচালিত একটি 'জায়নবাদী অভ্যুত্থান' হিসেবে বর্ণনা করে আসছে।

তাসনিম নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, নিরাপত্তা কর্মকর্তা মেজর মোহাম্মদ জাভাদ বাখশিয়ান হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দেওয়া মৃত্যুদণ্ডের রায় কার্যকর করা হয়েছে। বাখশিয়ান পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর হামেদানে নিহত হন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১৮ জানুয়ারি হামেদানে ব্যাপক বিক্ষোভ ও সহিংসতার মধ্যে নিরস্ত্র নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের মোতায়েন করা হয়েছিল। কর্তৃপক্ষের দাবি, সাধারণ মানুষকে সহিংসতা ও দাঙ্গা থেকে রক্ষা করার জন্য তারা দায়িত্ব পালন করছিলেন।

সে সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। হামলার একপর্যায়ে মেজর বাখশিয়ান তার সহকর্মীদের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। এরপর বিক্ষোভকারীদের একটি দল তাকে মারধর করে বলে দাবি করা হয়েছে।

তাসনিমের খবরে বলা হয়, পরে ভিড়ের মধ্যে থাকা এক ব্যক্তি ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাখশিয়ানের শরীরে আঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হলেও পরে তার মৃত্যু হয়।

২০২৬ সালের জানুয়ারির ওই বিক্ষোভ দ্রুত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের ৩১টি প্রদেশের মধ্যে অন্তত ২৫টিতে অস্থিরতা দেখা যায়। বিশ্লেষকদের মতে, অর্থনৈতিক সংকট, উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বেকারত্ব এবং আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞার কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছিল, তা বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ার অন্যতম কারণ ছিল।

তবে ইরানের শীর্ষ নেতৃত্ব এই আন্দোলনকে স্বতঃস্ফূর্ত জনবিক্ষোভ হিসেবে দেখেনি। তাদের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের পরিকল্পনায় এই অস্থিরতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। সরকার আরো অভিযোগ করেছে, বিদেশি ভাড়াটে ব্যক্তি এবং দেশের বাইরে অবস্থানরত কিছু ইরানি এ ঘটনায় ভূমিকা রেখেছে।

বিক্ষোভের পর হামেদান শহরে ব্যাপক ধরপাকড় অভিযান চালানো হয়। ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শুধু হামেদানেই ১৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ ও সহিংসতার মূল পরিকল্পনাকারী এবং সংগঠক হওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।

যুক্তরাজ্যে রয়্যাল নেভির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত

অনলাইন ডেস্ক
যুক্তরাজ্যে রয়্যাল নেভির হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত
ছবি : সংগৃহীত।

যুক্তরাজ্যের  রয়্যাল নেভির একটি হেলিকপ্টার ইংল্যান্ডের সাওয়ারটন ডাউন এলাকায় একটি মাঠে বিধ্বস্ত হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, ওকেহ্যাম্পটনের কাছে দুর্ঘটনাস্থলে জরুরি সেবা কর্মীরা কাজ করছেন।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি রয়্যাল নেভির। ওই এলাকায় সামরিক হেলিকপ্টারগুলোর নিয়মিত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলে। রয়্যাল নেভির এক মুখপাত্র জানান, স্থানীয় সময় ভোর ৪টার কিছু আগে দুর্ঘটনাটি ঘটে। কী কারণে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে তা জানতে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে তদন্ত চলায় এ বিষয়ে আর কোনো মন্তব্য করা হবে না বলে জানানো হয়েছে।

দুর্ঘটনার পর ভোর সাড়ে ৪টার দিকে আশপাশের কয়েকটি সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ৩৮৬ রোডের একটি অংশ দুপুর পর্যন্ত বন্ধ থাকতে পারে। এদিকে ঘটনাস্থলের কাছে সাওয়ারটন ক্রস সার্ভিসেস সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার কারণে বর্তমানে তাদের সেবা কার্যক্রম স্বাভাবিকভাবে চালানো যাচ্ছে না।

ম্যানহোলের ভিতর ২২ বছরের সংসার | কালের কণ্ঠ