kalerkantho

৪৮ বছরেও স্বীকৃতি পাননি ১০ বীরাঙ্গনা

শাহরুখ হোসেন আহাদ, আত্রাই-রানীনগর (নওগাঁ) ও মো. আব্দুল হালিম, ফুলবাড়িয়া (ময়মনসিংহ)   

২৬ মার্চ, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



৪৮ বছরেও স্বীকৃতি পাননি ১০ বীরাঙ্গনা

স্বাধীনতার ৪৮ বছরেও নওগাঁর রানীনগর উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের আতাইকুলা পালপাড়া গ্রামের ৯ বীরাঙ্গনার আজও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি মেলেনি। তাঁরা হলেন বাণী রানী পাল, রেনু বালা, ক্ষান্ত বালা পাল, মায়া সূত্রধর, সুষমা সূত্রধর, রাশমণি সূত্রধর, কালিদাসী পাল, সন্ধ্যা পাল ও সুষমা পাল। ১৯৭১ সালের ২৫ এপ্রিল পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এসব নারীর ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালায়। বীরাঙ্গনা কালিদাসী পাল (৭৫) বলেন, ‘স্বামীকে হত্যার পর আমার ওপর পাকিস্তানি সেনারা পৈশাচিক নির্যাতন চালিয়েছে। স্বাধীনতার পর আমার আর কেউ খোঁজ নেয়নি।’

রানীনগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘স্বীকৃতির জন্য আতাইকুলার ৯ বীরাঙ্গনার একটি তালিকা মুক্তিযোদ্ধাবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার ভবানীপুর ইউনিয়নের মহেষপুর গ্রামের বীরাঙ্গনা জয়ন্তী বালা দেবী বয়সের ভারে এখন আর চলাফেরা করতে পারেন না।

ভালুকার ভায়ুইল্লা ভাজু গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তাঁর স্বামী। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য শহীদ স্বামী ও তাঁর স্বীকৃতির জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে একাধিকবার আবেদন করেও কোনো কাজ হয়নি। বঙ্গবন্ধুর লেখা চিঠি থাকা সত্ত্বেও জাতীয় মুক্তিযুদ্ধ কাউন্সিল (জামুকা) জয়ন্তী বালাকে বীরাঙ্গনা ও তাঁর স্বামী নিতাই চন্দ্রকে শহীদ মুক্তিযুদ্ধার স্বীকৃতি দেয়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লীরা তরফদার বলেন, ‘বীরাঙ্গনার স্বীকৃতির জন্য জয়ন্তী বালা দেবীর কাগজপত্র মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।’

মন্তব্য