kalerkantho


রাজবাড়ীতে ছাত্রীকে ধর্ষণ, মারধর

রাজবাড়ী প্রতিনিধি   

১৯ মার্চ, ২০১৭ ০০:০০



রাজবাড়ীর একটি সরকারি কলেজের এইচএসসি প্রথম বর্ষের ছাত্রীকে ধর্ষণ ও বেধড়ক মারধরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ অভিযোগে ওই ছাত্রী গতকাল শনিবার সকালে রাজবাড়ী থানায় আলম প্রমাণিক (২৩) নামে এক যুবককে আসামি করে মামলা করেছেন।

আলম প্রমাণিক রাজবাড়ী পৌরসভার ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি রাজবাড়ীর পাসপোর্ট অফিসের দালাল বলেও পরিচিত।

ওই ছাত্রী বলেন, এক বছর ধরে তাঁর সঙ্গে আলমের প্রেমের সম্পর্ক। গত ১০ মার্চ রাত ১০টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে তাঁকে আলম ডেকে তুলে ধর্ষণ করেন। পরে আলম তাঁকে বিয়ে করার আশ্বাস দিয়ে ঘটনাটি কাউকে না বলতে অনুরোধ করেন এবং গত শুক্রবার তাঁর মাকে দেখাবেন বলে বাড়িতে যেতে বলেন। তিনি সরল বিশ্বাসে আলমদের বাড়িতে যান। তাঁকে দেখেই আলমের মাসহ পরিবারের সদস্যরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। একপর্যায়ে তাঁকে আলম ও তাঁর মা-বোন বেধড়ক মারধর করে। এতে তাঁর মাথা ও গলা জখম হয়।

ওই ছাত্রীর মা বলেন, শুক্রবার বিকেলে তাঁর মেয়েকে আলমদের বাড়িতে বেধড়ক মারধরের খবর পেয়ে তিনি সেখানে যান ও মেয়েকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে নিয়ে আসেন।  

রাজবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) খান বিল্লাল হোসেন বলেন, আসামি আলমকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। ওই ছাত্রীর রাজবাড়ী হাসপাতালে ডাক্তারি পরীক্ষা ও আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়েছে।

ঝালকাঠি থানায় ধর্ষণ মামলা 

এদিকে ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, ঝালকাঠিতে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। ওই গৃহবধূ গতকাল শনিবার সকালে ঝালকাঠি থানায় মামলাটি করেন।

ঝালকাঠি সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ওই গৃহবধূ অভিযোগ করেন, সদর উপজেলার গাভা-রামচন্দ্রপুর ইউনিয়নের কাচাবালিয়া গ্রামের কেরাত মল্লিকের ছেলে কালু ওরফে হালিম মল্লিক গত বৃহস্পতিবার রাতে কৌশলে গৃহবধূর ঘরে ঢুকে তাঁকে ধর্ষণ করেন। এ সময় গৃহবধূ ঘরে একাই ছিলেন।

হাসপাতালের গাইনি বিভাগের চিকিৎসক মৃণাল কান্তি বলেন, ওই ধর্ষিত গৃহবধূর চিকিৎসা চলছে। এ বিষয়ে পুলিশের আবেদনের পরে নারী চিকিৎসক দিয়ে আলামত সংগ্রহ করা হবে। ঝালকাঠি থানার ওসি মো. মাহে আলম বলেন, মামলার আসামি হালিম মল্লিককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।


মন্তব্য