kalerkantho


কয়েক বছরেই চীনকে টপকে যাবে ভারত, উবে যাবে পাকিস্তানও!

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ২২:৪৮



কয়েক বছরেই চীনকে টপকে যাবে ভারত, উবে যাবে পাকিস্তানও!

বিশ্বাস করা কঠিন হলেও, মার্কিন বিশেষজ্ঞরা কিন্তু মনে করছেন বছর কয়েকের মধ্যেই বিশ্বের অর্থনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করবে ভারত। ২০৩০-এর মধ্যেই চীনকে ছাপিয়ে যাবে উন্নয়নশীল ভারত। আর পিছিয়ে থাকবে চীন।

মার্কিন অর্থনীতিবিদদের ওই রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০২০-র পর থেকে ভারতের উত্থান হবে চোখে পড়ার মত। আর চীনের ভাগ্য ক্রমশই দুর্গতির পথে এগোবে। ২০৩০-এর পর ভারত হয়ে উঠবে বিশ্বের ‘পাওয়ার হাউস’, ঠিক যেমনটা ছিল ১৫০০ শতকের আগে।

‘গ্লোবাল ট্রেন্ডস ২০৩০ : অলটারনেটিভ ওয়ার্ল্ডস’ শিরোনামে এই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে মার্কিন ন্যাশনাল ইনটেলিজেন্স কাউন্সিল। তাদের আরো দাবি, পাকিস্তানের হয়ত আর অস্তিত্বই থাকবে না ওই সময়ে।

আরও পড়ুন: ২০১৯ সালের মধ্যেই পুরোপুরি চীনা বলয়ে ঢুকে পড়বে ইসলামাবাদ

রিপোর্টে বলা হচ্ছে, ২০২০-র পর থেকে ক্রমশ অর্থনৈতিক অবনতি হবে চীনের। বর্তমানে চীন, ভারতের থেকে অনেকটাই এগিয়ে। তবে ২০৩০-এ এই ফারাক কমবে অনেকটাই। বিশেষজ্ঞদের মতে, ঠিক যেমন চীনকে বর্তমানে অর্থনীতির শিখরের দিকে এগিয়ে যেতে দেখা যাচ্ছে, আজ থেকে ১২ বছর পর সেই জায়গায় দেখা যাবে ভারতকে। বর্তমানে চীনের অর্থনৈতিক বৃদ্ধির হার ৮-১০ শতাংশ। ১২ বছর পর এটা নাকি নিছকই স্মৃতিতে পরিণত হবে।

আরো পড়ুন: এক ছাত্রীর স্কুল যাওয়ার সুবিধায় ট্রেনের স্পেশাল স্টপেজ

গত বছরই বিদেশি বিনিয়োগ টানতে চীনকে পেছনে ফেলে দেয় ভারত। সেকথা স্বীকারও করে নিয়েছে বেইজিং। তারা স্বীকার করে, বিদেশি বিনিয়োগ টানায় ভারত অনেক এগিয়ে গিয়েছে।

কয়েক বছর ধরেই চীনের আর্থিক বৃদ্ধি থমকে গিয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে জিডিপি ৬.৭ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে থাকতে পারে পূর্বাভাস দিয়েছিল বেইজিং। কিন্তু সেই লক্ষ্যে পৌঁছনো অসম্ভব। পরিস্থিতি এমন ‌যে বৃদ্ধির হার কমে দাঁড়িয়েছে ৬.৫ শতাংশ। চীনের বিদেশি মুদ্রার পরিমাণও কমেছে প্রায় ৩ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার। এদিকে, নোট বাতিলের পরেও ভারতের আর্থিক বৃদ্ধি ৭ শতাংশে থাকতে পারে বলে অনুমান করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: পিছু হটছে তালেবান? শান্তিপ্রিয় মার্কিন নাগরিকদেরকে খোলাচিঠি!

বৃদ্ধির হার কমেছে। তার উপরে বিদেশি বিনিয়োগও আসছে না। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ কর্মসূচির ফলে সেদেশে বিদেশি বিনিয়োগের পরিমাণ বেড়েছে। ২০১৫ সালে বিশ্বে প্রথমবার বিদেশি বিনিয়োগ টানায় র্শীষস্থান অধিকার করে ভারত। ওই বছরে সেদেশে এসেছিল ৬৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দ্বিতীয়স্থানে আমেরিকা (৫৯.৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার) এবং তৃতীয়স্থানে চীন।

আরও পড়ুন: ট্রাম্পের যৌনকেচ্ছার সত্যতা স্বীকার করলেন তাঁর আইনজীবী!



মন্তব্য