• ই-পেপার

ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় আসছেন ভারতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠী

বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

আমানতকারী পাবেন সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা

অনলাইন ডেস্ক
বন্ধ হচ্ছে ৫ আর্থিক প্রতিষ্ঠান

সংকটে থাকা পাঁচটি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান (এনবিএফআই) বন্ধের প্রক্রিয়ায় নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দিয়ে প্রশাসক নিয়োগ করা হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের ব্যক্তি আমানতকারীরা সর্বোচ্চ ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ফেরত পাবেন বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

গতকাল বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় দীর্ঘদিন ধরে সংকটে থাকা নয়টি আর্থিক প্রতিষ্ঠানের পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হয়।

আরো পড়ুন
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

 

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, বন্ধের প্রক্রিয়ায় নেওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠান হলো- এফএএস ফাইন্যান্স, ফারইস্ট ফাইন্যান্স, আভিভা ফাইন্যান্স, পিপলস লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস।

অন্যদিকে বাংলাদেশ ইন্ডাস্ট্রিয়াল ফাইন্যান্স কোম্পানি (বিআইএফসি), প্রিমিয়ার লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স, জিএসপি ফাইন্যান্স ও প্রাইম ফাইন্যান্সকে পুনরুদ্ধারের সুযোগ দিয়ে তিন মাস সময় দেওয়া হয়েছে। এ সময়ের মধ্যে ব্যক্তি আমানতকারীদের মূল অর্থ পরিশোধে সক্ষমতা দেখাতে না পারলে সেগুলোকেও রেজল্যুশন বা অবসায়ন প্রক্রিয়ার আওতায় আনা হবে।

আরো পড়ুন
বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার

বদলি নেমেই পেনাল্টি থেকে গোল মেসির, বড় জয় আর্জেন্টিনার

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া পাঁচটি প্রতিষ্ঠানে প্রায় ২৭ হাজার ব্যক্তি আমানতকারীর ২ হাজার ৭০০ কোটি টাকার আমানত রয়েছে। প্রথম ধাপে এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত করা হবে। এরপর প্রশাসক নিয়োগের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্পদ ও দায়-দেনা মূল্যায়ন করে আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দেওয়ার কার্যক্রম শুরু হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর শেষে খেলাপি ঋণের হার এফএএস ফাইন্যান্সের ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ, ফারইস্ট ফাইন্যান্সের ৯৮ দশমিক ৫০ শতাংশ, আভিভা ফাইন্যান্সের ৯৩ দশমিক ৯৩ শতাংশ, পিপলস লিজিংয়ের প্রায় ৯৫ শতাংশ ও ইন্টারন্যাশনাল লিজিংয়ের ৯৯ দশমিক ৪৪ শতাংশে পৌঁছেছে। উচ্চ খেলাপি ঋণ, তারল্য সংকট ও আমানত ফেরত দিতে ব্যর্থ হওয়ার কারণে গত বছরের মে মাসে ২০টি এনবিএফআইকে কারণ দর্শানোর নোটিস দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। পরে তাদের পুনরুদ্ধার পরিকল্পনা মূল্যায়ন করে নয়টি প্রতিষ্ঠানকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

আরো পড়ুন
‘হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’

‘হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’

 

ধারাবাহিক পর্যালোচনার পর বর্তমানে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে অবসায়ন বা বন্ধের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, বিগত বছরগুলোতে অনিয়ম, দুর্বল সুশাসন ও ঋণ কেলেঙ্কারির কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের আর্থিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। বিশেষ করে আলোচিত পি কে হালদারের বিরুদ্ধে পিপলস লিজিং, ইন্টারন্যাশনাল লিজিং, এফএএস ফাইন্যান্স ও বিআইএফসি থেকে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

কিশোরদের হাতে স্মার্টফোন, আড়ালে গ্যাং

অনলাইন ডেস্ক
অপরাধের কারখানা সোশ্যাল মিডিয়া!

একসময় কিশোরদের আড্ডা সীমাবদ্ধ ছিল পাড়া-মহল্লা কিংবা স্কুলের মাঠে। এখন সেই আড্ডার বড় অংশই চলে গেছে স্মার্টফোনের পর্দায়। ফেসবুক গ্রুপ, মেসেঞ্জার চ্যাট, টিকটক লাইভ, অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম এই ভার্চুয়াল জগৎই হয়ে উঠছে নতুন প্রজন্মের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম। কিন্তু প্রযুক্তির এই সুবিধার আড়ালেই উদ্বেগজনকভাবে বিস্তার ঘটছে কিশোর গ্যাং সংস্কৃতির।

অপরাধের পরিকল্পনা থেকে শুরু করে অবাধ্য মোবাইল আসক্তি, সব মিলিয়ে এক ভয়াবহ সংকটের মুখোমুখি বর্তমান প্রজন্ম। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সমাজবিজ্ঞানী ও প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, কিশোর গ্যাংগুলোর সংগঠিত হওয়া, সদস্য সংগ্রহ, প্রতিপক্ষকে হুমকি দেওয়া, এমনকি অপরাধ পরিকল্পনার ক্ষেত্রেও এখন মূল ভূমিকা রাখছে স্মার্টফোন ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।

পর্দায় গ্যাং কালচার ও আতঙ্কের পরিসংখ্যান : র‌্যাবের তথ্যানুযায়ী, গত ছয় বছরে দেশে মোট ১ হাজার ১২৬ জন কিশোর গ্যাং সদস্যকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে একটি বিশাল অংশ ধরা পড়েছে ২০২১ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে পরিচালিত অভিযানে।

আরো পড়ুন
‘নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটির লোন ফেরত দেয়নি, সেটা গেছে এক দলের নির্বাচনী তহবিলে’

‘নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটির লোন ফেরত দেয়নি, সেটা গেছে এক দলের নির্বাচনী তহবিলে’

 

গ্রেপ্তার হওয়া এসব কিশোরের মোবাইল ফোন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, তারা ফেসবুক, মেসেঞ্জার, টিকটক ও বিভিন্ন অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ রক্ষা করত। কোথাও কোথাও গ্যাংয়ের সদস্য সংগ্রহ, অস্ত্রের ছবি প্রদর্শন, প্রতিপক্ষকে ভয়ভীতি দেখানো এবং নিজেদের ‘প্রভাব’ জাহির করতেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করা হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকটক বা ফেসবুকে সস্তা জনপ্রিয়তা পাওয়ার অন্ধ প্রতিযোগিতা থেকেও অনেক কিশোর অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক এবং সমাজবিজ্ঞানী ড. মো. তৌহিদুল হক এ প্রসঙ্গে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, আমাদের দেশে এখন যার যেমন খুশি সেভাবে মোবাইল বা অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করছে। এমনকি প্রাথমিক পর্যায়ের একজন শিক্ষার্থীও অ্যান্ড্রয়েড ফোন এবং উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে।

আরো পড়ুন
‘হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’

‘হাসনাত আব্দুল্লাহর কাছে এখনো ৮০০ টাকা পাই’

 

তিনি উল্লেখ করেন, অতিরিক্ত ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে কিশোরদের আচরণে বড় ধরনের নেতিবাচক পরিবর্তন আসছে। অনেক অভিভাবক অভিযোগ করছেন যে, নির্দিষ্ট বয়স হওয়ার পরও তাদের সন্তানরা স্বাভাবিকভাবে যোগাযোগ করতে পারছে না। তারা ক্রমে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠছে এবং পারিবারিক ও সামাজিক মূল্যবোধের চর্চাকে চ্যালেঞ্জ করছে। ভিনদেশি তরুণদের লাইফস্টাইল ও কথাবার্তা দেখে প্রভাবিত হওয়ার ফলে তাদের মধ্যে আইন না মানার প্রবণতা এবং বুদ্ধিভিত্তিক বিকলাঙ্গতা তৈরি হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষা ও অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশ সোশ্যাল মিডিয়া ও স্মার্টফোন ব্যবহারে নজিরবিহীন কড়াকড়ি শুরু করেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিষিদ্ধকরণ : অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৬ বছরের কম বয়সিদের জন্য সোশ্যাল মিডিয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করে ঐতিহাসিক আইন পাস করেছে। আইন অমান্য করলে প্ল্যাটফর্মগুলোকে ৫০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। ফ্রান্সও ১৫ বছরের কম বয়সিদের জন্য একই ধরনের বিল অনুমোদন করেছে। এ ছাড়া স্পেন, ব্রিটেন, নরওয়ে ও চীনসহ বহু দেশ বিভিন্ন বয়সিকেন্দ্রিক বিধিনিষেধ বা ‘মাইনর মোড’ চালু করেছে।

আরো পড়ুন
এবার মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা ইরানের

এবার মার্কিন ঘাঁটিতে হামলা ইরানের

 

স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ : ইউনেস্কোর গ্লোবাল এডুকেশন মনিটরিং রিপোর্টের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বের প্রায় ৪০ শতাংশ শিক্ষা ব্যবস্থায় (৭৯টি দেশে) স্কুলে স্মার্টফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, ক্লাসে ফোনের একটিমাত্র নোটিফিকেশনের কারণে মনোযোগ হারালে শিক্ষার্থীদের পুনরায় পাঠে ফিরতে প্রায় ২০ মিনিট পর্যন্ত সময় লাগে।

বিশ্বের অভিজ্ঞতা ও বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সম্পূর্ণ নিষিদ্ধকরণ সবসময় কার্যকর বা যৌক্তিক নয়। আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থায় অনলাইন শিক্ষা, জরুরি যোগাযোগ ও ডিজিটাল দক্ষতা অর্জনের জন্য শিশুদের প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত হওয়া প্রয়োজন। এই বাস্তবতার কারণে অস্ট্রেলিয়ার মতো কঠোর আইনের দেশেও ইউটিউব, হোয়াটসঅ্যাপ, মেসেঞ্জার কিডস এবং গুগল ক্লাসরুমকে নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।

আরো পড়ুন
পুশইনের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেবে জামায়াত জোট

পুশইনের বিরুদ্ধে কর্মসূচি দেবে জামায়াত জোট

 

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. নূর মোহাম্মদ মনে করিয়ে দেন, অনেক শিশু মোবাইলে ফ্রিল্যান্সিং বা বই পড়ার মতো গঠনমূলক কাজও করে। তাই জেন-জি পরবর্তী প্রজন্মের বিকাশকে অস্বীকার না করে তাদের মনস্তত্ত্ব বুঝতে হবে। ঢালাও নিষেধাজ্ঞার ফলে অনেক কিশোর-কিশোরী সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়তে পারে।

করণীয় : বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অবস্থা থেকে উত্তরণে শিশুদের সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনযাপন প্রক্রিয়ায় ফিরিয়ে আনা এবং ডিভাইসের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা কমানো জরুরি। প্রযুক্তির সঠিক ও নিয়ন্ত্রিত ব্যবহার নিশ্চিত করতে পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রকে একযোগে কাজ করতে হবে।

সূত্র : বাংলাদেশ প্রতিদিন

‘নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটির লোন ফেরত দেয়নি, সেটা গেছে এক দলের নির্বাচনী তহবিলে’

অনলাইন ডেস্ক
‘নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটির লোন ফেরত দেয়নি, সেটা গেছে এক দলের নির্বাচনী তহবিলে’

ইসলামী ব্যাংক থেকে নাবিল গ্রুপ ৭০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে তা পরে আর ফেরত দেয়নি জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, নাবিল গ্রুপকে এলসির বিপরীতে ৭০০ কোটি টাকা লোন দেওয়া হয়েছে। পরে মালামাল বিক্রি করে ব্যাংকে টাকা ফেরত দেওয়া হয়নি। দুষ্টু লোকেরা বলে—সেটা কোনো এক দলের নির্বাচনী তহবিলে গেছে এবং তারা একটি টিভি চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেছে। সেই চ্যানেলটা কোন পক্ষে খেলছে, সেটা আমরা জানি। তার ব্যাংক দায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। লান্তাবুর গ্রুপকে হেড অফিসের অনুমোদন ছাড়া নির্বাচনের আগে ৪০ কোটি টাকা লোন দেওয়া হয়েছে, যার কোনো সদুত্তর নেই। এসব বিষয়েও তদন্ত হবে।

গতকাল মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় (বাজেট) অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সামাজিক দায়বদ্ধতা খাতের বা সিএসআর ফান্ডের অর্থ দিয়ে ঢাকা থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত বিমানের টিকিট কাটার মতো অনিয়ম সংগঠিত হয়েছে, যা সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে, এসবেরও তদন্ত হবে।

জামায়াতের নাম উল্লেখ না করে নির্বাচনে দলটির পক্ষে ইসলামী ব্যাংক থেকে অর্থায়ন করা হয়েছে, এমন ইঙ্গিত করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ইসলামী ব্যাংকে আরডিএস নামে একটি প্রকল্প আছে। এটি হচ্ছে ইসলামী ব্যাংকের একটি ফ্ল্যাগশিপ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মূল হচ্ছে পল্লী উন্নয়ন প্রকল্প নামে। 

তিনি বলেন, ‘ভোটের আগে ১০ হাজার টাকা করে অনেক নারীকে দেওয়া হয়েছে। লাইনে আমারে জিজ্ঞেস করছে এক কর্মী, মা আপনি কোথায় দিলেন? বলছে যে, বাবা কুরআনের দল, না দিলে তো জান্নাতে যাওয়া যাবে না। ১০ হাজার টাকাও দিয়েছে। বলেছে এটা মাফ হয়ে যাবে। আরো ১০ হাজার টাকা পাব। এভাবে বোনাস হিসাবে দাঁড়িপাল্লায় ভোট দিলে জান্নাত পাওয়ার নিশ্চয়তাও দিয়েছে।’ 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এই আরডিএস প্রকল্পের মাধ্যমে ২২ হাজার কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছে। আগে ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল। ৫ আগস্টের পর নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়ার জন্য আরও ১১ হাজার কোটি টাকা দেওয়া হয়েছে।

বেসরকারি চিকিৎসকদের শুরুর বেতন কাঠামো গঠনে কমিটি

অনলাইন ডেস্ক
বেসরকারি চিকিৎসকদের শুরুর বেতন কাঠামো গঠনে কমিটি

বেসরকারি হাসপাতাল, ক্লিনিক, মেডিকেল, ডেন্টাল কলেজসমূহের এন্ট্রি লেভেলে কর্মরত চিকিৎসকদের একটি যৌক্তিক, সমন্বিত ও সম্মানজনক বেতন কাঠামো তৈরির লক্ষ্যে কমিটি গঠন করেছে সরকার। 

কমিটিতে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে আহবায়ক এবং স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালকে (মানব সম্পদক ব্যবস্থাপনা) সদস্য সচিব করা হয়েছে। 

মঙ্গলবার (৯ জুন) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সঞ্জীব দাশ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে। 

কমিটিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব (বেসরকারি স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা), স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের যুগ্ম সচিব (চিকিৎসা শিক্ষা), স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক (চিকিৎসা শিক্ষা) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল)-কে সদস্য করা হয়েছে।

কমিটির কার্য পরিধিতে বলা হয়েছে বেসরকারি হাসপাতাল/ক্লিনিক/মেডিকেল/ডেন্টাল কলেজসমূহে এন্ট্রি-লেভেলে কর্মরত চিকিৎসকদের বিদ্যমান বেতন, ভাতা ও অন্যান্য আর্থিক সুবিধাসমূহ পর্যালোচনা এবং প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করা। সংশ্লিষ্ট অংশীজনের মতামত গ্রহণপূর্বক এন্ট্রি-লেভেলের চিকিৎসকদের জন্য একটি যৌক্তিক, সমন্বিত ও সম্মানজনক বেতন কাঠামোর খসড়া প্রণয়ন করা এবং প্রণীত বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন ২০ (বিশ) কার্যদিবসের মধ্যে সচিব, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগ বরাবর দাখিল করা।

কমিটি প্রয়োজনে সদস্য কো-অপ্ট করতে পারবে বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ওবায়দুল কাদেরের চিকিৎসায় আসছেন ভারতের হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ দেবী শেঠী | কালের কণ্ঠ