• ই-পেপার

গোলাম আযমের কফিনে জুতা

দেশের বাজারে সোনা-রুপার ভরি কত আজ

অনলাইন ডেস্ক
দেশের বাজারে সোনা-রুপার ভরি কত আজ

দেশের বাজারে ভালো মানের এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে প্রায় ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকায়। আর কম দামি বা সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনার মূল্য দেড় লাখ টাকার অধিক। ভালো মানের রুপার ভরি সাড়ে ৫ হাজার টাকার বেশি।

দেশে সোনা ও রুপার দাম নির্ধারণের দায়িত্ব পালন করা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) ২ জুন সকাল ১০টা থেকে এই দাম নির্ধারণ করে। আবার নতুন দাম ঠিক না হওয়া পর্যন্ত এই দামেই দেশে সোনা ও রুপা বিক্রি হবে।

বাজুস নির্ধারণ করা দর অনুযায়ী, বর্তমানে সবচেয়ে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৩৪ হাজার ৮৫৫ টাকায়। ২১ ক্যারেটের এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকায়।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯২ হাজার ১৬৪ টাকায়। আর সনাতন পদ্ধতির এক ভরি সোনা বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৫৬ হাজার ৪৭৩ টাকায়।

অন্যদিকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম রাখা হচ্ছে ৫ হাজার ৬৫৭ টাকা। এছাড়া ২১ ক্যারেটের রুপা প্রতি ভরি ৫ হাজার ৩৬৫ টাকা, ১৮ ক্যারেটের রুপা ৪ হাজার ৬০৭ টাকা ও সনাতন পদ্ধতির রুপা প্রতি ভরি ৩ হাজার ৪৪১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

অনলাইন ডেস্ক
দেশে ফিরলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে বাংলাদেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) দেশে ফিরলেন।

এর আগে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে ৯৯ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন ড. খলিলুর রহমান। অধিবেশনে জাতিসংঘের ১৯৩টি সদস্য রাষ্ট্র ভোট প্রদান করে।

আরো পড়ুন
তেজগাঁওয়ে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৫২

তেজগাঁওয়ে বিভিন্ন অপরাধে গ্রেপ্তার ৫২

 

গত তিন মাস ধরে এই গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পদে নির্বাচিত হওয়ার লক্ষ্যে ব্যাপক কূটনৈতিক প্রচারণা চালিয়ে আসছিল বাংলাদেশ। গত ২ জুন নিউইয়র্ক সময় সকাল ১০টায় জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় এই ভোটগ্রহণ। এই পদে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন সাইপ্রাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বিশেষ দূত আন্দ্রেয়াস এস কাকোরিস। তিনি পেয়েছেন ৯১ ভোট।

ড. খলিলুর এক বছরের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব পালন করবেন। জার্মানির সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী আনালেনা বেয়ারবকের স্থলাভিষিক্ত হলেন তিনি।

আরো পড়ুন
বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের

বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের

 

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতির আসনে দ্বিতীয়বারের মতো বসছেন বাংলাদেশের কোনো প্রতিনিধি। এর ৪০ বছর আগে ১৯৮৬ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনে সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন বাংলাদেশের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন রশিদ চৌধুরী।

বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত

অনলাইন ডেস্ক
বায়ুদূষণে শীর্ষে লাহোর, ঢাকার অবস্থান কত

জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন শহরে দিন দিন বাড়ছে বায়ুদূষণ। সেই ধাবারাহিকতায় ঢাকার বাতাসের মান আজ ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে। দূষিত শহরের তালিকায় ১১ নম্বরে অবস্থান করছে ঢাকা। বায়ুর মান সূচকে ঢাকার স্কোর ১০৭, যা ‘অস্বাস্থ্যকর’। তবে দূষিত বায়ুর শহরের তালিকায় আজ শীর্ষে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, স্কোর ১৭১ অর্থাৎ এখানকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’ পর্যায়ে রয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

আরো পড়ুন

ভারতে হাসপাতালে আগুন, ৪ রোগীর মৃত্যু

ভারতে হাসপাতালে আগুন, ৪ রোগীর মৃত্যু

 

সূচক অনুযায়ী, ১৬৩ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। তার পরের অবস্থানে রয়েছে ভারতের রাজধানী দিল্লি। যার বায়ুমান স্কোর ১৫৫। এ ছাড়া চতুর্থ অবস্থানে রয়েছে চিলির সান্তিয়াগো শহর, এর বায়ুর মান ১৩৯। অপরদিকে স্কোর ১৩২ নিয়ে তালিকায় পঞ্চম স্থানে রয়েছে ভিয়েতনামের হ্যানয়। 

আরো পড়ুন

আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্তিনেজ কবে দলে ফিরবেন জানালেন নিজেই

আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক মার্তিনেজ কবে দলে ফিরবেন জানালেন নিজেই

 

আইকিউএয়ারের স্কোর শূন্য থেকে ৫০ ভালো হিসেবে বিবেচিত। ৫১ থেকে ১০০ মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়, আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া ২০১ থেকে ৩০০-এর মধ্যে থাকা স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। ৩০১ থেকে ৪০০-এর মধ্যে থাকা স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।

বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের

অনলাইন ডেস্ক
বেতন বন্ধ জুলাই ফাউন্ডেশনের কর্মীদের
সংগৃহীত ছবি

অর্থসংকটে প্রায় স্থবির হয়ে পড়েছে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থিত জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম। দুই মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না প্রতিষ্ঠানটির ৩৮ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী। ফলে তাদের মধ্যে চাকরির নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। এশিয়া পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

জানা যায়, জুলাই ফাউন্ডেশনের প্রতি মাসে অফিস খরচ প্রায় ১৬ লাখ টাকা, যার মধ্যে বেতনই ১২ লাখ। সরকারি তহবিল থেকে সর্বশেষ গত মার্চে ফেব্রুয়ারির বেতন পেয়েছেন কর্মীরা। ঈদুল আজহা সামনে রেখে এপ্রিলের বেতন বাবদ ফাউন্ডেশনের সিইও কামাল আকবর ব্যক্তিগত তহবিল থেকে বিনা সুদে এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ অর্থ ধার দিয়েছেন। তবে মার্চ ও মে মাসের বেতন এখনো পাননি ফাউন্ডেশনের কর্মীরা।

গণমাধ্যমের তথ্য মতে, জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং আহত ও শহীদ পরিবারের পুনর্বাসন ও দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিতের লক্ষ্যে ২০২৪ সালে এই ফাউন্ডেশন গঠন করে সরকার। ওই বছরের ১২ সেপ্টেম্বর তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে ফাউন্ডেশনকে ১০০ কোটি টাকার প্রাথমিক অনুদান দেওয়া হয়। পরে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে ৫ কোটি এবং সাধারণ মানুষের অনুদানসহ মোট ১১৯ কোটি টাকার তহবিল গঠিত হয়।

প্রথম দফায় এক হাজারের বেশি আহত ও শহীদ পরিবারকে অনুদান দেওয়া হয়। গুরুতর আহতদের চোখ, হাত-পা ও স্নায়ুর জটিল অস্ত্রোপচার এবং থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার পেছনে বড় অঙ্কের টাকা খরচ হয়। পরবর্তী সময় বড় কোনো নতুন সরকারি বা প্রাতিষ্ঠানিক অনুদান না আসায় চলতি বছরের গোড়ার দিক থেকে তহবিলে টান পড়ে। বর্তমানে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট প্রায় শূন্যের কোটায়।

ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সামসি আরা জামান বলেন, ‘ফাউন্ডেশন বর্তমানে অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমাদের যারা কর্মচারী আছে, তাদের বেতন দিতে পারছি না।’

জুলাই ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও)কামাল আকবর বলেন, ‘এখানে যারা কাজ করছেন তাদেরও পরিবার আছে। তারা ঈদে বাড়ি যাবে; কিন্তু বেতন পায়নি। মানবিক দিক বিবেচনায় আমার পেনশন (সাবেক সেনা কর্মকর্তা হিসেবে পাওয়া) থেকে এক মাসের বেতনের সমপরিমাণ টাকা ধার হিসেবে দিয়েছি। তার পরও তাদের ঈদের বোনাস দিতে পারিনি।’

সরকারের অসহযোগিতার অভিযোগ

জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশন কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, বারবার সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা চাওয়া সত্ত্বেও ইতিবাচক সাড়া মেলেনি।

ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক সামসি আরা জামান বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে এমন কেউ বসে আছেন, যিনি ফাউন্ডেশনকে ভাঙতে চান। আমরা টাকার জন্য সব জায়গায় গিয়ে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসেছি। সরকারের কোনো আন্তরিকতা দেখতে পাইনি। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রীর কাছে গিয়েছি; কিন্তু তার আন্তরিকতা দেখিনি। আমাদের দেখা করার কথা বলে ১৮ মে সময় দিলেন না। ১৯ তারিখে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করলাম। কিন্তু তিনি বললেন, দেখা করতে পারবেন না, ঈদের পর দেখা করবেন। আমি একজন শহীদ-মাতা হিসেবে ওখানে দাঁড়িয়ে ছিলাম। তার দলীয় লোকজন ঢুকছিল; কিন্তু আমাদের সুযোগ দেওয়া হয়নি।’

পরে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের শরণাপন্ন হওয়ার কথা জানান সামসি আরা জামান।

সামসি আরা জামান বলেন, ‘এরপর আমরা ইশরাক সাহেবের কাছে গেলে তিনি অনেক সময় দিলেন। কিন্তু আন্তরিকভাবে বললেন যে, তহবিলের বিষয়টি তার হাতে নেই। আমরা স্পিকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছিলাম যাতে তিনি সংসদে আমাদের ফাউন্ডেশনের জন্য বরাদ্দের বিষয়টি উত্থাপন করেন। কিন্তু তিনি তা করেননি।’

প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে চিঠি

কামাল আকবর বলেন, ‘আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর সঙ্গে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছি। কিন্তু তিনি আমাদের শিডিউল দিয়েও দেখা করেননি। বসিয়ে রেখে পরে বললেন, ঈদের পর। বাধ্য হয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি দিয়েছি। এখন দেখি সেখান থেকে কী রেসপন্স আসে। এক অর্থবছরের বাজেট দিয়ে আমরা দুই অর্থবছর চালিয়েছি। আরো একটা অর্থবছর চলে এসেছে; কিন্তু আমাদের বাজেট দেওয়া হচ্ছে না।’

সামসি আরা জামান বলেন, ‘আমি মনে করি, জুলাই শহীদ ফাউন্ডেশনকে ভেঙে দেওয়া মানে জুলাই বিপ্লবকেই ভেঙে দেওয়া। আমরা যে সেবা দিচ্ছি, তা সরকারের অন্য কোনো জায়গা থেকে দেওয়া সম্ভব নয়। বেতন না পাওয়ায় অফিসের ভেতরেও অনেক ধরনের পলিটিক্স শুরু হয়েছে।’

গোলাম আযমের কফিনে জুতা | কালের কণ্ঠ