• ই-পেপার

মহাকাশে তৈরি হবে হৃদয়!

এআইয়ের চাহিদায় মেমোরি সংকট, বিপাকে ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান

অনলাইন ডেস্ক
এআইয়ের চাহিদায় মেমোরি সংকট, বিপাকে ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান
ছবি : এআই জেনারেটেড

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির দ্রুত বিস্তারের কারণে বিশ্বজুড়ে কম্পিউটার মেমোরি (ডিআরএএম) চিপের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এতে উৎপাদন খরচ বেড়ে যাওয়ায় বড় প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছে ছোট প্রযুক্তি কম্পানিগুলো।

শনিবার (২৭ জুন) সিএনবিসির এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক স্টার্টআপ মোনো টেকনোলজিস জানায়, তাদের রাউটার তৈরিতে ব্যবহৃত ৮ জিবি ডিআরএএম চিপের দাম ৩৫ ডলার থেকে বেড়ে ৩০০ ডলারে পৌঁছেছে। ফলে নতুন পণ্যের দাম বাড়ানো বা মেমোরি কমিয়ে আনার কথা ভাবছে প্রতিষ্ঠানটি।

বিশ্লেষকদের মতে, এআই চিপ তৈরিতে বিপুল পরিমাণ মেমোরি প্রয়োজন হওয়ায় এনভিডিয়া, মাইক্রন, স্যামসাং ও এসকে হাইনিক্স-এর মতো কোম্পানিগুলোর ওপর চাপ বেড়েছে। এতে সাধারণ ইলেকট্রনিক্স পণ্যের জন্য প্রয়োজনীয় মেমোরির সরবরাহ কমে গেছে।

সম্প্রতি অ্যাপল ও মাইক্রোসফটও মেমোরির দাম বাড়ার কারণে কিছু পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করেছে। অ্যাপল জানিয়েছে, এত দ্রুত হারে যন্ত্রাংশের দাম বাড়তে তারা আগে দেখেনি। অন্যদিকে মাইক্রোসফট এক্সবক্স সিরিজ এস-এর দাম ১০০ ডলার বাড়িয়েছে।

তবে বড় কম্পানিগুলো বাড়তি খরচ সামাল দিতে পারলেও ছোট প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরিস্থিতি অনেক কঠিন। বাজার বিশ্লেষকদের ভাষায়, এটি অনেক ছোট প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের জন্য অস্তিত্বের সংকট হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ বড় কম্পানিগুলো আগে মেমোরি সংগ্রহ করায় ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো চাহিদামতো চিপই পাচ্ছে না।

এদিকে মেমোরি নির্মাতা মাইক্রন এই সংকট থেকে বড় সুবিধা পাচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটির আয় ও মুনাফা কয়েক গুণ বেড়েছে। কোম্পানিটি জানিয়েছে, তারা বড় গ্রাহকদের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি সরবরাহ চুক্তি করছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এআইয়ের চাহিদা বাড়তে থাকলে আগামী কয়েক বছর মেমোরির দাম আরো বেশি থাকতে পারে। এতে স্মার্টফোন, ল্যাপটপ, গেমিং কনসোলসহ বিভিন্ন প্রযুক্তিপণ্যের দাম আরো বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে আরো কঠোর অস্ট্রেলিয়া

অনলাইন ডেস্ক
শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার ঠেকাতে আরো কঠোর অস্ট্রেলিয়া
ছবি : রয়টার্স

শিশুদের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে রাখতে আরো কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া সরকার। ১৬ বছরের কম বয়সীদের জন্য চালু করা নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে ব্যর্থ হলে প্রযুক্তি কম্পানিগুলোকে সর্বোচ্চ ৯৯ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার  (আনুমানিক ৮৪০ কোটি ৬০ লাখ টাকা) জরিমানা করা হবে। আগে এই জরিমানার সর্বোচ্চ সীমা ছিল ৪৯ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার ৪৯.৫ মিলিয়ন ডলার (প্রায়  ৪২০ কোটি ৮০ লাখ টাকা)।

শনিবার (২৭ জুন) রয়টার্সের এক প্রতিবেদন এ তথ্য দেয়।
সরকার জানিয়েছে, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, ইউটিউব, স্ন্যাপচ্যাট ও টিকটকের মতো প্ল্যাটফর্মকে প্রমাণ দিতে হবে তারা কীভাবে কম বয়সীদের অ্যাকাউন্ট খোলা ঠেকাচ্ছে। এ জন্য দেশটির অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ন্ত্রক সংস্থা ই-সেফটি কমিশনারকে আরো বেশি ক্ষমতা দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেন, শিশুদের নিরাপত্তার জন্য এই আইন করা হয়েছে। কিন্তু এখনও অনেক শিশু সহজেই সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। তার অভিযোগ, বড় প্রযুক্তি কম্পানিগুলো আইন বাস্তবায়নে যথেষ্ট দায়িত্বশীল নয়।

সরকারের দাবি, আইন চালুর পর এখন পর্যন্ত ৫০ লাখের বেশি অপ্রাপ্তবয়স্ক অ্যাকাউন্ট বন্ধ বা সীমিত করা হয়েছে। তবে সাম্প্রতিক এক গবেষণায় দেখা গেছে, ১২ থেকে ১৫ বছর বয়সী ৮৫ শতাংশ কিশোর-কিশোরী এখনও বিভিন্ন কৌশলে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করছে। অনেকেই বয়স বেশি দেখিয়ে বা সেলফির মাধ্যমে বয়স যাচাই পেরিয়ে যাচ্ছে। 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম রেডিট এই আইনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, আইনটি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। তবে অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, তারা আদালতে এই আইনের পক্ষে অবস্থান নেবে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য ও অনলাইন নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে শুধু আইন করাই যথেষ্ট নয়। প্রযুক্তি কম্পানিগুলোকেও আরো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিশ্বকাপ ঘিরে সাইবার প্রতারণা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি

অনলাইন ডেস্ক
বিশ্বকাপ ঘিরে সাইবার প্রতারণা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি
ছবি: এআই জেনারেটেড

২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে সাইবার অপরাধীদের তৎপরতা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। এ সুযোগে বিশ্বকাপপ্রেমীদের টার্গেট করে বিভিন্ন ধরনের অনলাইন প্রতারণা চালানো হচ্ছে। সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি জানিয়েছে, টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকে অন্তত ৩৩৬টি ভুয়া ওয়েবসাইট শনাক্ত করা হয়েছে, যেগুলো দেখতে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল প্ল্যাটফর্মের মতো।

ক্যাসপারস্কির তথ্য অনুযায়ী, প্রতারকরা ফ্রি লাইভ স্ট্রিমিংয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ব্যবহারকারীদের ভুয়া ওয়েবসাইটে প্রবেশ করাচ্ছে। কোথাও নিবন্ধনের নামে ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে, আবার কোথাও ক্রিপ্টোকারেন্সিতে অর্থ পরিশোধের শর্ত দেওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে এসব সাইটের মাধ্যমে ম্যালওয়্যারও ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা ব্যবহারকারীর ডিভাইস ও ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি করছে।

এ ছাড়া ভুয়া বেটিং ও জুয়ার ওয়েবসাইট, ম্যাচ পূর্বাভাস সেবা, নকল টিকিট বিক্রি এবং ফেক মার্চেন্ডাইজের ফাঁদও তৈরি করা হয়েছে। এসব প্ল্যাটফর্মে নাম, ই-মেইল, ফোন নম্বর ও অ্যাকাউন্টের লগইন তথ্য সংগ্রহ করে পরে প্রতারণা বা অ্যাকাউন্ট হ্যাকিংয়ের চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের লক্ষ্য করে ফিশিং ই-মেইল পাঠিয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে।

এ পরিস্থিতিতে ক্যাসপারস্কি ব্যবহারকারীদের শুধু অফিসিয়াল ওয়েবসাইট, অ্যাপ এবং অনুমোদিত স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে। পাশাপাশি যেকোনো লিংকে প্রবেশের আগে ওয়েবসাইটের ঠিকানা যাচাই করা, সন্দেহজনক ই-মেইল বা অফার এড়িয়ে চলা এবং নির্ভরযোগ্য অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

অন্যদিকে বিশ্বকাপ উপলক্ষে গ্রাহকদের জন্য বিশেষ অফার চালু করেছে বাংলালিংক। অফারের আওতায় বাংলাদেশের খেলার সময় দলের প্রতি গোলে ১ জিবি বোনাস ডেটা দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া টফি অ্যাপে বিশ্বকাপের লাইভ স্ট্রিমিং, বিশেষ ডেটা প্যাক এবং বিভিন্ন রিওয়ার্ড সুবিধাও পাওয়া যাচ্ছে।

তবে বাংলালিংকও গ্রাহকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বোনাস বা অন্যান্য অফার গ্রহণের ক্ষেত্রে শুধু অফিসিয়াল মাই বিএল অ্যাপ, টফি অ্যাপ বা বাংলালিংকের অনুমোদিত চ্যানেল ব্যবহার করা উচিত। কোনো থার্ড-পার্টি লিংক বা অচেনা ওয়েবসাইটে ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সূত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার 

অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা বিটিআরসির

অনলাইন ডেস্ক
অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারে সতর্কবার্তা বিটিআরসির
সংগৃহীত ছবি

অবৈধ ওয়াকি-টকি ব্যবহারের বিষয়ে সতর্কবার্তা দিয়েছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি)। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এ সতর্কবার্তা দেয়। এতে বলা হয়, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ টেলিযোগাযোগ যন্ত্রপাতি ও স্থাপনার বিরুদ্ধে বিটিআরসি এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে যৌথ অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অভিযানকালে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে লাইসেন্সবিহীন অবস্থায় ব্যবহৃত ওয়াকি-টকি জব্দ করে স্থানীয় থানায় মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১ (সংশোধনী-২০২৬) অনুযায়ী, যেকোনো ধরনের ওয়াকি-টকি বা বেতার যোগাযোগ যন্ত্র ব্যবহার, সংরক্ষণ, আমদানি, বিপণন বা পরিচালনার জন্য বিটিআরসি থেকে তরঙ্গ বরাদ্দ এবং বেতার যন্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করা বাধ্যতামূলক। লাইসেন্স ব্যতীত এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ।

এমতাবস্থায়, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, নিরাপত্তা সেবা প্রদানকারী সংস্থা, হোটেল, রেস্তোরাঁ, শপিং মলসহ সকল ব্যক্তি ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের কর্তৃপক্ষকে বিশেষ সতর্ক করা যাচ্ছে যে, বিটিআরসির যথাযথ অনুমোদন ও লাইসেন্স ব্যতীত কোনো ধরনের বেতার যন্ত্র বা ওয়াকি-টকি ব্যবহার করা যাবে না। অবৈধ ও লাইসেন্সবিহীন বেতার যন্ত্রের বিরুদ্ধে বিটিআরসির অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইন অমান্য করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনস্বার্থে এবং সুষ্ঠু বেতার যোগাযোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সকলকে যথাযথ আইন ও বিধি-বিধান মেনে চলার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ করা হলো।

মহাকাশে তৈরি হবে হৃদয়! | কালের কণ্ঠ