kalerkantho

শুক্রবার ।  ২৭ মে ২০২২ । ১৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ২৫ শাওয়াল ১৪৪

বিজ্ঞান

ষষ্ঠ শ্রেণি : অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন

মো. মিকাইল ইসলাম নিয়ন, সহকারী শিক্ষক, ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়, চুয়াডাঙ্গা সদর চুয়াডাঙ্গা

২৫ জানুয়ারি, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ৪ মিনিটে



ষষ্ঠ শ্রেণি : অধ্যায়ভিত্তিক প্রশ্ন

অঙ্কন : শেখ মানিক

অষ্টম অধ্যায়

মিশ্রণ

জ্ঞানমূলক প্রশ্ন

১।   মিশ্রণ কী?

     উত্তর : বিভিন্ন পদার্থের সংমিশ্রণে যা পাওয়া যায় তাই মিশ্রণ।

২।   সমসত্ত্ব মিশ্রণ কাকে বলে?

     উত্তর : যেসব মিশ্রণের উপাদানগুলো সুষমভাবে বণ্টিত থাকে এবং একটিকে অন্যটি থেকে সহজে আলাদা করা যায় না তাদের সমসত্ত্ব মিশ্রণ বলে।

বিজ্ঞাপন

৩।   অসমসত্ত্ব মিশ্রণ কী?

     উত্তর : যেসব মিশ্রণে উপাদানগুলো সুষমভাবে বণ্টিত থাকে না এবং একটি উপাদান থেকে আরেকটি সহজে আলাদা করা যায় তাকে অসমসত্ত্ব মিশ্রণ বলে।

৪।   ফলের রস কোন প্রকারের মিশ্রণ?

     উত্তর : ফলের রস সমসত্ত্ব মিশ্রণ।

৫।   দ্রাবক কাকে বলে?

     উত্তর : দ্রবণে সাধারণত যে উপাদান বেশি পরিমাণে থাকে তাকে দ্রাবক বলে।

৬।   দ্রব কী?

     উত্তর : দ্রবণ তৈরি করার সময় যে পদার্থটি দ্রাবকে দ্রবীভূত হয় তাকে দ্রব বলে।

৭।   সম্পৃক্ত দ্রবণ কাকে বলে?

     উত্তর : নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় একটি নির্দিষ্ট পরিমাপের দ্রাবক সর্বোচ্চ যে পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত করতে পারে, সেই পরিমাণ দ্রব দ্রবীভূত থাকলে প্রাপ্ত দ্রবণকে সম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।

৮।   অসম্পৃক্ত দ্রবণ কাকে বলে?

     উত্তর : কোনো দ্রবণে একটি দ্রবের দ্রবণীয়তা অপেক্ষা কম দ্রব দ্রবীভূত থাকলে যে দ্রবণ উৎপন্ন হয়, তাকে অসম্পৃক্ত দ্রবণ বলে।

৯।   দ্রবণীয়তা বলতে কী বুঝায়?

     উত্তর : কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় ১০০ গ্রাম দ্রাবক নিয়ে কোনো দ্রবের সম্পৃক্ত দ্রবণ তৈরি করতে যতটুকু দ্রবের প্রয়োজন হয় তাকে ঐ দ্রাবকে দ্রবের দ্রবণীয়তা বলে।

১০। নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের মিশ্রণ কী ধরনের দ্রবণ?

     উত্তর : নাইট্রোজেন ও অক্সিজেনের মিশ্রণ গ্যাসীয় দ্রবণ।

১১। পাতলা দ্রবণ কাকে বলে?

     উত্তর : যে দ্রবণে অপেক্ষাকৃত দ্রবের পরিমাণ কম বা দ্রাবকের পরিমাণ বেশি থাকে তাকে পাতলা দ্রবণ বলে।

১২। জলীয় দ্রবণ কী?

     উত্তর : যেসব দ্রবণে দ্রাবক হিসেবে পানি থাকে সেসব দ্রবণকে জলীয় দ্রবণ বলে।

১৩।   পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কোন ধরনের দ্রবণ?

     উত্তর : পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন তরল-গ্যাস দ্রবণ।

১৪। ঘন দ্রবণ কাকে বলে?

     উত্তর : যে দ্রবণে দ্রবের পরিমাণ বেশি কিংবা দ্রাবকের পরিমাণ কম থাকে, সে দ্রবণকে ঘন দ্রবণ বলে।

১৫। তরল-তরল দ্রবণ কাকে বলে?

     উত্তর : যে দ্রবণের দ্রব ও দ্রাবক উভয়ই তরল, সে দ্রবণকে তরল-তরল দ্রবণ বলে।

১৬। দ্রবণ ও মিশ্রণের মূল পার্থক্য কী?

     উত্তর : দ্রবণ ও মিশ্রণের মূল পার্থক্য হলো—মিশ্রণ সমসত্ত্ব ও অসমসত্ত্ব উভয়ই হতে পারে, কিন্তু দ্রবণ শুধু সমসত্ত্ব ধরনের হয়।

১৭। তরল-গ্যাস দ্রবণ কী?

     উত্তর : যেসব দ্রবণে তরল দ্রাবকে গ্যাসীয় পদার্থ দ্রব হিসেবে দ্রবীভূত থাকে তাকে তরল-গ্যাস দ্রবণ বলে।

১৮।   অ্যাসিটিক এসিড ও পানির মিশ্রণ কোন ধরনের দ্রবণ?

     উত্তর : অ্যাসিটিক এসিড ও পানির মিশ্রণ তরল-তরল দ্রবণ।

১৯। কলয়েড কী?

     উত্তর : যে ধরনের মিশ্রণে অতিক্ষুদ্র বস্তুকণা অপর বস্তুকণার মাঝে ভাসমান অবস্থায় থাকে এবং একে রেখে দিলে কখনোই কোনো তলানি পড়ে না তাকে কলয়েড বলে।

২০।   দুধ কী জাতীয় পদার্থ?

     উত্তর : দুধ কলয়েড জাতীয় পদার্থ।

২১। সাসপেনশন কী?

     উত্তর : সাসপেনশন হলো এমন একটি মিশ্রণ, যা রেখে দিলে উপাদানগুলো আংশিকভাবে আলাদা হয়ে যায়।

২২।   পরিস্রাবণ কী?

     উত্তর : ভাসমান কঠিন অদ্রবণীয় পদার্থকে তরল পদার্থ থেকে ছেঁকে পৃথক করার পদ্ধতিই হলো পরিস্রাবণ।

২৩।   লবণাক্ত পানি থেকে বিশুদ্ধ পানি প্রস্তুত করার পদ্ধতি কোনটি?

     উত্তর : লবণাক্ত পানি থেকে বিশুদ্ধ পানি প্রস্তুত করার নাম পাতন পদ্ধতি।



সাতদিনের সেরা