kalerkantho

শুক্রবার । ১৫ নভেম্বর ২০১৯। ৩০ কার্তিক ১৪২৬। ১৭ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

জানা-অজানা

অগ্ন্যাশয়

[সপ্তম শ্রেণির বিজ্ঞান বইয়ের পঞ্চম অধ্যায়ে অগ্ন্যাশয়ের কথা উল্লেখ আছে]

আব্দুর রাজ্জাক    

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



অগ্ন্যাশয়

মানবদেহের খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ অগ্ন্যাশয়। পেটের ভেতর পাকস্থলীর পেছনে ডিওডেনামের পাশে এর অবস্থান। এটি একটি মিশ্র গ্রন্থি। অর্থাৎ এর বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা উভয় প্রকার গ্রন্থির গুণাবলি বিদমান। ডিওডেনামের সঙ্গে লাগানো অংশকে মাথা বলে। এরপর দেহ ও সবশেষে লেজ। রং গোলাপি-ধূসর বর্ণের এবং দেখতে অনেকটা মরিচের মতো। লম্বা ১৫ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার এবং চওড়া ৫ সেন্টিমিটার। ওজন প্রায় ৮০ গ্রাম। এটি একাধারে পরিপাকে অংশগ্রহণকারী এনজাইম ও রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নিঃসৃত করে। অর্থাৎ অগ্ন্যাশয় বহিঃক্ষরা ও অন্তঃক্ষরা গ্রন্থির মতো কাজ করে। অগ্ন্যাশয় রস অগ্ন্যাশয় নালির মাধ্যমে যকৃৎ-অগ্ন্যাশয়নালি দিয়ে ডিওডেনামে প্রবেশ করে। অগ্ন্যাশয় রসে ট্রিপসিন, লাইপেজ ও অ্যামাইলেজ নামক উৎসেচক থাকে। এসব এনজাইম শর্করা, আমিষ ও স্নেহজাতীয় খাদ্যের পরিপাকে সহায়তা করে। এ ছাড়া অম্ল-ক্ষারের সাম্যতা, পানির সাম্যতা, দেহতাপ প্রভৃতি নিয়ন্ত্রণ করে। অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি হিসেবে অগ্ন্যাশয়ের একটি অংশ অতি প্রয়োজনীয় কিছু হরমোন, যেমন—গ্লুকাগন ও ইনসুলিন নিঃসরণ করে। গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ ও অন্যান্য শারীরবৃত্তীয় কাজে এ হরমোন দুটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা