<p style="text-align: justify;">সড়কের মাঝে বিদ্যুতের তিন খুঁটি। খুঁটির মাথায় ৩৩ হাজার ভোল্টের লাইন। গ্রামের সড়কটির মাঝে এসব খুঁটি রেখেই চলছে সংস্কারের কাজ। এরইমধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কিন্তু সরানো হয়নি খুঁটিগুলো। </p> <p style="text-align: justify;">ঘটনাটি বগুড়ার ধুনটের। উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের চক ডাকাতিয়া গ্রামের সড়কে চলছে এ সংস্কার কাজ। </p> <p style="text-align: justify;">সোমবার (১১ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, উপজেলার গোপালনগর ইউনিয়নের চক ডাকাতিয়া গ্রামে বিদ্যুতের তিনটি খুঁটি রয়েছে সড়কের মাঝে। সম্প্রতি সড়কের ওই অংশে কার্পেটিং করা হয়েছে। এর পরও খুঁটিগুলো সড়কের ভেতরই থেকে গেছে। এসব খুঁটিতে ৩৩ হাজার ভোল্টের লাইনসহ বিভিন্ন বাসা-বাড়ির সংযোগ রয়েছে। উন্নয়নের নামে পাকা সড়ক নির্মাণ করা হলেও সেই উন্নয়নই এখন জনদুর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।</p> <p style="text-align: justify;">সড়ক ও জনপথ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ সদরের হরিপুর থেকে  কাজিপুর উপজেলার পাইকপাড়া-ঢকঢগিয়া পর্যন্ত ২১ কিলোমিটার সড়ক। এই সড়কের প্রায় ১৪ কিলোমিটার অংশ ধুনট উপজেলার ভেতর। ২০১৯-২০ অর্থ বছরে সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) থেকে ২১ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্ত সড়কটি পাকা করার জন্য ১২০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। কাজটি তদারকির দায়িত্বে রয়েছে সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগ। এরইমধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশ কাজ শেষ করা হয়েছে।    </p> <p style="text-align: justify;">স্থানীয়রা জানায়, সড়কের মাঝখানে বিদ্যুতের খুঁটি থাকার কারণে চলাচল করতে গিয়ে নতুন করে দুর্ভোগ পোহাতে হবে পথচারীদের। খুঁটির কারণে সড়কটি সরু হয়ে পড়ায় দুর্ঘটনারও আশঙ্কা করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে খুঁটিগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর। </p> <p style="text-align: justify;">ব্যবসায়ী হোসেন আলী বলেন, সড়কের মাঝে বিদ্যুতের তিনটি খুঁটি রেখেই  ঢালাই দেওয়া হয়েছে। এতে দুর্ভোগ আরো বাড়বে। তিনি বলেন, ‘১৮ ফুটের সড়ক করে তো লাভ হলো না। এ ছাড়া যে কোনো মুহূর্তে এটি বড় ধরনের দুর্ঘটনার কারণও হতে পারে। সড়ক উন্নয়নই যেন হয়ে উঠেছে নতুন বিপদের কারণ।’ সড়ক থেকে দ্রুত খুঁটি অপসারণের দাবি জানান তিনি।</p> <p style="text-align: justify;">বগুড়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ধুনট জোনাল অফিসের ডিজিএম কামাল পাশা বলেন, সড়কের মাঝে থাকা বিদ্যুতের খুঁটি স্থানান্তরের জন্য অর্থ বরাদ্দ চেয়ে সড়ক ও জনপথ বিভাগের কাছে প্রাক্কলন তৈরি করে পাঠানো হয়েছে। অর্থ বরাদ্দ পাওয়া গেলে খুঁটিগুলো সরানো হবে।    </p> <p style="text-align: justify;">সিরাজগঞ্জ সড়ক ও জনপথ বিভাগের (সওজ) নির্বাহী প্রকৌশলী ইমরান ফারহান সুমেল বলেন, সড়ক থেকে বৈদ্যুতিক খুঁটি অপসারণের জন্য অনুমোদন পেয়েছি। পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কাছে আমার খরচের টাকা পাঠিয়ে দেব। দ্রুত সরানো হবে। </p>