<p style="text-align: justify;">কুড়িগ্রামে কালবৈশাখী ঝড়ের তাণ্ডবে গাছপালা, ঘরবাড়ি ও বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) গভীর রাতে ঝড়ের তাণ্ড‌বে কাঁঠালবা‌ড়ি ও হ‌লোখানা ইউনিয়‌নের অর্ধ শতা‌ধিক ঘরবা‌ড়ির ক্ষয়ক্ষ‌তি হয়। বিশেষ করে চরাঞ্চলের অনেক কাঁচা ঘরবাড়ি ভেঙে পড়ায় দুর্ভোগে পড়েছেন নিম্নআয়ের মানুষ।</p> <p style="text-align: justify;">জানা গে‌ছে, কয়েকদিন ধরে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন ও থেমে থেমে বৃষ্টির পর মঙ্গলবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে হঠাৎ করে প্রচণ্ড দমকা হাওয়া ও ঝড় শুরু হয়। এতে বড় বড় গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেক স্থানে ঘরের টিনের চাল উড়ে যায়।</p> <p style="text-align: justify;">সদর উপজেলার কাঁঠালবাড়ী ইউনিয়নের শিবরাম রাঙ্গাতিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা খোকন আলী বলেন, ‘গতরাতের ঝড়ে গাছ ভেঙে ঘরের টিনের চালের ওপর পড়েছে। আমি গরিব মানুষ, কী দিয়ে চাল ঠিক করব বুঝতে পারছি না।’</p> <p style="text-align: justify;">হলখানা ইউনিয়নের চর সারোডোব এলাকার ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘হঠাৎ ঝড়ে আমার তিনটি ঘরের টিনের চাল উড়ে গেছে। হাতে কোনো টাকা নেই, পরিবার নিয়ে এখন কীভাবে থাকব তা বুঝতে পারছি না।’</p> <p style="text-align: justify;">রাজারহাট কৃষি আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সুবল চন্দ্র সরকার জানান, মৌসুমি প্রভাবে কালবৈশাখী ঝড়সহ মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।’</p> <p style="text-align: justify;">কু‌ড়িগ্রাম জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা বেনজীর রহমান জানান, বেশি ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলা হিসেবে চিলমারী, রৌমারী ও রাজিবপুরে আগাম বরাদ্দ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। অন্য উপজেলাগুলোর ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত শেষে ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে সরকারি সহায়তা দেওয়া হবে।</p>