kalerkantho


সাদাকালো

দূষিত সমাজ সুস্থ হলেই অসুস্থ তৎপরতা বন্ধ হতে পারে

আহমদ রফিক

৮ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



দূষিত সমাজ সুস্থ হলেই অসুস্থ তৎপরতা বন্ধ হতে পারে

অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল, লেখক জাফর ইকবাল তাঁর শিক্ষা ও সমাজ ভাবনা নিয়ে তিনি বাংলাদেশে সর্বাধিক জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব। তাঁর লেখায় বা বক্তৃতা-বিবৃতিতে উগ্রতার প্রকাশ নেই। আছে তথ্যনির্ভর, যুক্তিনির্ভর প্রকাশ। তাঁর ওপর হঠাৎ আক্রমণ, তাঁকে খুন করার চেষ্টা, সন্দেহ নেই বিস্ময়কর, অভাবিতও বটে। তবে এর পেছনে কারণও রয়েছে।

গত রাতে (৩-৩-২০১৮) কবি-কথাসাহিত্যিক জামিল আখতার বীনু ফোনে আমাকে জাফর ইকবালের ওপর হামলা ও পরবর্তী ঘটনার বিবরণ জানিয়ে বলেন, ‘আবার এসব কী শুরু হলো? মানুষকে কি তার নিজস্ব চিন্তা-ভাবনা নিয়ে স্বস্তিতে, নিরাপদে থাকতে পারবে না? একজন স্বনামখ্যাত শিক্ষকের ওপর এই আক্রমণ, তাও একজন মাদরাসাছাত্রের ছুরিকাঘাতে, ভাবতে পারছি না।’

ভাবতে না পারার কারণ আপাতদৃষ্টে ঘটনার যতটুকু জানা গেছে, তাতে অন্তত এটুকু লক্ষ করার বিষয় যে ঘটনাটি ব্যক্তিগত হিংসা-প্রতিহিংসার নয়। অধ্যাপক জাফর ইকবাল সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আর হামলাকারী তরুণ একজন মাদরাসাছাত্র—দুয়ের মধ্যে তাত্ক্ষণিক হিংসাত্মক সম্পর্কের সুযোগ আছে বলে মনে হয় না।

কিন্তু কোনো না কোনো সম্পর্ক তো থাকবেই, তা না হলে একজন মাদরাসাছাত্র কেন বিজ্ঞান-প্রযুক্তির (ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিকস বিভাগের) একজন খ্যাতিমান শিক্ষককে হত্যার উদ্দেশ্য নিয়ে আঘাত করবে? কী তার উদ্দেশ্য? মূল কারণ, সঠিক কারণ অবশ্য পরে উদ্ঘাটিত হবে। আপাতত কারণ নির্ধারণের বিষয়টি অনুমানভিত্তিক, আনুষঙ্গিক ঘটনাভিত্তিক।

এরই মধ্যে গুরুতররূপে আহত অধ্যাপককে স্থানীয় ওসমানী হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদানের পর উন্নতমানের চিকিৎসার জন্য হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় এনে সামরিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁর চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকের মতে, তিনি সংকটমুক্ত, অর্থাৎ তাঁর প্রাণরক্ষা নিয়ে এ মুহূর্তে সংশয়ের কারণ নেই।

দুই.

এবার ঘটনার দিকে ফিরে তাকানো যাক। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে শিক্ষাবিষয়ক অনুষ্ঠান চলছিল। চারদিকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সমারোহ। সে মুহূর্তে দর্শক সারিতে বসে আছেন অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এমন এক জনবহুল পরিবেশে ঘাতক নির্বিকারচিত্তে তাঁকে আঘাত করতে এগিয়ে এসেছে পেছন দিক থেকে। আঘাতও দেহের পশ্চাদ্ দিকে, বিশেষভাবে মাথা লক্ষ্য করে, হত্যা নিশ্চিত করতে।

ঘটনার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, জনারণ্যে হত্যার দুঃসাহস। ধরা পড়ার ভয় নেই, ছাত্রদের গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার ভয় নেই। নিঃশঙ্ক ঘাতক তার লক্ষ্য অর্জনে বেপরোয়া। ঠিক যেমনটি ঘটেছিল ঢাকায় একুশের বইমেলার জনারণ্যে এবং পুলিশের সামনে চাপাতির ঘায়ে অভিজিৎ হত্যাকাণ্ডে। তবে পার্থক্য হলো, এ ক্ষেত্রে আততায়ী দুজনের একজন দ্রুত মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যেতে পারলেও অন্যজন ধরা পড়েছে এবং ঠিকই ছাত্রদের পিটুনির শিকার হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে হয়তো অন্যজনের পরিচয় জানা যাবে।

জানা যেতে পারে জাফর ইকবালের ওপর আক্রমণের উদ্দেশ্য এবং কারা, কোন গোষ্ঠী এই আক্রমণের পেছনে সক্রিয়। এখন তাত্ক্ষণিক বিবেচনায় সবারই ধারণা, এটা কোনো উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদী সংগঠনের কাজ। যে কথা আগে বলা হয়েছে, সে বিবেচনায় এর আগেকার মুক্তমনা, মুক্তচিন্তার ব্লগারদের হত্যার মতো গুরুতর ও তাৎপর্যপূর্ণ কারণ এ ক্ষেত্রে ততটা শক্তিশালী নয়।

তাহলে কেন তাঁকে হত্যার চেষ্টা? কারণ খুব একটা দুর্বোধ্য নয়। এর আগে মুক্তচিন্তা ও ধর্মনিরপেক্ষ বিশ্বাসের জন্য যাঁদের হতাহত করা হলো তাঁদের মতো কট্টর চিন্তক না হলেও মুহম্মদ জাফর ইকবালের লেখালেখিতে অসাম্প্রদায়িকতা, গণতান্ত্রিক জাতীয়তাবাদের চেতনার বহিঃপ্রকাশ ছিল খুবই স্পষ্ট ও স্বচ্ছ। যুক্তিনির্ভর বলেই তা ঘোলাটে ছিল না। এ ধরনের লেখা আরো কারো কারো কলমে দেখা গেছে।

তাহলে দীর্ঘ সময় পর বেছে বেছে কেন জাফর ইকবালের ওপর বৈনাশিক হামলা? এর অন্তত একটি সহজবোধ্য কারণ কলাম লেখক হিসেবে তাঁর বিপুল জনপ্রিয়তা, সেই সূত্রে পাঠক সমাজে তাঁর চিন্তা-ভাবনার প্রভাব। এটা তো মোটেই মৌলবাদী রক্ষণশীলতার আকাঙ্ক্ষিত হতে পারে না। তা ছাড়া অন্য কারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে তাঁর জনপ্রিয়তা। তরুণ ও যুবসমাজ তাঁর মতাদর্শে প্রভাবিত হোক, তা কিছুতেই চাইবে না ধর্মীয় মৌলবাদী গোষ্ঠী।

হয়তো তাই তাদের উচ্চপর্যায়ে সিদ্ধান্ত : সরিয়ে দাও তাঁকে সমাজ থেকে, পৃথিবী থেকে। এ পর্যন্ত এ সবকিছুই আমাদের অনুমান, তবে একেবারে অবাস্তব কিছু নয়। আমাদের ধারণা ও সম্ভাবনা-বিচারের পক্ষে সংবাদপত্রের দু-একটি শিরোনাম উল্লেখ করা যেতে পারে। আজ (রবিবার, মার্চের ৪ তারিখ) একটি পত্রিকায় সংবাদ শিরোনাম : মুহম্মদ জাফর ইকবাল সম্পর্কে চার কলামের এ শিরোনামটি হলো তিনি ‘দীর্ঘদিন ধরেই জঙ্গি হুমকিতে ছিলেন।’

এ সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য হলো : ‘ভিন্নমতাদর্শীদের কুপিয়ে হত্যায় বিশ্বাসী জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের (আগেকার এবিটি) হুমকিতে ছিলেন মুহম্মদ জাফর ইকবাল’। আর  এ সংগঠনটির হিটলিস্টে  (হত্যা তালিকায়) এবং অনলাইনে হুমকির বার্তায় ২০১৬ সালের ৩০ এপ্রিল থেকে তাঁকে (জাফর ইকবালকে) নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ। এমনই যদি ঘটনা, তখন আমাদের প্রশ্ন : ড. জাফর ইকবালের ওপর এ হামলার সময় পুলিশ কোথায় ছিল, কী করছিল?

এ প্রশ্নের বাস্তব ঘটনাভিত্তিক জবাব আমাদের জানা নেই। তবে হামলার যে বিবরণ দৈনিক পত্রিকাগুলোতে প্রকাশ পেয়েছে, তাতে মনে হয় হামলার সময় নিরাপত্তা প্রহরার দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ অধ্যাপক জাফর ইকবালের আশপাশে ছিল না। থাকলে ঘাতক আঘাতের সুযোগ পেত না, হয়তো বা সাহসও পেত না। এ সম্পর্কে অধ্যাপক মুনতাসীর মামুনের মন্তব্য যথার্থ যে নিরাপত্তা জোরদার করা উচিত ছিল।

তিন.

বাংলাদেশে মুক্তচিন্তার ধারক শিক্ষক, সাংবাদিক, ব্লগার বা একাধিক পেশার কিছুসংখ্যকের বর্বর হত্যাকাণ্ডের পরিপ্রেক্ষিতে সমাজের একাধিক হুমকিপ্রাপ্ত বিশিষ্টজনের নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ২০১৩ সালে ব্লগার রাজীব হায়দার হত্যার পর থেকে ক্রমান্বয়ে একাধিক মুক্তমনা, সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিকে হত্যা করা হয়। যেমন—২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি টিএসসি এলাকায় জনারণ্যে ব্লগার অভিজিৎ রায়কে কুপিয়ে হত্যা করা হয়, তাঁর স্ত্রী গুরুতর আহত হন, অদূরে পুলিশ। তবু হত্যাকারীরা এত মানুষের মধ্যেই নির্বিবাদে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

এ ঘটনায় সাংস্কৃতিক পরিমণ্ডলে যথেষ্ট আলোড়ন সৃষ্টি এবং বিচারের দাবিতে প্রবল প্রতিবাদ উত্থাপিত হওয়া সত্ত্বেও পুলিশ হত্যাকারীদের টিকির নাগালটিও পায়নি, বিচার তো দূরের কথা। নিহত অভিজিতের হত্যাকাণ্ডের বিচার চেয়ে তাঁর বাবা অধ্যাপক অজয় রায়ের কাতর আহ্বান পত্রিকায় পড়েছি। বৃথা গেছে সে আহ্বান। একই ঘটনা নিহত দীপনের বাবার ক্ষেত্রেও।

নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যর্থতা ও বিচারহীনতার কারণেই কি না জানি না, সে বছর একের পর এক ব্লগার হত্যা। পুলিশ নিরুপায় দর্শকের ভূমিকায়। অভিজিৎ হত্যার এক মাস চার দিনের মাথায় বেগুনবাড়ীতে ব্লগার ওয়াশিকুর রহমান বাবু হত্যা, একই বছরের ১২ মে সিলেটে ব্লগার অনন্ত বিজয় দাসকে একইভাবে কুপিয়ে হত্যা। এরপর ৭ আগস্ট একই পদ্ধতিতে নীলাদ্রি চট্টোপাধ্যায়কে হত্যা করা হয় ঢাকার গোড়ানে। আর বহু আলোচিত দীপন  হত্যা তো ৩০ অক্টোবর আজিজ সুপার মার্কেটের মতো তরুণ-তরুণী সমাগমে মুখর এলাকায়, তাঁর নিজ কার্যালয়ে।

প্রকৃতপক্ষে ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত এই যে একের পর এক নির্বিবাদ হত্যাকাণ্ড, পুলিশের ভাষায় ‘সিরিয়াল কিলিং’ চলেছে, এর পেছনে হেফাজতিদের সমর্থন কম ছিল না। এ সময়ের ১০ জন ব্লগার হত্যার ক্ষেত্রে একমাত্র রাজীব হত্যা ছাড়া আর কোনোটিরই বিচার দূরে থাক, ঘাতকই শনাক্ত হয়নি। পুলিশের হিসাব মতে, এ সময় দুই ডজন হামলা চলেছে। উল্লেখ্য যে এসব হত্যার কয়েকটি ক্ষেত্রে বিচারের দাবিতে সোচ্চার হয়েছিলেন অধ্যাপক জাফর ইকবাল।

সংশ্লিষ্ট অপরাধ বিশেষজ্ঞ ও বিশ্লেষকদের এমন ধারণা অর্থহীন নয় যে উল্লিখিত হত্যাকারীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে না পারার ব্যর্থতা ঘাতকদের আরো হত্যায় উৎসাহিত করেছে। এরপর যখন হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় দেশি-বিদেশি নাগরিক হত্যার বর্বরতায় বিশ্বজনমত স্তম্ভিত এবং প্রতিবাদে সোচ্চার, তখন জঙ্গিবিরোধী অভিযানের সফল তৎপরতার পরিপ্রেক্ষিতে  ব্লগার ও মুক্ত চেতনার নাগরিক হত্যায় ভাটা পড়ে।

দেশের মানুষ বিশেষ করে ঢাকাবাসী যেন স্বস্তিবোধে হাঁফ ছেড়ে বাঁচে। বেশ কিছুদিন জঙ্গি তৎপরতা, বিশেষ করে ব্লগার ও মুক্তমনাদের  ওপর হামলার ঘটনা দেখা যায়নি।  নিয়মমাফিক জঙ্গিবিরোধী অভিযানেও ভাটা পড়ে, যা আদৌ ঠিক ছিল না। এ সম্পর্কে  অনেকে লিখেছিলেন, বাংলাদেশের  মাটি জঙ্গিশূন্য না হওয়া পর্যন্ত অভিযান চালু থাকা দরকার। দরকার অভিযানে উন্নত কলাকৌশল।

কারণ বাংলাদেশের মাটির একাংশ দূষিত। সেখানেই জন্ম নিচ্ছে ঘাতক দল, যে নামেই তাদের ডাকি না কেন। আরো দুশ্চিন্তার বিষয় যে সর্বোচ্চ শিক্ষায়তনগুলো থেকে বেরিয়ে আসছে জঙ্গিবাদী তরুণ-তরুণী। তৈরি হচ্ছে সামাজিক সমস্যা। মাদরাসাছাত্রের পাশাপাশি আধুনিক শিক্ষায়তনের বিত্তবান পরিবারের সন্তানও যোগ দিচ্ছে জঙ্গি দলে। কারো মতে হতাশা, আদর্শগত দূষণ, স্বপ্নভঙ্গের মতো একাধিক কারণ এ অবস্থার জন্য দায়ী। পত্রিকার ভাষ্যমতে, এই সিলেটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই নাকি সর্বোচ্চসংখ্যক চরমপন্থীর আবির্ভাব ঘটছে।

চার.

বিচার-ব্যাখ্যায় এমনটাই সঠিক মনে হয় যে প্রতিকার ও প্রতিরোধব্যবস্থার শিথিলতাই বোধ হয় নতুন করে জঙ্গি তৎপরতা শুরু হওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ। শিথিলতা হয়তো অধ্যাপক জাফর ইকবালের বেলায়ও ছিল। ছিল তাঁর নিরাপত্তা রক্ষকদের তৎপরতায়। তাই অদৃশ্য ঘাতক নিঃশব্দে পেছনে এসে দাঁড়িয়েছে।  আঘাত করার সুযোগ পেয়েছে অসতর্ক অধ্যাপককে।

দীর্ঘ সময় নীরবতার পর হঠাৎ আক্রমণের কারণে আলোচ্য ঘটনা শুরুতে অভাবিত ও বিস্ময়কর মনে হয়েছে। কিন্তু ঘটনার ধারাবাহিকতা ও এর কার্যকারণ সম্পর্কে বিচারে জঙ্গি তৎপরতায় ভাটা যেমন স্বাভাবিক  ছিল, তেমনি অস্বাভাবিক কিছু নয় জাফর ইকবালের ওপর হামলা। সারাক্ষণ পুলিশি নিরাপত্তা নিয়ে একজন মানুষ কতক্ষণ শ্বাস নিতে পারে। একসময় শিথিলতা আসবেই।

এর যথাযথ সমাধান একাধিক স্তরে। যেমন—জঙ্গি দমনের অভিযান পরিচালনায়, তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ দুর্নীতিবাজ দূষিত সমাজকে সুস্থ করে তোলার সার্বিক প্রচেষ্টায় সরকারি-বেসরকারি উভয় খাতে। তরুণ-তরুণীরা তাদের আকাঙ্ক্ষিত বা স্বপ্নের সমাজ বাস্তবে দেখতে পেলে তাদের পথভ্রষ্ট হওয়ার সুযোগ তৈরি হবে না। সেদিকটায় জোর দিতে হবে। এমন বক্তব্য সমাজপতিদের সচেতন ও সক্রিয় করে তুলবে কি না বলা কঠিন। কারণ শ্রমসাপেক্ষ কাজে আমাদের আগ্রহ ততটা দেখা যায় না। কিন্তু সমাজ ও রাষ্ট্রকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখতে হলে তাত্ক্ষণিক ও দীর্ঘস্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ অপরিহার্য। এর কোনো বিকল্প নেই।

লেখক : কবি, গবেষক, ভাষাসংগ্রামী


মন্তব্য