kalerkantho


মুখোমুখি প্রতিদিন

আমার জন্য এটা বড় পাওয়া

খেলা ছেড়ে বিকেএসপির কোচ হয়েছেন জাতীয় হকি দলের সাবেক ডিফেন্ডার মশিউর রহমান। এবার তিনি অস্ট্রিয়ায় যাচ্ছেন কোচিং করাতে। সেখানকার ক্লাব এইচজি মডলিংয়ে কাজ করবেন আগামী তিন মাস। কালের কণ্ঠ স্পোর্টসের মুখোমুখি হয়ে সে প্রসঙ্গেই কথা বলেছেন তিনি।

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



আমার জন্য এটা বড় পাওয়া

কালের কণ্ঠ স্পোর্টস : অস্ট্রিয়ার ক্লাবে কোচিং করানোর সুযোগটাকে কিভাবে দেখছেন?

মশিউর রহমান : এটা আমার জন্য বড় একটা পাওয়া। একজন বাংলাদেশি হিসেবে ইউরোপের কোনো ক্লাবে কোচিং করাতে যাচ্ছি—এর আগে এ রকম সুযোগ আর কেউ পেয়েছে কি না আমার জানা নেই। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, ওখানে আমার বিরাট একটা অভিজ্ঞতা, যা আমার কোচিং ক্যারিয়ারকে সমৃদ্ধ করবে।

প্রশ্ন : আপনার কোচিং শুরু তো ইউরোপেই...

মশিউর : হ্যাঁ, তা অনেকটা বলা যায়। ২০১২-তে জার্মানিতে যখন খেলতে গিয়েছিলাম, তখনই রেড হোয়াইট মিউনিখের অনূর্ধ্ব-১৪ দলের সঙ্গে কাজ করেছি। পরের বছর যুক্ত হই আরেকটা ক্লাবের সঙ্গে। সেটিও জুনিয়র দল। টানা দুই বছর ওখানে খেলার পাশাপাশি কোচিং করিয়েছি। সেই অভিজ্ঞতা আবার বিকেএসপিতে কোচিং করানোর ক্ষেত্রে কাজে দিয়েছে।

প্রশ্ন : আপনি জার্মানিতে কাজ করেছিলেন, অস্ট্রিয়া থেকে ডাক এলো কিভাবে?

মশিউর : অস্ট্রিয়াতেও আমি খেলেছি। ২০১০-এ আমরা যখন প্রথম ইউরোপ সফর করি, তখন অস্ট্রিয়ায় খেলেছিলাম পোস্ট এসভিতে।

আর জার্মানিতে কাজ করার সময় বা সেখান থেকে এসেও সব সময় সবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখতাম। আমি যে এখানে বিকেএসপিতে কাজ করছি এটা অনেকেই জানত, সেভাবেই প্রস্তাবটা পেয়েছি।

প্রশ্ন : তিন মাসের চুক্তির ব্যাপারটা কী?

মশিউর : ওদের ওখানে লিগটা দুই ধাপে। এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত খেলে শীত শুরু হয়ে গেলে ওরা ইনডোর হকিতে চলে যায়। পরে সেপ্টেম্বরে আবার শুরু হয় ফিল্ড হকির দ্বিতীয় লেগ। আমি এখন যাচ্ছি ওদের প্রথম লেগে। সেখানে ক্লাবটার মূল দলের প্রধান কোচের সহকারী হিসেবে থাকব আর প্রধান কোচ হিসেবে কাজ করব ওদের জুনিয়র দলের।

প্রশ্ন : তারা তো আপনার সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি চুক্তি করতে চাইতে পারে। সে ক্ষেত্রে বিকেএসপির কোচিং কী করবেন?

মশিউর : বিকেএসপির চাকরি ছাড়ার ইচ্ছা নেই। এর চেয়ে বড় কথা, ইউরোপেও আমার দীর্ঘ মেয়াদে থাকার কোনো পরিকল্পনা নেই। এর আগে ওখানে থেকে আমি পড়াশোনাও চালিয়ে যেতে পারতাম, সেটা করিনি। দেশেই ফিরে এসেছি।

প্রশ্ন : তার মানে বিকেএসপি থেকে আপনি ছুটি নিয়ে যাচ্ছেন?

মশিউর : হ্যাঁ। সে জন্য আমি বিকেএসপি কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। আশা করি অস্ট্রিয়াতে আমার যে অভিজ্ঞতা হবে তা বিকেএসপিতে কাজ করার ক্ষেত্রে কাজে লাগবে। আমি এখানকার ছাত্র ছিলাম। এই চেনা পরিবেশে কাজ করাটা উপভোগও করছি।


মন্তব্য