kalerkantho


ফিটনেস

মাসল গঠনে যা জরুরি

৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মাসল গঠনে যা জরুরি

মাসল বাড়ানোর জন্য যেমন চাই অনুশীলন, তেমনি খাবার গ্রহণের ব্যাপারে প্রয়োজন সতর্কতা। শুধু তা-ই নয়, কাঙ্ক্ষিত সাফল্যের জন্য লক্ষ্যটাও ঠিক করা জরুরি।

সেসব নিয়েই এবারের আলোচনা

 

অনুশীলনের সংখ্যা বাড়াতে হবে : বুকের মাসল বাড়ানোর অন্যতম শর্ত হলো প্রতিনিয়ত অনুশীলনের মাত্রা বাড়ানো। প্রতিনিয়ত একই মানের এবং একই পরিমাণ অনুশীলন করলে মাসল বৃদ্ধির পরিমাণ সন্তোষজনক মাত্রায় পৌঁছাবে না। এ কারণে শুরুতে ৩০০ পাউন্ড ভারোত্তোলক নিয়ে অনুশীলন শুরু করলেও পরবর্তীতে তার পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়াতে হবে। শুধু তা-ই নয়, বাড়াতে হবে অনুশীলনের সংখ্যা। অনুশীলনের সময়, ওজন এবং সংখ্যা লিপিবদ্ধ করার জন্য একটা খাতাও ব্যবহার করা যেতে পারে।

খাবারের ব্যাপারে হতে হবে সতর্ক : মাসল বৃদ্ধির জন্য খাবারের ব্যাপারে সতর্ক হতে হবে। যা ইচ্ছা তা-ই খাওয়া যাবে না। বরং ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে। প্রতিদিন অন্তত দুই থেকে আড়াই হাজার ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।

এ জন্য খাবারের ক্যালরি সম্পর্কে ধারণা থাকাটা জরুরি। অনেকে হয়তো প্রতিদিন এর থেকে বেশি ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার খেয়ে থাকেন। কিন্তু এগুলো সত্যিই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী কি না, তা ভেবে দেখেন না। আজেবাজে খাবার এবং শুধু পছন্দের খাবার খেয়ে ক্যালরির প্রয়োজনীয় কোটা পূরণ করলেই কাঙ্ক্ষিত ফল পাওয়া যাবে না।

খেতে হবে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার : মাসল গঠনের জন্য দৈনিক কমপক্ষে ১৫০ গ্রাম প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। কেননা প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ছাড়া মাসল গঠনের কাজটা মোটেও সহজ নয়।

পান করতে হবে প্রচুর পরিমাণ পানি : অনেকের ধারণা অনুশীলন এবং এর সঙ্গে ভালো ভালো খাবার খেলেই মাসল গঠন হয়ে যাবে। কিন্তু মাসল গঠনে পানি যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকে তা কেউ বিশ্বাস করতে চায় না। অথচ পানি পানের ব্যাপারে অনেকেই উদাসীন। ভালোভাবে মাসল গঠন করতে চাইলে কমপক্ষে দুই লিটার পানি পান করা উচিত। আর পরিমাণটা চার লিটার হলে আরো ভালো।

কেন মাসল গঠন করতে চাই তার কারণ ঠিক করা : উদ্দেশ্যহীন কোনো কাজই সাফল্য বয়ে আনে না। সে কারণে মাসল গঠনের উদ্দেশ্যে মনে মনে ঠিক করে নেওয়াটা জরুরি। হতে পারে শরীরকে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য। হতে পারে নিজের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী হতে অনেকেই মাসল গঠন করতে আগ্রহী হয়। থাকতে পারে আরো ভিন্ন কারণও।


মন্তব্য