kalerkantho


মাদক মামলা ঝুলছে সাড়ে তিন লাখ

ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির আদেশ হাইকোর্টের

এস এম আজাদ    

৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



মাদক মামলা ঝুলছে সাড়ে তিন লাখ

দেশের ইতিহাসে ইয়াবাসংক্রান্ত প্রথম মামলাটিও ১৬ বছরে নিষ্পত্তি হয়নি। মামলার ১৫ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র দুজন এখন পর্যন্ত সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে। অন্য সাক্ষীদের বিরুদ্ধে একের পর এক সমন জারি করেও হাজিরা নিশ্চিত করা যায়নি, যাঁদের মধ্যে ৯ জন সরকারি কর্মকর্তা। দেশের ইতিহাসে আরেকটি আলোচিত মাদক মামলা ২০১৩ সালের। তিন কেজি কোকেনসহ রাজধানীর একটি হোটেলে ধরা পড়া পেরুর এক নাগরিকসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে করা মামলাটিরও সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারকাজ শেষ হয়নি এত বছরে। এ ছাড়া ২৭ বছর আগে করা মামলাও আছে বিচারের অপেক্ষায়। সব মিলিয়ে দেশে এখন বিচারের অপেক্ষায় ঝুলে আছে সাড়ে তিন লাখ মাদক মামলা।

এমন অবস্থায় হাইকোর্ট গতকাল নির্দেশনা দিয়েছেন, কোনো মাদকের মামলার অভিযোগ বিচারের জন্য আমলে নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে হবে দেশের সব বিচারিক আদালতকে। মামলা যথাসময়ে নিষ্পত্তির জন্য সহযোগিতা করতে জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ওসিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। হাইকোর্টের এই নির্দেশনা দেশের সব বিচারিক আদালতের প্রতি জারি করতে আইন মন্ত্রণালয় ও সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮’তেও মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালকে দ্রুততম সময়ের মধ্যে মাদক মামলার বিচার শেষ করতে বলা হয়েছে। সাধারণভাবে এক থেকে দুই মাসে তদন্ত এবং তিন থেকে চার মাসে বিচার শেষ করতে হবে নতুন আইনে। সময় বাড়ালে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা লাগবে বলা হয়েছে।  এ সত্ত্বেও মামলাজট খোলায় গতি নেই।

২০০২ সালের ১৮ ডিসেম্বর ডিএনসি রাজধানীর গুলশানের নিকেতনের এ ব্লকের ১২৯ নম্বর বাড়ি থেকে মাদক কারবারি সফিকুল ইসলাম ওরফে জুয়েলকে গ্রেপ্তার করে। তাঁর কাছ থেকে ডাব্লিউ ওয়াই লেখা ১২০টি ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পরে জানা যায়, ওই ট্যাবলেটগুলোই ইয়াবা। গুলশান থানায় দায়েরকৃত এই মামলাই দেশের ইতিহাসে প্রথম ইয়াবাসংক্রান্ত মামলা।

মামলাটির তদন্ত কর্মকর্তা ডিএনসির পরিদর্শক হেলাল উদ্দিন ভুঁইয়া জানান, ২০০৩ সালে জুয়েল ও তাঁর পাঁচ সহযোগীসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৬ বছরে মামলার ১৫ সাক্ষীর মধ্যে মাত্র দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন আদালতে। অন্য সাক্ষীদের বিরুদ্ধে একের পর এক সমন জারি করেও হাজিরা নিশ্চিত করা যায়নি। যাঁদের মধ্যে ৯ জন সরকারি কর্মকর্তা। সাক্ষীদের একজন ডিএনসির বরিশালের অতিরিক্ত পরিচালক এ এ এম হাফিজুর রহমান জানান, গত ২৫ নভেম্বর তিনি সাক্ষ্য দিতে আদালতে হাজির হয়েছিলেন। এর আগে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য কোনো সমন পাননি। মাঝখানে আসামিপক্ষ উচ্চ আদালতে রিট করে বিচারকাজ স্থগিত করে রেখেছিল বলেই জানতেন তিনি।

২০১৩ সালের ১১ জুন রাজধানীর কারওয়ান বাজারের লা ভিঞ্চি হোটেলে অভিযান চালিয়ে তিন কেজি কোকেনসহ পেরুর নাগরিক জাগাসেতালভারাদো জন পাবলোরাফায়েলকে গ্রেপ্তার করেন মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) কর্মকর্তারা। ঢাকা মেট্রো উপ-অঞ্চলের পরিদর্শক মোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় ওই ব্যক্তিকে আসামি করে মামলা করেন। এত বেশি মাদকসহ এক বিদেশির গ্রেপ্তার হওয়া মামলাটির তদন্ত করেন ডিএনসির পরিদর্শক মোহাম্মদ ওবায়দুল কবির। তদন্তে আরো পাঁচজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া যায়। পরে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে ২০১৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। সাক্ষী করা হয় ২৫ জনকে। কিন্তু সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারকাজ আজও শেষ হয়নি।

১৯৯১ সালের ৯ জুন রাজধানীর টিকাটুলি সুইপার কলোনির রানী নামে একজনের ঘর থেকে চোলাই মদ জব্দ করেন ডিএনসির কর্মকর্তারা। রানী সরকার পালিয়ে গেলেও তাঁর বিরুদ্ধে সূত্রাপুর থানায় মামলা হয়। মামলাটি বর্তমানে বিশেষ জজ আদালত ৩-এ বিচারাধীন। ২৭ বছরে মামলাটির ছয়জন সাক্ষীর মধ্যে মাত্র দুজন সাক্ষ্য দিয়েছেন। একাধিকবার সমন জারি করা হলেও অন্য চার সাক্ষী আদালতে হাজির হননি। আগামী ২৮ এপ্রিল আবার সাক্ষ্যদানের তারিখ রয়েছে এই মামলার।

তথ্যানুসন্ধানে জানা গেছে, উল্লিখিত তিনটি মামলার মতোই অবস্থা মাদক আইনের লাখো মামলার। মাস গড়িয়ে বছরের পর বছর পার হলেও মামলার বিচার নিষ্পত্তি হচ্ছে না। এতে মাদক কারবারিরা শাস্তি পাচ্ছে না। অনেকে বিনা বিচারে কারাভোগ করছে। কেউ কেউ জামিনে ছাড়া পেয়ে ফের মাদক কারবারে জড়িয়ে পড়ছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা ও বিশ্লেষকরা বলছেন, তদন্তে দুর্বলতা, দুর্বল অভিযোগপত্র, সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাব এবং আদালতে সাক্ষী উপস্থিত না হওয়ার কারণে মামলার বিচারকাজ শেষ হচ্ছে না। মাদকের ভয়াবহতা রোধে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে গতকাল মঙ্গলবার মাদারীপুরের রাজৈর থানায় ২০১৫ সালে করা এক মাদক মামলার আসামির জামিন আবেদনের ওপর শুনানিকালে হাইকোর্ট বিচারের জন্য আমলে নেওয়া মাদকের মামলা ছয় মাসের মধ্যে নিষ্পত্তি করতে নির্দেশ দিয়েছেন দেশের সব বিচারিক আদালতকে। বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহীম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল মঙ্গলবার এ আদেশ দেন। মামলার আসামি মিজানুর রহমানকে ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করে এই আদেশ দেওয়া  হয়েছে। সাক্ষী হাজির করতে তদন্ত কর্মকর্তার কোনো শৈথিলতা পাওয়া গেলে তা জেলা প্রশাসক ও এসপিকে অবহিত করতে সংশ্লিষ্ট বিচারকের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যে মামলা নিষ্পত্তি করতে না পারলে কারণ উল্লেখ করে সুপ্রিম কোর্টের নিম্ন আদালতসংক্রান্ত কমিটির কাছে ব্যাখ্যা দাখিল করতে বিচারিক আদালতের বিচারকের প্রতি নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফরিদপুরের কোতোয়ালি থানার তাম্বুলখানা গ্রামের মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে ২০১৫ সালের ১ ডিসেম্বর মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মাদারীপুর জেলার রাজৈর থানায় মামলা করেন পুলিশের এসআই বশির আহমেদ। মামলায় মিজানুরের কাছ থেকে ৬০০ পিস ইয়াবাসহ তাঁকে আটক করা হয় বলে পুলিশ দাবি করে। এরপর থেকে মিজানুর কারাগারে। মামলাটি মাদারীপুরের অতিরিক্ত দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। ওই মামলায় এখন পর্যন্ত সাক্ষ্যগ্রহণ হয়নি।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ডিএনসির মহাপরিচালক (ডিজি) মোহাম্মদ জামাল উদ্দীন আহমেদ কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘আদালতের পর্যবেক্ষণ যথার্থই। অসংখ্য মামলাই বিচারাধীন থাকা অপরাধীদের সাজার ব্যাপারে বড় ধরনের বাধা। পৃথক আদালতে এ মামলা বিচারের জন্য আমরা লিখেছিলাম। এরপর নতুন আইনে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ট্রাইব্যুনাল গঠনের জন্য আইন মন্ত্রণালয় থেকে একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছে। আশা করি, শিগগির প্রতি জেলায় ট্রাইব্যুনাল গঠিত হবে। ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হলে মাদক মামলার বিচার দ্রুত হবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিচারাধীন মামলাগুলো পর্যবেক্ষণের জন্য অধিদপ্তরের প্রতিটি জেলায় প্রসিকিউশন অফিসার দরকার। প্রসিকিউশন অফিসার বাড়ানোর ব্যাপারে আমরা উদ্যোগ নিয়েছি। এজাহার, তদন্ত, প্রমাণ ও সাক্ষী দেওয়ার বিষয়ে আইন কর্মকর্তাই দেখবেন।

ডিএনসির সূত্র জানায়, ১৯৯০ সালে অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশে কতটি মামলা পেন্ডিং বা বিচারের অপেক্ষায় আছে তা নির্ধারণ করে গত বছর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। ওই প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস পর্যন্ত সারা দেশে বিচারাধীন মামলার সংখ্যা তিন লাখ ৫০ হাজার ৭২১। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঢাকায় ৭৮ হাজার ৩৩৮টি। এরপর চট্টগ্রামে ২৫ হাজার ৩২৩টি মামলা বিচারাধীন আছে। ডিএনসি ছাড়াও পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও কোস্ট গার্ড এসব মামলা করে। সংশ্লিষ্টরা জানায়, বছরে দেশে গড়ে এক লাখ মাদকের মামলা হয়। ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত মামলা হয়েছে পাঁচ লাখ ৮৩ হাজার ৫৬৬টি। ২০১৭ সালে মামলা হয় এক লাখ ছয় হাজার ৫৪৬ হাজার। ২০১৮ সালে এটি বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৭৮টিতে।

ঢাকা মহানগর আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আব্দুল্লাহ আবু বলেন, মামলায় দীর্ঘসূত্রতার মূল কারণ সাক্ষী না আসা। সমন দেওয়ার পরও সাক্ষী হাজির হয় না। সাক্ষীকে না পাওয়ার কথা আদালতকে জানানোর দায়িত্ব পুলিশের। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এ দায়িত্বও পালন করা হচ্ছে না। তদন্তও দুর্বল থাকে।

মাদকের মামলা তদন্ত করছেন এমন কয়েকজন পুলিশ ও ডিএনসির কর্মকর্তা বলেন, মামলার বাদী ও তদন্ত কর্মকর্তাও অনেক ক্ষেত্রে সাক্ষ্য দিচ্ছেন না। ডিএনসির কর্মকর্তারা চাপে পড়ে সাক্ষ্য দিলেও পুলিশ বা অন্য সংস্থায় সাক্ষী দেওয়ার ব্যাপারে চাপ কম। মামলার আসামি ও সাক্ষীদের ঠিকানা পরিবর্তন এবং যাচাই করে সঠিক ঠিকানা না দেওয়ার কারণেও মামলার বিচার বাধাগ্রস্ত হয়। ভয়ে অনেকে মাদক মামলার সাক্ষ্য দেয় না। অনেক সাক্ষী তার কর্মস্থল থেকে অন্য স্থানে বদলি হয়ে যায়। তাদের কাছে ঠিকভাবে চিঠি পৌঁছায় না। চিঠি পেলেও কর্মক্ষেত্রের জটিলতায় অনেকে সাক্ষী দেওয়া থেকে এড়িয়ে চলে।

ডিএনসির ঢাকা মেট্রোর সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ খোরশিদ আলম বলেন, মামলার আসামিরা প্রভাবশালী ও অপরাধী হয়ে থাকে। এতে ভয়েও অনেকে সাক্ষী দিতে চায় না। আবার অনেক আসামি থাকে গরিব। তাই সাক্ষীদের নিরাপত্তা এবং আর্থিক প্রণোদনা বা ভাতার ব্যবস্থা করা গেলে তারা সাক্ষ্য দিতে আগ্রহী হবে। ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) প্রসিকিউশন বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার আনিসুর রহমান জানান, সাক্ষী হাজির করার সমন বা ওয়ারেন্ট পেলে সংশ্লিষ্ট থানায় পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এ ব্যাপারে থানা কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়ে থাকে। সাক্ষীকে আদালতে উপস্থাপনে যে প্রক্রিয়া রয়েছে, তা ডিজিটাইজেশন করা হলে আরো অধিকসংখ্যককে হাজির করা সম্ভব। সাক্ষীকে আদালতে হাজির করার জন্য ভাতার ব্যবস্থাও করা জরুরি।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ২০১৮ এর ৪৪ ধারায় প্রতিটি জেলায় মাদক অপরাধের বিচারে ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা বলা হয়েছে। এ ধারার ৪ উপধারায় বলা হয়েছে, কোনো জেলায় ট্রাইব্যুনাল স্থাপিত না হওয়া পর্যন্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন দ্বারা অতিরিক্ত জেলা বা দায়রা জজ অতিরিক্ত ট্রাইব্যুনালের দায়িত্ব পালন করবেন। এই আইনের ৩১ ধারা অনুযায়ী মাদকদ্রব্যসহ আসামি ধরা পড়লে আদালতে সোপর্দ করার ৩০ কর্মদিবসের মধ্যে এবং আসামি ধরা না পড়লে ৬০ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে। তদন্ত কর্মকর্তা এতে ব্যর্থ হলে কারণ উল্লেখ করে পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দেবেন। এ জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে এবং আদালতে লিখিতভাবে অবহিত করতে হবে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে পরবর্তী প্রতিবেদন দিতে হবে। এরপর যদি নতুন তদন্ত কর্মকর্তা নিয়োগ করা হয় তাঁকে আসামিসহ মামলা ১৫ দিন এবং আসামিহীন মামলা ৩০ দিনে তদন্ত শেষ করতে হবে। নতুন আইনের ৫১ ধারা অনুযায়ী, ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে মাদকদ্রব্য অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা পাওয়ার ৯০ কার্যদিবসের মধ্যে বিচার শেষ করতে হবে। এটি সম্ভব না হলে আদালত পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে কারণ উল্লেখসহ বিচারকাজ শেষ করবেন। এ ব্যাপারে সুপ্রিম কোর্টকে লিখিতভাবে জানাতে হবে এবং এর অনুলিপি সরকারকে পাঠাতে হবে। একইভাবে আরো ১৫ দিন সময় বাড়াতে পারবেন ট্রাইব্যুনাল।



মন্তব্য