kalerkantho


মনের কোণে হীরে-মুক্তো

জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার যেন জিপিএ ৫ হয়ে না যায়

ড. সা’দত হুসাইন

১১ আগস্ট, ২০১৮ ০০:০০



জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার যেন জিপিএ ৫ হয়ে না যায়

জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারের জন্য বিভিন্ন ব্যক্তি ও সংস্থা কর্তৃক তাদের বিবেচনায় উপযুক্ত প্রার্থীর নাম প্রস্তাব করা হয়। তাঁদের মধ্য থেকে বাছাই করে পুরস্কৃতব্য ব্যক্তি বা সংস্থার তালিকা চূড়ান্তকরণের জন্য একটি উচ্চ মর্যাদাসম্পন্ন জাতীয় কমিটি থাকে। এ কমিটিতে কয়েকজন মন্ত্রী থাকেন। কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে থাকেন একজন সিনিয়র মন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় পুরস্কার ছাড়াও প্রতিবছর বিভিন্ন সেক্টরের অনেকগুলো জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কার দেওয়া হয়। রাষ্ট্রীয় পুরস্কার না হলেও সেক্টরের জন্য এগুলো শীর্ষ পুরস্কার হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে। অতীব গুরুত্বপূর্ণ এবং স্পর্শকাতর পুরস্কারের ক্ষেত্রে কমিটির সুপারিশ চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হয়।

এ কমিটির এক সভায় পুরস্কারের জন্য উপস্থাপিত প্রস্তাবগুলো দেখে একজন মন্ত্রী বললেন : জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কারের জন্য এমন লোককে মনোনয়ন করা উচিত, যাঁকে দেশের লোক এক ডাকে চেনে। মন্ত্রীর কথাটা ছোট। এক বাক্যের। তবে এর গুরুত্বপূর্ণ তাৎপর্য রয়েছে। মন্ত্রী যা বলতে চেয়েছেন তা হলো, জাতীয় পর্যায়ে পুরস্কারের জন্য প্রস্তাবিত ব্যক্তির এমন কৃতিত্ব থাকতে হবে, যা তাঁকে অন্তত তাঁর সেক্টরে দেশব্যাপী খ্যাতিমান ব্যক্তিত্বে রূপান্তরিত করেছে। তাঁর সেক্টর অর্থাৎ কাজের ক্ষেত্রটি যদি সাধারণ নাগরিকের জীবন ও কল্যাণসম্পৃক্ত হয়, তবে সাধারণ মানুষের কাছে তিনি সুপরিচিত হবেন। তাঁকে যদি সাধারণ নাগরিক, এমনকি তাঁর সেক্টরের লোকরাও ভালোভাবে এক ডাকে চিনতে না পারে, তবে বুঝতে হবে, তাঁর তেমন কৃতিত্বপূর্ণ কোনো কাজ নেই। কোনো আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব কিংবা উন্নয়ক (Promoter) খাতির করে তাঁর নাম প্রস্তাব করেছে। এ ধরনের প্রস্তাব জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কারের জন্য বিবেচনা করে সময় নষ্ট করা নিতান্তই অর্থহীন।

পরিচিতির উদাহরণ দিয়ে আমি বলতে চাই, অর্থনীতিতে প্রথম দিকে যাঁরা নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, তাঁরা সবাই এই শাস্ত্রের দিকপাল পণ্ডিত। এঁদের নাম না জেনে বা এঁদের বাদ দিয়ে অর্থনীতিতে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করা যায় না। এঁদের মধ্যে রয়েছেন পল স্যামুয়েলসন, মিল্টন ফ্রিডম্যান, সলো, অ্যারো, কুজনেট, টিম্বার্জেন, আর্থার লুইস, অমর্ত্য সেন। পরবর্তীকালে অর্থাৎ সাম্প্রতিক সময়ে যাঁদের নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশ কয়েকজন সুপরিচিত খ্যাতিমান ব্যক্তি রয়েছেন। আবার দুঃখজনক হলেও সত্য যে এমন দু-একজন অর্থনীতিবিদকে নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে, যাঁরা তেমন খ্যাতিমান নন, সুপরিচিত নন। নিজেদের সীমিত গণ্ডিতে তাঁরা লেখালেখি করেছেন। সেখানেও তাঁদের অসাধারণ কৃতিত্ব রয়েছে, তেমনটি বলা যাবে না। তাঁদের চেয়ে অনেক বেশি পরিচিত, অনেক কৃতিত্বপূর্ণ কাজের রচয়িতা যেমন জগদীশ ভগবতীর নাম পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন করা হয়নি।

আমাদের দেশে জাতীয় পর্যায়ে অনেক পুরস্কার দেওয়া হয়। তার মধ্যে সবার শীর্ষে রয়েছে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার বা স্বাধীনতা পুরস্কার। শীর্ষ পর্যায়ের কীর্তিমান ব্যক্তিরা এ পুরস্কার পাওয়ার কথা। স্বাভাবিকভাবে ধরে নেওয়া হয় যে এঁদের কৃতিত্ব সর্বজনবিদিত। নানারূপ কসরত করে এঁদের চেনাতে হয় না। সমাজে-সাধারণ্যে এঁদের কৃতিত্ব আগেই স্বীকৃত। রাষ্ট্রীয় পুরস্কার সে স্বীকৃতিকে বড়জোর শীর্ষে নিয়ে যাবে। তবে আমরা মাঝে মাঝে দেখতে পাই, এমন লোকও রাষ্ট্রীয় পুরস্কার পান, যাঁকে নাগরিক সমাজ প্রায় চিনতেই পারে না। তাঁর কৃতিত্ব দেখার জন্য মাইক্রোস্কোপ ব্যবহার করতে হয়। খোঁজখবর নিয়ে জানা যায়, তিনি ঘরানার লোক। কোনো ক্ষমতাধর ব্যক্তির পছন্দের মানুষ। নতজানু এই ব্যক্তি ক্ষমতাধর ব্যক্তির তাঁবেদারি, মোসাহেবি করে শান্তি পান। সুযোগ পেলে তাঁর পদধূলি নেন। অতএব তাঁকে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার দিয়ে খুশি করতে হবে। ভবিষ্যতে তা ক্ষমতাধর ব্যক্তির কাজে লাগতে পারে। আরো মজার ব্যাপার হলো, সময় বিশেষে কমিটির চেয়ারম্যান, সদস্যরা নিজেরা নিজেদের পুরস্কার দিয়ে বসে থাকেন। প্রধানমন্ত্রী বিব্রত বোধ করলেও লজ্জায় কিছু বলতে পারেন না। নীরবে কমিটির সুপারিশ মেনে নেন।

একুশে পদক মোটামুটি ঘরানার ব্যাপার। সাধারণত দুই শ্রেণির লোকদের একুশে পদক দেওয়া হয় : (ক) যাঁরা ভাষা আন্দোলন ও জাতীয়-আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ভাষার মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করেছেন। (খ) যাঁরা সুকুমারবৃত্তে অবস্থান করে শিল্প-সাহিত্যাঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। যাঁরা লেখক-সাহিত্যিক, শিল্পী, তাঁদের মধ্যে অনেকেই ঘরানাবহির্ভূত নিরপেক্ষ মানসিকতার লোক। সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো বলেন। কোনো সরকার পদক দেওয়ার ব্যাপারে তাঁদের গুরুত্ব দেয় না। তাঁদের অন্য অনেকের সঙ্গে ভিন্ন মতাবলম্বী মনে করে। একই সঙ্গে ঘরানার লোক, ‘আমাদের লোক’ খোঁজ করা হয়। শেষ অব্দি অখ্যাত, সুকুমারবৃত্তের বহির্ভাগে অবস্থানরত কাউকে ধরে এনে পুরস্কার দেওয়া হয়।

প্রায় ষাট বছর আগের একটি উচ্চপর্যায়ের পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের কথা মনে পড়ছে। ১৯৬১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের আওতায় আমরা ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষা দিয়েছিলাম। পুরো প্রদেশে তখন একটি মাত্র শিক্ষা বোর্ড। পরীক্ষার্থী ছিল ৫৭ হাজার। তখনকার রীতি অনুযায়ী সে বছর বাধ্যতামূলক বিষয়সমূহে যারা বোর্ডে—অর্থাৎ সারা দেশের মধ্যে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছে, তাদের একটি বড় অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পুরস্কৃত করা হয়। বোর্ডের চেয়ারম্যান এ পুরস্কার বিতরণ করতেন। বোর্ডের আমন্ত্রণে আমরা জনাপনেরো পরীক্ষার্থী এ অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলাম। কয়েকটি বিষয়ে একাধিক পরীক্ষার্থী সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিল। আবার একই পরীক্ষার্থী একাধিক বিষয়ে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিল। আমি অঙ্ক ও ইতিহাসে সর্বোচ্চ নম্বর পেয়েছিলাম। তাই আলাদাভাবে দুটি পুরস্কার পেয়েছিলাম। পরীক্ষায় প্রথম হওয়া ছাত্র মাহবুব হোসেন খান কয়েকটি বিষয়ে প্রথম হয়েছিল বিধায় অনেক পুরস্কার পেয়েছিল।

এ অনুষ্ঠানে পুরস্কার নিতে যারা এসেছিল, তারা দেশের সেরা ছাত্র। এদের মধ্যে ঢাকা কলেজে যারা পড়ত, তাদের প্রায় সবাইকে আগে থেকে চিনতাম, যদিও সবার সঙ্গে তেমন সখ্য ছিল না। অন্য কলেজ, বিশেষ করে নটর ডেম কলেজে যারা ভর্তি হয়েছিল, তাদের এই প্রথম সামনাসামনি দেখলাম। এর মধ্যে প্রথম হওয়া ছাত্র মাহবুব হোসেন খানের সঙ্গে পরিচয় হওয়াকে আমি দুর্লভ পাওয়া হিসেবে ধরে নিয়েছিলাম। মাহবুবের সঙ্গে পরবর্তীকালে এ পরিচয়টা বিভিন্ন কারণে ঘনিষ্ঠ হয়েছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে সে ফজলুল হক হলে ভর্তি হয়েছিল, আর আমি এস এম হলে । দুজনই আমরা একই ছাত্রসংগঠনের সদস্য ছিলাম। মাহবুব এফ এইচ হলের ভিপি আর আমি এস এম হলের জিএস নির্বাচিত হয়েছিলাম। ছাত্রজীবন শেষে আমরা একই ক্যাডারে (সিএসপি) যোগ দিয়েছিলাম, যদিও মাহবুব কয়েক বছর পর চাকরি ছেড়ে দিয়েছিল। তবে আমাদের বন্ধুত্ব এখনো অটুট রয়েছে। সাইফুল হক, জয়নাল, আজিজ—এরা সবাই সে যুগের সেরা ছাত্র। এখনো জ্ঞান-গরিমায় অতুলনীয়। জয়নাল, আজিজের সঙ্গে তেমন যোগাযোগ নেই। সাইফুল ও আমি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পিএইচডি করেছি। সাইফুল যুক্তরাষ্ট্রে থাকে, কানাডার বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করে; ওর সঙ্গে ভালো যোগাযোগ রয়েছে। তার জ্ঞান ও প্রজ্ঞা এখনো অসাধারণ মানের। লেখালেখির অভ্যাস থাকলে সে বাংলাদেশের একজন সেরা লেখক, সাহিত্যিক বা বুদ্ধিজীবী হতে পারত।

সেদিন যারা কিশোর বয়সে পরীক্ষায় অসাধারণ ভালো ফল করার জন্য পুরস্কার পেয়েছিল, তারা যে সে সময়ের সেরা ছাত্রদের দলভুক্ত ছিল, তাতে কেউ সন্দেহ প্রকাশ করেনি। যারা তাদের চিনতে পারত, তারা সবাই একধরনের প্রশংসার দৃষ্টিতে তাদের দিকে তাকাত। পরবর্তীকালেও তারা নিজ নিজ ক্ষেত্রে মেধার পরিচয় দিয়ে জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে আমরা জানতে পারলাম কালি নারায়ণ স্কলার (কেএনএস) সম্পর্কে। যে ছাত্র স্নাতক অনার্সে সারা বিশ্ববিদ্যালয়ে সবচেয়ে বেশি নম্বর পেত, তাকে এ মর্যাদাবান পুরস্কার দেওয়া হতো। যারা এ বৃত্তি পেত, তারা আসলে অসাধারণ মেধাবী ছাত্র। আমরা বেশ কয়েকজন কেএনএস-এর নাম শুনেছি। যত দূর জেনেছি, তারা সবাই অসাধারণ মেধাবী। তাদের সম্পর্কে অনেক গল্প-কাহিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আড্ডায় প্রচলিত ছিল। আরেকটি মর্যাদাবান পুরস্কার ছিল চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেল। বছরে একবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের অংশগ্রহণে ইংরেজি রচনা প্রতিযোগিতা হতো। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ছাত্রকে বলা হতো ‘চ্যান্সেলরস গোল্ড মেডেলিস্ট’। এই ছাত্রও ঈর্ষণীয় স্তরের মেধাবী ছিল। সবাই তাকে শ্রদ্ধা-সম্মানের চোখে দেখত। এই পুরস্কারপ্রাপ্তদের মেধা বা যোগ্যতা সম্পর্কে কোনো দিন প্রশ্ন ওঠেনি।

সাম্প্রতিককালে ব্যাংক, বীমা, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, দেশি-বিদেশি করপোরেট হাউস, বৃহৎ এনজিও, দাতব্য ফাউন্ডেশন—নানা নামে বড় আকারের পুরস্কার প্রবর্তন করেছে। ভিআইপি, ভিভিআইপিরাও প্রধান অতিথি হিসেবে এসব পুরস্কার বিতরণ করেন। ফলে এগুলো অনেকটা জাতীয় পুরস্কারের রূপ পরিগ্রহ করেছে। যাদের এসব পুরস্কার দেওয়া হয়, তাদের অসাধারণ কীর্তিমান বা মেধাবী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ঘটা করে তাদের নামধাম প্রকাশ করা হয়। তাদের সংখ্যা শত শত। কয়েক হাজারও হতে পারে। তাদের মধ্যে তথাকথিত ‘মেধাবী’ তরুণ-তরুণী যেমন রয়েছে, তেমনিভাবে পরিণত বয়সের ব্যক্তিরাও রয়েছেন। তাঁদের কৃতিত্ব ও কীর্তি সম্পর্কে বড় কিছু জানা যায় না। মর্যাদার দিক থেকেও অনেক সময় বলার মতো তেমন কিছু থাকে না। তবু তাঁরা কীর্তিমান, ‘মেধাবী’। যখন কয়েক হাজার কিশোর-কিশোরীকে পরীক্ষার ফলের অজুহাত দেখিয়ে সংবর্ধনা ও পুরস্কার দেওয়া হয়, তখন তাদের সবাইকে কিভাবে ‘অসাধারণ মেধাবী’ হিসেবে অভিহিত করা হয় তা বোধগম্য নয়। আবার যখন কোনো ব্যাংকের মধ্যম স্তরের এক অচেনা কর্মকর্তাকে জাতীয় পর্যায়ের দু-একজন খ্যাতিমান ব্যক্তির সঙ্গে ‘অসাধারণ কৃতিত্বের’ জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়, তখন ব্যাপারটা নেহাত হাস্যাস্পদ মনে হয়। খোঁজ নিলে হয়তো জানা যাবে, অচেনা কর্মকর্তা হয়তো পুরস্কারের অর্থ জোগানের ব্যবস্থা করেছেন। এমনও শোনা যায় যে অর্থায়নকারী ব্যক্তিকে পুরস্কার দেওয়ার জন্যই পুরো অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।

আমরা টাকার গরমে অতি উৎসাহে কিংবা অযৌক্তিক বদ্ধমূল ধারণার বশবর্তী হয়ে সুন্দর রীতি-নীতি, অনুষ্ঠান-আয়োজন এবং প্রতিষ্ঠানকে খেলো করে ফেলি। সুচারু রূপে পরীক্ষা সম্পন্ন করা গেলে জিপিএ ৫ পাওয়া কৃতিত্বের ব্যাপার হতে পারে। পরীক্ষা পদ্ধতিকে বিকৃত করে, দুর্নীতিকবলিত করে জিপিএ ৫-কে এমন পর্যায়ে নামিয়ে আনা হয়েছে যে জিপিএ ৫ শুনলে মানুষ হাসে, টিটকারি করে। জিপিএ ৫ পাওয়া পরীক্ষার্থী তার রেজাল্ট বলতে লজ্জা পায়। স্বজনপ্রীতি ও সুবিধা আদায়ের লোভে অযোগ্য, অখ্যাত শত শত লোককে বড় মাপের পুরস্কারে ভূষিত করে আমরা জাতীয় পর্যায়ের পুরস্কারকে (‘জাতীয় পুরস্কার’ নয়) প্রশ্নবিদ্ধ করেছি। এ ধরনের কর্মকাণ্ড থেকে বিরত না হলে একসময় পুরো সমাজকে আমরা খেলো করে ফেলব।

 

লেখক : সাবেক মন্ত্রিপরিষদসচিব ও

পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান



মন্তব্য