• ই-পেপার

মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে, গ্রেপ্তাররাও ছাড়া পাবে না: প্রধানমন্ত্রী

সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সিটিটিসি ইউনিট প্রধান

অনলাইন ডেস্ক
সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা রোধে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে : সিটিটিসি ইউনিট প্রধান

দেশে উগ্রবাদ মাথাচাড়া দেওয়ার মতো কোনো লক্ষণ নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ শামসুল হক। তবে সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা প্রতিরোধে অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গোয়েন্দা তথ্য ও নিজস্ব ডাটাবেইসের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৭ জুলাই) ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাম্প্রতিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি এসব  কথা বলেন।

সাম্প্রতিক সময়ে কেরানীগঞ্জসহ কয়েকটি স্থানে বিস্ফোরণের ঘটনা এবং সর্বশেষ মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে একটি ছাতার ভেতরে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনার পর দেশে উগ্রবাদী তৎপরতা বাড়ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এ মুহূর্তে সে ধরনের কোনো আশঙ্কাজনক পরিস্থিতি দেখছি না। আমরা অনলাইন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম, গোয়েন্দা তথ্য এবং আমাদের নিজস্ব ডাটাবেইসের মাধ্যমে উগ্রবাদী তৎপরতা নিয়মিত নজরদারি করছি। কোথাও কোনো তথ্য বা সংবাদ পেলেই তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

উগ্রবাদ মাথাচাড়া দিচ্ছে কি না— এমন আরেক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনই এমন কিছু বলার সুযোগ নেই। তবে দেশের মধ্যে আশঙ্কাজনক কোনো লক্ষণ আমরা দেখছি না।’

মতিঝিলে মেট্রোরেল স্টেশনের নিচে বোমাসদৃশ বস্তু উদ্ধারের ঘটনা প্রসঙ্গে মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বোম ডিসপোজাল ইউনিট মোতায়েন করে। ঘটনাটি বর্তমানে পুলিশের মতিঝিল বিভাগ তদন্ত করছে। তদন্ত শেষ হওয়ার আগে কারা জড়িত বা তাদের উদ্দেশ্য কী ছিল, সে বিষয়ে মন্তব্য করা ঠিক হবে না বলেও জানান তিনি।

জঙ্গিবাদ-সংক্রান্ত মামলার অগ্রগতি সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে সিটিটিসি প্রধান বলেন, গ্রেফতারের বিস্তারিত পরিসংখ্যান পরে জানানো হবে। তবে আলোচিত ফাতা কমব্যাট মামলায় সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তদন্তে আরো কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতার তথ্য পাওয়া গেছে এবং তাদের বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। মামলার প্রধান আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিও দিয়েছেন।

মোহাম্মদ শামসুল হক বলেন, ‘সম্ভাব্য উগ্রবাদী তৎপরতা প্রতিরোধে প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং প্রয়োজনীয় অভিযান আগের মতোই অব্যাহত থাকবে।’
 

নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক
নতুন কুঁড়ি স্পোর্টসের বিজয়ীদের মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর পুরস্কার বিতরণ

দেশব্যাপী আয়োজিত ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রথম আসরের জাতীয় পর্যায়ের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (২৭ জুলাই) রাজধানীর বনানীর আর্মি স্টেডিয়ামে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী মাঠ প্রদক্ষিণ করে গ্যালারিতে উপস্থিত শিশু-কিশোরদের শুভেচ্ছার জবাব দেন এবং তাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এ সময় উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো স্টেডিয়াম।

প্রধানমন্ত্রী বালিকা বিভাগের ফুটবল ফাইনাল এবং বালিকা ও বালকদের ১০০ মিটার স্প্রিন্ট প্রতিযোগিতা উপভোগ করেন। প্রতিযোগিতা শেষে তিনি বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন এবং শিক্ষার্থীদের পরিবেশিত মনোজ্ঞ ডিসপ্লে উপভোগ করেন।

‘স্বপ্নের পথে, বিজয়ের সাথে’ স্লোগানে গত ২ মে সিলেট জেলা স্টেডিয়াম থেকে শুরু হওয়া ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৫-২০২৬’-এর প্রতিপাদ্য ‘ক্রীড়া হলে পেশা, পরিবার পাবে ভরসা।’

উপজেলা ও জেলা পর্যায় থেকে ১২-১৪ বছর বয়সী প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার খুদে ক্রীড়াবিদ আটটি ডিসিপ্লিনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে এ আয়োজন দেশের শিশু ও কিশোর-কিশোরীদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

‘সিদ্ধান্তহীন’ পে স্কেলের বৈঠক, গেজেটের অপেক্ষা বাড়ল

অনলাইন ডেস্ক
‘সিদ্ধান্তহীন’ পে স্কেলের বৈঠক, গেজেটের অপেক্ষা বাড়ল
সংগৃহীত ছবি

সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য প্রস্তাবিত নবম জাতীয় পে স্কেলের গেজেট প্রকাশে আরো সময় লাগতে পারে। নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন নিয়ে সচিব কমিটির দীর্ঘ বৈঠক হলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, গেজেট প্রকাশের পুরো প্রক্রিয়া শেষ হতে আরো দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।

রবিবার (২৬ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রায় পাঁচ ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন সচিব কমিটির সদস্যরা। বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামোর সুপারিশ, এর আর্থিক প্রভাব, বাস্তবায়নের সক্ষমতা এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সীমাবদ্ধতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থসচিব ড. খায়েরুজ্জামান মজুমদার, পে স্কেল-সংক্রান্ত ফোকাল কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, বিষয়টি আরও বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে সুপারিশ দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

অর্থ মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) নতুন পে স্কেল বাস্তবায়ন অন্তত দুই বছর পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। নতুন ঋণ কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার অংশ হিসেবে আর্থিক চাপ বিবেচনায় রেখে সংস্থাটি এ মতামত দিয়েছে। সম্প্রতি আইএমএফের একটি প্রতিনিধিদল ঢাকা সফরের সময় অর্থ বিভাগের সঙ্গে বৈঠকে নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে তাদের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে।

তবে সরকারের নীতিনির্ধারকেরা আইএমএফের এই পরামর্শ পুরোপুরি গ্রহণে আগ্রহী নন। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে, যদিও গেজেট প্রকাশে কিছুটা বিলম্ব হতে পারে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আগামী অক্টোবরের আগে নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের চেষ্টা চলছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর মন্ত্রিপরিষদ সচিবের নেতৃত্বাধীন সচিব কমিটিকে এ বিষয়ে আরো অন্তত দুই থেকে তিনটি বৈঠক করতে হতে পারে। পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে প্রায় তিন মাস সময় লাগতে পারে বলে ধারণা করা হলেও দ্রুত কাজ শেষ করারও চেষ্টা থাকবে।

সচিব কমিটির সুপারিশ প্রধানমন্ত্রীর কাছে উপস্থাপনের পর মন্ত্রিসভার অনুমোদন সাপেক্ষে অর্থ বিভাগ নতুন পে স্কেলের গেজেট প্রকাশ করবে।

সরকারের বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী, নতুন পে কমিশনের সুপারিশ ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হতে পারে। তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।

রবিবার বৈঠকে নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের সম্ভাব্য আর্থিক চাপ, বাজেট ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আহরণের সক্ষমতা এবং দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি আইএমএফের আপত্তি ও পর্যবেক্ষণও পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ভাষ্য, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিরতায় আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধির আশঙ্কা, দেশে গ্যাস সরবরাহের চাপ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বড় অঙ্কের অতিরিক্ত ব্যয় কতটা যৌক্তিক হবে, সে বিষয় পুনর্মূল্যায়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আরো জানিয়েছে, আইএমএফ চায় নতুন পে স্কেলের বিষয়টি অন্তত অক্টোবর পর্যন্ত অপেক্ষায় রাখা হোক। এতে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিতব্য আইএমএফের বার্ষিক সভায় নতুন ঋণ কর্মসূচির আলোচনার সময় পে স্কেলের সম্ভাব্য আর্থিক প্রভাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা সম্ভব হবে।

পরে নভেম্বরে আইএমএফের আরেকটি প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ সফর করতে পারে। সে সময় নতুন ঋণ কর্মসূচি এবং পে স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়েও আরো আলোচনা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

পানিসম্পদমন্ত্রীর কাছে বাপার ১৪ দফা সুপারিশ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা ব্যারাজে জাতীয় আলোচনার দাবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা ব্যারাজে জাতীয় আলোচনার দাবি
ছবি : কালের কণ্ঠ

তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও গঙ্গা ব্যারাজ প্রকল্প নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে উন্মুক্ত ও বিস্তৃত আলোচনার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)।

সংগঠনটি বলেছে, এসব মেগাপ্রকল্পে বিদেশি প্রেসক্রিপশনের চেয়ে দেশীয় বিশেষজ্ঞদের মতামতকে বেশি গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। পাশাপাশি দেশের নদ-নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ পুনরুদ্ধারে সরকার ও বিশেষজ্ঞদের কাছে ১৪ দফা সুপারিশ তুলে ধরেছে সংগঠনটি।

সোমবার (২৭ জুলাই) সচিবালয়ে পানিসম্পদমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদের সঙ্গে বাপার এক প্রতিনিধিদলের মতবিনিময়সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভা শেষে বাপার নেতারা পানিসম্পদমন্ত্রীর কাছে ১৪ দফা সুপারিশসংবলিত একটি স্মারকলিপি হস্তান্তর করেন।

সভায় নদী ব্যবস্থাপনায় সরকারের পাশাপাশি বাপার মতো পরিবেশবাদী সংস্থাকে যুক্ত করার আগ্রহ প্রকাশ করেন পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। তিনি বলেন, পরিবেশ ও নদী রক্ষার মতো বিশাল কাজ সরকারের একার পক্ষে করা সম্ভব নয়। তিস্তা ও গঙ্গা ব্যারাজ ইস্যুতে শিগগিরই সরকারি বিশেষজ্ঞ এবং বাপার বিশেষজ্ঞদের নিয়ে যৌথ বৈঠকের আশ্বাস দেন মন্ত্রী।

মতবিনিময়সভায় বাপার প্রতিনিধিদল দেশের নদ-নদীতে বিভিন্ন মেগাপ্রকল্পের বিরূপ প্রভাব, অপ্রয়োজনীয় স্লুইসগেটের কারণে নদীর প্রবাহ আটকে যাওয়া, বুড়িগঙ্গার দখল-দূষণ, বড়াল নদী ও চলনবিলের সংকট তুলে ধরে। এ ছাড়া ভবদহ ও বিল হরিণার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা, হাওরাঞ্চলের সমস্যা এবং ফুলজোড় ও করতোয়া নদীর বর্তমান করুণ দশা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

চলনবিলের অভ্যন্তরীণ নৌপথের একমাত্র পতিতমুখ বন্ধ করে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের প্রক্রিয়া চলছে—বাপার এমন উদ্বেগের জবাবে মন্ত্রী জানান, বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হবে। এ ছাড়া তিনি ভবদহ ও বিল হরিণা এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনের কথা জানান এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রিসভাতেও আলোচনার প্রতিশ্রুতি দেন।

বাপার সভাপতি অধ্যাপক ড. নুর মোহাম্মদ তালুকদারের নেতৃত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সহসভাপতি খুশী কবির, মহিদুল হক খান, অধ্যাপক ড. এম শহীদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো. আলমগীর কবির, সাংগঠনিক সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক ড. হালিম দাদ খান, এস এম মিজানুর রহমান ও খন্দকার আজিজুল হক মনি।

১৪ দফা সুপারিশে যা আছে

বাপার পেশ করা স্মারকলিপিতে নদ-নদীর স্বাভাবিক উন্মুক্ত প্রবাহ নিশ্চিত করা, পোল্ডার ব্যবস্থার সংস্কার এবং নদীপ্রবাহের প্রতিবন্ধক স্লুইসগেট অপসারণের দাবি জানানো হয়। এতে বলা হয়, জাতীয় নদী রক্ষা কমিশনকে শুধু পরামর্শক প্রতিষ্ঠান না রেখে নির্বাহী ক্ষমতা দিতে হবে।

আন্তর্জাতিক নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে জোরালো কূটনৈতিক উদ্যোগের তাগিদ দিয়ে বাপা জানায়, তিস্তা পরিকল্পনা সম্পূর্ণ দেশীয় অর্থায়ন ও প্রযুক্তিতে গ্রহণ করা উচিত। একই সঙ্গে বর্ষা মৌসুমে গঙ্গা-পদ্মার পানি কেন গড়াই, মধুমতী ও বড়ালসহ শাখা নদীগুলোতে স্বাভাবিকভাবে প্রবাহিত হচ্ছে না, তার মূল কারণ অনুসন্ধান করে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়।