• ই-পেপার

মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে, গ্রেপ্তাররাও ছাড়া পাবে না: প্রধানমন্ত্রী

রেকর্ড কিপার নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, ৩ জনের দণ্ড

নিজস্ব প্রতিবেদক
রেকর্ড কিপার নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায়, ৩ জনের দণ্ড
সংগৃহীত ছবি

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের (ডিএলআরএস) রেকর্ড কিপার পদের লিখিত পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩ পরীক্ষার্থীকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দণ্ড দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার (১২ জুন) ঢাকার ডেমরায় অবস্থিত ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা কলেজ কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে ৩ জনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।

দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন কে এম মোজাম্মেল হক, মোসাম্মৎ মর্জিনা আক্তার ও ফারুক মন্ডল।

জানা গেছে, মোবাইল ফোন ব্যবহার করে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে কে এম মোজাম্মেল হককে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৮৮ ধারায় ৫০ টাকা অর্থদণ্ড ও এক দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।

এদিকে, ইলেকট্রনিক বিশেষায়িত হিয়ারিং ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে মোসাম্মৎ মর্জিনা আক্তারকে একই ধারায় ৫০ টাকা অর্থদণ্ড ও তিন দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

অপরদিকে, মো. মিজানুর রহমানের পরিবর্তে ফারুক মন্ডল নামে অন্য একজন পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করছিলেন বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। পরিচয় জালিয়াতির ঘটনায় ফারুক মন্ডলকে ১০০ টাকা অর্থদণ্ড ও এক দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জাকিয়া মুনতাহিম।

ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর জানিয়েছে, নিয়োগ পরীক্ষার স্বচ্ছতা, নিরপেক্ষতা ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে অসদুপায় অবলম্বনকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

উল্লেখ্য, রেকর্ড কিপার পদের লিখিত পরীক্ষায় মোট ৮ হাজার ১৩ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৬ হাজার ৮৯৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের চিকিৎসায় ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদ্-দ্বীন থেকে রেফার্ড রোগীদের চিকিৎসায় ৬ হাসপাতালকে নির্দেশ
ফাইল ছবি

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের পর সেখানে চিকিৎসাধীন ও রেফার্ড রোগীদের জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে রাজধানীর ছয়টি সরকারি হাসপাতালকে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

শুক্রবার (১২ জুন) রাতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখার পরিচালক ডা. আবু হোসেন মো. মঈনুল আহসান স্বাক্ষরিত এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, আদ্-দ্বীন হাসপাতাল থেকে স্থানান্তরিত বা রেফার করা রোগীদের কোনো ধরনের বিলম্ব ছাড়াই প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে হবে। এ লক্ষ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ ও মিটফোর্ড হাসপাতাল, শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল এবং বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, বৃহস্পতিবার (১১ জুন) আদ্-দ্বীন উইমেনস মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে হাসপাতালটি থেকে যেসব রোগী অন্যত্র স্থানান্তর বা রেফার করা হচ্ছে, তাদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার জন্য সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ সংক্রান্ত চিঠি সংশ্লিষ্ট হাসপাতালগুলোর পরিচালক এবং আদ্-দ্বীন হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালকের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

এর আগে গত ২৭ মে হাসপাতালটির একটি ওয়ার্ডে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তর পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। তদন্ত প্রতিবেদনে অক্সিজেনের স্বল্পতা, দায়িত্বে অবহেলা এবং চিকিৎসকের অনুপস্থিতিকে মৃত্যুর অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

পরে গত ৪ জুন হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। তবে তাদের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় বৃহস্পতিবার হাসপাতালটির লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। লাইসেন্স বাতিলের পর নতুন রোগী ভর্তি, বহির্বিভাগ ও জরুরি বিভাগের কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলেও আগে থেকে ভর্তি রোগীদের চিকিৎসা অব্যাহত রাখা হয় এবং দ্রুত অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের নির্দেশ দেওয়া হয়।

নেপালে বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ দূতাবাস

নিজস্ব প্রতিবেদক
নেপালে বিশিষ্টজনদের আম উপহার দিল বাংলাদেশ দূতাবাস
ছবি: কালের কণ্ঠ

বাংলাদেশ দূতাবাস এ বছরের “Season’s Best Compliments” উদ্যোগের আওতায় শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে নেপালের বিশিষ্টজনের মাঝে বাংলাদেশের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু আম উপহার প্রদান করেছে।

প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্যবৃন্দ, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিগণ এবং বাংলাদেশ ও এর জনগণের ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও শুভানুধ্যায়ীদের নিকট উপহার হিসেবে প্রেরণ করা হয়।

দূতাবাসের টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি,  স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যবৃন্দসহ ৩৬০ জনেরও বেশি সম্মানিত প্রাপকের কাছে আমের প্যাকেটসমূহ পৌঁছে দেন। 

আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করতে সেগুলো বাংলাবান্ধা বন্দর ব্যবহার করে, ফুলবাড়ি ল্যান্ডপোর্ট (শিলিগুড়ি সীমান্ত) এবং কাকরভিটা বন্দর (Nepal) হয়ে অতি  সতর্কতার সঙ্গে kathmandu পরিবহন করা হয়।

এ আমগুলো ছিল স্থানীয় জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের আম, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও প্রশংসিত।

এই শুভ উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। এ শুভেচ্ছা উপহার উভয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

নেপালে এ অনন্য “ম্যাংগো ডিপ্লোমেসি” উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়নে যারা অবদান রেখেছেন, বাংলাদেশ দূতাবাস তাঁদের সকলের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছে।

নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’

বাসস
নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের ‘ম্যাঙ্গো ডিপ্লোমেসি’

নেপালের কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশ দূতাবাস এ বছরের ‘সিজন’স বেস্ট কমপ্লিমেন্টস উদ্যোগের আওতায় শুভেচ্ছা ও সৌহার্দ্যের কূটনৈতিক নিদর্শন হিসেবে দেশটির বিশিষ্টজনের মাঝে দেশের উৎকৃষ্ট ও সুস্বাদু আম উপহার দিয়েছে।

প্রায় ১ হাজার ৭৫০ কেজিরও বেশি উন্নত মানের বাংলাদেশি আম কাঠমান্ডুতে অবস্থানরত নেপালের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা, রাষ্ট্রদূত ও কূটনৈতিক কোরের সদস্য, ব্যবসায়ী নেতা, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের কাছে উপহার হিসেবে পাঠানো হয়।

দূতাবাস টিম নেপালের রাষ্ট্রপতি, স্পিকার, মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ ৩৬০ জনেরও বেশি বিশিষ্ট ব্যক্তির কাছে আমের প্যাকেট পৌঁছে দেন।

আমগুলো বাংলাদেশের আমের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জের দুটি বাগান থেকে সদ্য সংগ্রহ করা হয়। গুণগত মান ও সতেজতা নিশ্চিত করে সেগুলো কাঠমান্ডু পাঠানো হয়।

স্থানীয় জিআই সনদপ্রাপ্ত জনপ্রিয় ‘ক্ষীরশাপাত’ জাতের এ আম দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম সুস্বাদু আম হিসেবে ব্যাপকভাবে সমাদৃত ও প্রশংসিত।

এই উদ্যোগ বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব এবং জনগণের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিফলন। এ শুভেচ্ছা উপহার উভয় বন্ধুত্বপূর্ণ দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় করতে উষ্ণতা, সদিচ্ছা ও কূটনৈতিক সৌহার্দ্যের প্রতীক হিসেবে কাজ করছে।

মুক্তিযোদ্ধা কোটা থাকবে, গ্রেপ্তাররাও ছাড়া পাবে না: প্রধানমন্ত্রী | কালের কণ্ঠ