kalerkantho


বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (৮)

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ১৮:২৭



বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি (৮)

বাংলা্ উচ্চারণের বিশেষ কিছু নিয়মকানুন রয়েছে। রেডিও-টিভিতে প্রচারিত খবর, আবৃত্তি বা শিল্পীর কণ্ঠে গান শুনতে গিয়ে আমরা বিষয়টি টের পাই।

বুঝতে পারি, আর দশজন থেকে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা রয়েছে। কিন্তু কিসে তাদের উচ্চারণে ভিন্নতা এনে দেয়, তা বুঝতে পারি না। 'বাংলা উচ্চারণের সংক্ষিপ্ত সূত্রাবলি' আত্মস্থ করার মধ্য দিয়ে আপনিও শুদ্ধ উচ্চারণে বাংলা বলা শিখে নিতে পারেন। আজ থাকছে অষ্টম পর্ব।

খাঁটি বাংলা শব্দ কিংবা পদে ক্ষেত্রবিশেষে অনু অ-এর উচ্চারণ ও-কারের মতো হয়ে থাকে। বাংলায় অনু অ-কার আগের ব্যঞ্জনবর্ণের সঙ্গে মিশে থাকে বলে প্রায়ই উচ্চারিত হয় না। ফলে সংস্কৃতিতে উচ্চারিত এই অ-ধ্বনিটি বাংলা উচ্চারণে লুপ্ত হয়ে হসন্তরূপে উচ্চারিত হয়ে থাকে্-নাক, কান, হাত, জাত, মান, খান, শান, জান, বান, গান, মলিন, পুলিন, কুলিন, তুহিন, সরল, গরল, তরল ইত্যাদি। কিন্তু ই-কার বা ও-কারের পর য় (ইয়) থাকলে সেই য়-র অন্তর্গত অ-এর উচ্চারণ লোপ পায় না-প্রিয়, পেয়, দেয়, বিধেয়, শ্রেয় ইত্যাদি। কতগুলো বিশেষণে কিংবা বিশেষণরূপে ব্যবহৃত পদে অন্তিম অ-কার লুপ্ত হয় না-কাল (কালো রং বা বর্ণ অর্থে) ছোট (ছোটো), খাট (খাটো), শ্বেত (শেতো), ভাল (ভালো শুভ অর্থে), হীন (হিনো), এত (অ্যাতো), যত (যতো), হেন (হ্যানো), যেন (জ্যানো), কেন (ক্যানো), এগার (অ্যাগারো), বার (বারো সংখ্যা অর্থে), সতের (শতেরো), পনের (পনেরো) ইত্যাদি।

সৌজন্যে- ভাষা শহিদ কলেজ, গাজীপুর


মন্তব্য