kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


পরিস্থিতি ঘোলাটে না করে বিচ্ছেদ ঘটানোর উপায়

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৮ অক্টোবর, ২০১৬ ১৫:৪১



পরিস্থিতি ঘোলাটে না করে বিচ্ছেদ ঘটানোর উপায়

বিচ্ছেদ খুব কষ্টদায়ক বিষয়। যদি সম্পর্কটা খুব গভীর থাকে তবে সত্যিই কষ্টদায়ক।

পরিস্থিতির বিচারে এমন হয় যে, বিচ্ছেদ ঘটাতেই হচ্ছে। আবার বিচ্ছেদ মানেই যে ব্যাপক দ্বন্দ্ব এমন কোনো কথা নেই। সবকিছু চুকে গেলেও পরিস্থিতি ঘোলাটে না করেও কাজটি সম্পন্ন করা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, বেশ কয়েকটি উপায়ে ঝামেলা সৃষ্টি না করেও বিচ্ছেদের পথে এগোনো যায়।

১. লিখে ফেলুন : ভাঙনের কারণগুলো লিখে ফেলুন। এতে করে আপনি সত্যিই সম্পর্ক নষ্ট করতে চাইছেন কিনা সে বিষয়টি স্পষ্ট হয়ে উঠবে। যদি অনিশ্চিত থাকেন, তবে হয়ত একটু আলাপচারিতায় সব মিটমাট হয়ে যাবে। যে বিষয়গুলো ঝামেলা সৃষ্টি করেছে সেগুলো নিয়ে আলাপ করুন। দুজনই ইতিবাচকভাবে কথা বলুন। দেখবেন, সব উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে। আবার সম্পর্ক শেষ করতেও একই পদ্ধতি অবলম্বন করতে পারেন।

২. যেভাবে পছন্দ করবেন : এমনভাবে বিচ্ছেদ ঘটান ঠিক যেভাবে আপনি বিচ্ছেদ ঘটাতে চান। নমনীয় থাকুন। মনে রাখবেন সবারই আবেগ-অনুভূতি রয়েছে। যেকোনো মানুষের জন্য বিচ্ছেদ একটা যন্ত্রণাদায়ক ঘটনা।

৩. 'আমি না, দায়ী তুমি' : এ ঘটনার পেছনে যৌক্তিক যুক্তি দেখান। এমন কথা বলবেন না যে, তার প্রতি আপনার আর কোনো ভালোবাসা নেই। কেবল দায় চাপানোর জন্যই এমনটা করবেন না। নিজের দোষ-ত্রুটিগুলো অপরজন তুলে ধরলে তা শুনুন এবং প্রাসঙ্গিক জবাব দিন।

৪. বন্ধুত্ব থাকবে? : যদি সত্যিকার অর্থেই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রাখতে চান, তবে তা বলুন। কেবল বলার জন্য বলবেন না। আসলেই বিচ্ছেদের পর ভালো সম্পর্ক রাখা যায়, যদি দুজনই চেয়ে থাকেন। ভদ্রোচিত আচরণের মাধ্যমে এ কাজটি করা যায়।

৫. ব্যক্তিগত পর্যায়ে রাখুন : বিচ্ছেদের ঘটনাটা গোপনভাবেই ঘটান। সবার সামনে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করবেন না। আবেগপ্রসূত কথা-বার্তার ক্ষেত্রে একে অপরের অপমান করার চেষ্টা করবেন না।

৬. শ্রদ্ধাবোধ রাখুন : স্রেফ টেক্সট করে জানিয়ে দেবেন না। অন্য কারো সঙ্গে অন্তরঙ্গ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়লেও এমন করবেন না। বিচ্ছেদ ঘটা মানেই যে তাকে অপদস্ত করতে হবে এমন কোনো কথা নেই। পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ধরে রাখুন। বিচ্ছেদের কথা বলতে কোনো বিশেষ সময়ের জন্য অপেক্ষায় থাকবেন না। যখন প্রয়োজন তখনই বলুন।

৭. নিজের বিষয়ে ভাবুন : যদি এমন হয় যে, যার সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটছে তার প্রতি আপনার বাজে ধারণা রয়েছে। তার সঙ্গে মুখোমুখি হওয়াটাকে আপনি অনিরাপদ মনে করছেন। সে ক্ষেত্রে ই-মেইল বা টেক্সট বা ফোনে আলাপচারিতা চলতে পারে। আর মুখোমুখি হতে হলে সঙ্গে বন্ধুকে নিয়ে নিন।
সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট

 


মন্তব্য