kalerkantho


বাংলাদেশের বাজারে স্যামসাং গ্যালাক্সি জে৪+ ও জে৬+

কালের কণ্ঠ অনলাইন   

৩০ অক্টোবর, ২০১৮ ১৯:১৫



বাংলাদেশের বাজারে স্যামসাং গ্যালাক্সি জে৪+ ও জে৬+

স্যামসাং জে সিরিজের নতুন ও সাশ্রয়ী মডেল জে৪+ এবং জে৬+ দেশের বাজারে এনেছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি ও স্মার্টফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি। তরুণদের জন্য আধুনিক ফিচার যুক্ত করে সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইনের সমন্বয়ে তৈরি করা হয়েছে জে৪+ এবং জে৬+।

স্যামসাং-এর ধারাবাহিক এলিগেন্ট ডিজাইন মাথায় রেখেই তৈরি করা হয়েছে নতুন ডিভাইস দুইটি। এছাড়া প্রিমিয়াম গ্লাস ব্যাক ফিনিশ প্রথমবারের মতো জে সিরিজের ডিভাইসে ব্যবহার করা হয়েছে। 

তরুণ স্মার্টফোন ব্যবহারকারীরা চমৎকার গোল্ডেন, ব্ল্যাক ও ব্লু এর মধ্যে থেকে জে৪+ক্রয় করতে পারবেন। এছাড়া ব্লু, ব্ল্যাক কালার ছাড়াও প্রথমবারের মতো স্যামসাং স্মার্টফোন লাইন-আপের গ্যালাক্সি জে৬+ রেড কালারে পাওয়া যাবে।

৬ ইঞ্চির ট্রু এইচডি+ ইনফিনিটি ডিসপ্লে এবং বিল্ট-ইন ডলবি অ্যাটমস অডিও ইঞ্জিনের মাধ্যমে গ্যালাক্সি জে৪+ ও গ্যালাক্সি জে৬+-এর অডিও-ভিজ্যুয়ালের অভিজ্ঞতা হবে অনন্য।

এ প্রসঙ্গে স্যামসাং বাংলাদেশের হেড অব মোবাইল মো. মূয়ীদুর রহমান বলেন, ‘বাংলাদেশের বাজারে গ্যালাক্সি জে সিরিজ হচ্ছে আমাদের সর্বাধিক বিক্রিত সিরিজ আর এ সিরিজটি তরুণদের মাঝে বেশ জনপ্রিয়। এবার উক্ত সিরিজের নতুন দুটি ডিভাইস জে৪+ এবং জে৬+ দেশের বাজারে নিয়ে আসা হয়েছে সম্পূর্ণ নতুন ডিজাইন ও মনকাড়া সব রং-এর মিশ্রন ঘটিয়ে তাদের জন্যই যারা বাজেটের মধ্যে বেশি কিছু চায়।’

গ্যালাক্সি জে৪+ ডিভাইসটির পেছনে ১৩ এবং সামনে ৫ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে আনন্দঘন মূহুর্তগুলো স্মৃতিতে ধরে রাখতে গ্যালাক্সি জে৬+ -এ দেয়া হয়েছে ১৩+৫ মেগাপিক্সেলের ডুয়েল লেন্সসমৃদ্ধ রিয়ার ক্যামেরা, যা দিয়ে যেকোনো আলোতে দূর্দান্ত ছবি তোলা সম্ভব। এছাড়া ডিভাইসটির সামনে সেলফি ফ্ল্যাশসমৃদ্ধ ৮ মেগাপিক্সেলের ফ্রন্ট ক্যামেরা যুক্ত করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গ্যালাক্সি জে৬+ -এ ব্যবহার করা হয়েছে সাইড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর আর এই ফিচারটিও যেকোনো গ্যালাক্সি ডিভাইসে প্রথম। ফোনের এ ফিচারটি নিশ্চিৎ করে দ্রুত, সহজ এবং কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

দেশব্যাপি স্যামসাং স্টোরসহ অনুমোদিত সব মোবাইল আউটলেটগুলোতে স্যামসাং গ্যালাক্সি জে৪+ এবং জে৬+ যথাক্রমে ১৫ হাজার ৯৯০ টাকা এবং ১৮ হাজার ৯৯০ টাকায় ক্রয় করতে পারবেন আগ্রহী ক্রেতারা।



মন্তব্য