• ই-পেপার

ইবিতে পিঠা উৎসব

এইচএসসির সময়সূচি নিয়ে জরুরি সতর্ক বার্তা

অনলাইন ডেস্ক
এইচএসসির সময়সূচি নিয়ে জরুরি সতর্ক বার্তা
সংগৃহীত ছবি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার সূচি পরিবর্তনের নামে ছড়ানো একটি বিজ্ঞপ্তিকে সম্পূর্ণ ভুয়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি। এমন বিভ্রান্তিকর তথ্য বিশ্বাস বা শেয়ার না করার জন্য শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে।

(২১ জুলাই) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক জেসমিন তাসলিমা বানু স্বাক্ষরিত এক জরুরি গণবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সংশ্লিষ্ট সকল পরীক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান, কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এবং জনসাধারণের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি’-এর নামে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের জুলাই মাসের ২৭ তারিখ থেকে পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী পরীক্ষা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে মর্মে যে বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তি প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য, উদ্দেশ্য প্রণোদিত।

এতে আরো জানানো হয়, এ ধরনের অসত্য ও বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞপ্তির সঙ্গে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অথবা বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সকলকে অনুরোধ করা যাচ্ছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত কোনো তথ্য যাচাই-বাছাই ছাড়া বিশ্বাস বা শেয়ার করবেন না। পরীক্ষা সংক্রান্ত সকল সিদ্ধান্ত, বিজ্ঞপ্তি ও নির্দেশনা শুধুমাত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটি এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডসমূহের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ও ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করা হয়।

জনস্বার্থে সবাইকে গুজব ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার থেকে বিরত থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে টিটির মারধর, প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ট্রেনে রাবি শিক্ষার্থীকে টিটির মারধর, প্রতিবাদে রেলপথ অবরোধ
সংগৃহীত ছবি

ট্রেনে রসিদ ছাড়া যাত্রীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়ার প্রতিবাদ করায়রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে টিকিট চেকার (টিটি) মারধর করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে অভিযুক্ত টিটির শাস্তিসহ চার দফা দাবিতে মঙ্গলবার (২১ জুলাই) রাজশাহী-ঢাকা রেলপথ অবরোধ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এতে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।

ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। তার অভিযোগ, মঙ্গলবার পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে ভ্রমণের সময় টিকিট চেক করার একপর্যায়ে তিনি নিজের টিকিট টিটির কাছে প্রদর্শন করেন। এ সময় সামনের আসনে বসা দুই যাত্রীর টিকিট না দেখে তাদের কাছ থেকে টাকা নিতে দেখেন। বিষয়টির প্রতিবাদ করতেই পেছন থেকে এক টিটি তার ওপর হামলা চালান।

এ ঘটনায় শিক্ষার্থীরা চার দফা দাবি জানিয়েছেন। দাবিগুলো হলো—অভিযুক্ত টিটি সুমনকে সশরীরে শিক্ষার্থীদের সামনে হাজির করা, ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্থায়ী বহিষ্কারের ব্যবস্থা করা, ভুক্তভোগীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে রেল কর্তৃপক্ষকে বাদী হয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া, মারধরের শিকার শিক্ষার্থীকে উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ দেওয়া এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় রেলস্টেশনে সব দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাবিরতি নিশ্চিত করা।

ভুক্তভোগী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘টিটি যখন টিকিট চেক করছিলেন, তখন আমি আমার টিকিট দেখায়। কিন্তু সামনের সিটে থাকা দুজনের টিকিট না দেখে তাদের কাছ থেকে টাকা নিতে দেখি। এর প্রতিবাদ করায় পেছন থেকে একজন টিটি আমার ওপর হামলা করেন। আমাকে গলা চেপে, পায়ে আঘাত করে এবং টেনেহিঁচড়ে ফেলে দেওয়া হয়। তারা আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছে।’

ঘটনার পর বিষয়টি সমাধানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজশাহী রেলস্টেশনে গেলে অভিযুক্ত টিটিকে সেখানে পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন তারা। এছাড়া ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে আগের একটি স্টেশনে নামিয়ে দেওয়া হয় বলেও দাবি তাদের। পরে শিক্ষার্থীরা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন রেললাইনে অবস্থান নিয়ে অবরোধ শুরু করেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)  সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘রেলের একটি সার্বজনীন অনিয়মের প্রতিবাদ করায় আমাদের শিক্ষার্থীকে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। ট্রেনের টিটির বিরুদ্ধে যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও অনিয়মের শত শত অভিযোগ রয়েছে। আমরা প্রথমে আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেছি। কিন্তু রেল কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি এবং অভিযুক্ত টিটিকেও হাজির করতে পারেনি। তাই আমরা রেললাইন অবরোধে বাধ্য হয়েছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীকে মারধর করে আবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর দিয়ে ট্রেন চলাচল করবে এটা হতে পারে না। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হলে আমরা অবরোধ প্রত্যাহারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমাদের একজন শিক্ষার্থী টিটির মারধরের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পেয়েছি। এর প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা রেললাইন অবরোধ করেছে। বিষয়টি নিয়ে রেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আমাদের যোগাযোগ হয়েছে। তারা আলোচনায় বসতে রাজি আছে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।’

এদিকে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের প্রধান বাণিজ্যিক ব্যবস্থাপক (সিসিএম) হাবিবুর রহমান বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের অবরোধের কারণে আমাদের দুটি আন্তঃনগর ও একটি মেইল ট্রেনের নির্ধারিত সূচি বিলম্বিত হয়েছে। ট্রেনগুলো রাজশাহী স্টেশন থেকে ছেড়ে যেতে পারেনি। আমরা সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছি।’

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

অনলাইন ডেস্ক
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনার্স ১ম বর্ষের পরীক্ষার তারিখ পরিবর্তন

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের অনার্স প্রথম বর্ষের পরীক্ষার তারিখ অনিবার্য কারণবশত পরিবর্তন করা হয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষাটি ২৮ জুলাই হবে। পরিবর্তিত তারিখের পরীক্ষাটি ২১১৫২১ এবং ২১১৫০১ পত্রকোডের জন্য প্রযোজ্য।

সোমবার (২০ জুলাই) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।  

পরীক্ষার পূর্বঘোষিত কেন্দ্র ও সময়সূচিসহ অন্যান্য সব শর্তাবলি অপরিবর্তিত থাকবে। পরীক্ষা সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে (www.nu.ac.bd) পাওয়া যাবে। 

ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি
ঢাবির বিজয় একাত্তর হলে শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ, তদন্ত কমিটি গঠন
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলে ওয়াশরুম ব্যবহারকে কেন্দ্র করে এক শিক্ষার্থীকে মারধর ও হুমকির অভিযোগ উঠেছে একই হলের আরেক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। তবে অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছেন, নারী অতিথিরা ওয়াশরুমে থাকায় বাধা দেওয়া নিয়ে ২ জনের মধ্যে কেবল উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও ধাক্কাধাক্কি হয়েছে। এ ঘটনায় পরস্পরবিরোধী অভিযোগ ওঠায় প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটনে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন।

রবিবার (২০ জুলাই) রাত ১২টার দিকে বিজয় একাত্তর হলের গেস্টরুম-সংলগ্ন ওয়াশরুমের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী আহমেদ শাহরিয়ার নীড় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য। অন্যদিকে অভিযুক্ত আবদুল্লাহ আল মাহফুজ বাংলা বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার পর বিচার চেয়ে হল প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নীড়।

লিখিত অভিযোগে আহমেদ শাহরিয়ার নীড় উল্লেখ করেন, ‘তিনি গেস্টরুম-সংলগ্ন ওয়াশরুম ব্যবহার করতে গেলে মাহফুজ তাকে বাধা দেন এবং অন্য ওয়াশরুম ব্যবহার করতে বলেন। অন্যগুলো তালাবদ্ধ থাকায় তিনি ফিরে এলে মাহফুজ ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগাল করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, মাহফুজ তাকে বলেন, ‘তুই আজকে সারা রাত মুতবি না। এখানে দাঁড়িয়ে থাকবি। আমি তোর সিনিয়র, আমি তোর বাপ।’ এ ছাড়া তাকে রুমে গিয়ে ‘গেস্টরুম’ করার হুমকি দেওয়া হয় এবং একপর্যায়ে শারীরিকভাবে মারধর করে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন মাহফুজ। নীড়ের দাবি, অভিযুক্ত শিক্ষার্থী ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

মারধরের অভিযোগ ও ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সম্পৃক্ততার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন আবদুল্লাহ আল মাহফুজ। তিনি বলেন, রবিবার রাতে বিশ্বকাপ ফুটবল দেখতে ক্যাম্পাসের কয়েকজন নারী শিক্ষার্থী গেটম্যানের অনুমতি নিয়ে হলপাড়ায় আসেন। তারা ওই ওয়াশরুমটি ব্যবহার করছিলেন। এ সময় নীড় তাড়াহুড়ো করে ভেতরে প্রবেশ করতে চাইলে তাকে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করতে বলা হয়। কিন্তু তিনি জোর করে ভেতরে যেতে চাইলে দুজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি হয়। মারধরের অভিযোগ সঠিক নয় দাবি করে মাহফুজ বলেন, ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে এবং তাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে। পরদিন ভোরে কয়েকজন তার কক্ষে গিয়ে মারধরের চেষ্টাও করে। প্রকৃত ঘটনা জানতে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনার দাবি জানান।

ঘটনার আংশিক প্রত্যক্ষদর্শী হিসেবে রাশেদ নামে এক শিক্ষার্থী হলের অভ্যন্তরীণ গ্রুপে জানান, তিনি অভিযুক্ত মাহফুজকে গালাগাল ও হুমকি দিতে শুনেছেন। অন্যদিকে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী শিক্ষার্থী জানান, তারা অনুমতি নিয়ে ওয়াশরুম ব্যবহার করার সময় এক শিক্ষার্থী জোর করে প্রবেশ করতে চান। অপেক্ষা করতে বললে তিনি উত্তেজিত আচরণ করেন, যা থেকে বাগবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোয় তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত বলে জানান এবং প্রয়োজনে তদন্ত কমিটির কাছে সাক্ষ্য দেওয়ার কথা বলেন।

অভিযুক্ত মাহফুজের বিষয়ে ঢাবি ছাত্রশিবিরের প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো. মিফতাহুল হোসাইন আল মারুফ বলেন, ‘মাহফুজের সঙ্গে ছাত্রশিবিরের সাংগঠনিক কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। ডাকসু নির্বাচনের সময় তিনি সাদিক কায়েমকে সমর্থন করেছিলেন মাত্র।’ ছাত্রশিবির সব ধরনের নির্যাতনের বিরুদ্ধে উল্লেখ করে তিনি সিসিটিভি ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্যের ভিত্তিতে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানান।

সার্বিক বিষয়ে বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. স ম আলী রেজা বলেন, ‘ঘটনাটি নিয়ে পরস্পরবিরোধী অভিযোগ পাওয়ায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। আগামী ৪-৫  কর্মদিবসের মধ্যে কমিটিকে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, সিসিটিভি ফুটেজে শব্দ না থাকায় এবং ঘটনার কিছু অংশ ওয়াশরুমের ভেতরে ঘটায় তা দেখে পুরো ঘটনার স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায়নি। তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য নিয়ে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করবে।

ইবিতে পিঠা উৎসব | কালের কণ্ঠ