• ই-পেপার

বুলুর সঙ্গে ফোনালাপে ফখরুলের তীব্র সমালোচনায় মওদুদ!

মির্জা ফখরুলের সঙ্গে পদবঞ্চিত যুবদল নেতাদের সাক্ষাৎ

নিজস্ব প্রতিবেদক
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে পদবঞ্চিত যুবদল নেতাদের সাক্ষাৎ

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন যুবদলের পদবঞ্চিত নেতারা। এ সময় তারা বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ করে স্মারকলিপি দেওয়ার ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানান।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) সকালে রাজধানীর হেয়ার রোডের মির্জা ফখরুলের ইসলামের সরকারি বাসভবনে এ সাক্ষাৎ হয়। এতে যুবদলের পদবঞ্চিত নেতাদের মধ্যে অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ জন উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে অংশ নেওয়া নেতাদের মধ্যে ছিলেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলাম রফিক, মো. হুমায়ুন কবির, সাজ্জাদ হোসেন উজ্জ্বল, জাকির হোসেন খান, যুবদলের কেন্দ্রীয় কমিটির গ্রাম সরকার বিষয়ক সাবেক সম্পাদক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম রিয়ন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবুল হাসান প্রমুখ।

বিএনপি নেত্রী মনির বক্তব্য ‘প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির

অনলাইন ডেস্ক
বিএনপি নেত্রী মনির বক্তব্য ‘প্রত্যাখ্যান’ ছাত্রদল সভাপতির

জুলাই গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনির বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাকিব বলেন, ‘প্রিয় নিলোফার চৌধুরী মনি আপা, এমপি, আপনি দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামের সারথি ছিলেন। গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনার অনবদ্য ভূমিকা রয়েছে। কিন্তু গতকাল টক শোতে জুলাই আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে আপনার অযাচিত বক্তব্যে আমরা অত্যন্ত মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ। আপনার বক্তব্য আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।’

ছাত্রদল সভাপতি আরো বলেন, ‘আমরা অবগত রয়েছি, আপনি জুলাইয়ের চেতনা ধারণকারী একজন দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদ। সেহেতু জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থান নিয়ে বক্তব্যে আপনি আরো বেশি সংযত ও শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবেন, সেই প্রত্যাশা করি।’

জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জুলাই-আগস্ট গণ-অভ্যুত্থান স্মরণে ছাত্রদলের মাসব্যাপী কর্মসূচি
সংগৃহীত ছবি

২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট মাসে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের স্মরণ, শহীদ ও আহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে বিএনপির সহযোগী সংগঠন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।

বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। বিষয়টি গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান সংগঠনের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঐতিহাসিক স্মৃতি সংরক্ষণ, অংশীজনদের অবদানের স্বীকৃতি, ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠা এবং দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সংগ্রামের বিজয়ের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে এ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১ জুলাইয়ের প্রথম প্রহরে জাতীয় শহীদ মিনারে ‘আলোয় আলোয় স্মৃতি সমুজ্জ্বল’ শীর্ষক কর্মসূচিতে সমবেত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও মোমবাতি প্রজ্বালন করা হয়।

পরবর্তী কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে— ১৫ জুলাই টিএসসি অডিটরিয়ামে ‘গণ-অভ্যুত্থানের বাঁক বদলের দিন’ শীর্ষক আলোচনাসভা; ১৬ জুলাই চট্টগ্রাম ও রংপুর বিভাগে ছাত্র সমাবেশ এবং একই দিনে সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা ও মহানগর শাখায় স্মরণসভা।

১৮ জুলাই ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার কর্মসূচি, ২০ জুলাই ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অবদান’ শীর্ষক স্মরণসভা, এবং ২১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ‘প্রতীকী জুলাই’ শীর্ষক লাইভ পারফরম্যান্স অনুষ্ঠিত হবে।

একই দিনে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, চিত্র প্রদর্শনী, কবিতা উৎসব ও পথনাটক আয়োজন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

২২ জুলাই শহীদদের আত্মার মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদসহ সারা দেশে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।

২৪ ও ২৫ জুলাই সারা দেশে বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা, মহানগর, উপজেলা, কলেজ ও পৌর ইউনিট নেতারা শহীদদের কবর জিয়ারত করবেন এবং শহীদ পরিবারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপহারসামগ্রী পৌঁছে দেবেন।

৩ আগস্ট জাতীয় শহীদ মিনারে ছাত্রসমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে, যেখানে প্রধান অতিথি হিসেবে বিএনপির চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন বলে জানানো হয়েছে।

ফুয়াদকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান নাছিরের

অনলাইন ডেস্ক
ফুয়াদকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে ক্ষমা চাওয়ার আহ্বান নাছিরের
সংগৃহীত ছবি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদের দেওয়া বক্তব্য প্রত্যাহারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে ছাত্রদলের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এই আহ্বান জানান।

সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের একটি বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনায় এসেছে। যেখানে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) প্রাসঙ্গিকতা, শিক্ষার মান এবং শিক্ষকদের আদর্শিক অবস্থান নিয়ে তীব্র সমালোচনা করেছেন। বক্তব্যে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বর্তমানে সচল থাকার কোনো প্রয়োজন আছে কি না এমন প্রশ্নও তোলেন। 

ফুয়াদের বক্তব্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি আক্রোশ বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। এর কারণ হিসেবে ওই পোস্টে বলা হয়েছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের যে যে বাঁকে বাংলাদেশের পক্ষে অবদান রেখেছে, সেই সেই বাঁকে বাংলাদেশের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে ফুয়াদ সাহেবের পেয়ারের সংগঠন জামায়াতে ইসলামী।

১৯৪৭-এর দেশভাগ, ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন,  ১৯৭১-এর মহান স্বাধীনতাযুদ্ধ ও বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জন্ম, ১৯৯০-এর  স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন—সব জায়গায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ইতিহাসের ঠিক প্রান্তে ছিল বলে দাবি করেছে ছাত্রদল। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নাছির বলেন, ‘ফুয়াদ সাহেবের প্রিয় জামায়াতে ইসলামী ছিল দেশ ও জনগণের বিপক্ষে, ইতিহাসের ভুল প্রান্তে। এই ভুলের গ্লানি ও ক্ষোভ ফুয়াদ সাহেবরা মননে লালন করেন।’

ঢাবি নিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদের এই বক্তব্য শুধু ঔদ্ধত্যপূর্ণই নয়, পাশাপাশি ইতিহাসের ভুল ব্যাখ্যা বলে মন্তব্য নাছিরের। ছাত্রদল বলছে, এই বক্তব্যের মাধ্যমে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গৌরবময় ইতিহাসকে কলঙ্কিত করার অপচেষ্টা করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে অবমাননাকর ও অসত্য বক্তব্যের জন্য তাকে অবশ্যই ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে এবং অতিদ্রুত তাকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে হবে।

বুলুর সঙ্গে ফোনালাপে ফখরুলের তীব্র সমালোচনায় মওদুদ! | কালের কণ্ঠ