• ই-পেপার

অরিত্রী আত্মহত্যা

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ ও শাখা প্রধানের বিরুদ্ধে চার্জশিট

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির রায় আজ

অনলাইন ডেস্ক
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির রায় আজ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি এবং আরো দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আজ রবিবার। গত ১৫ জুন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের এ দিন ধার্য করেন।

ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি শফিউল আলম ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গতকাল শনিবার প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম সাংবাদিকদের জানান, মামলার রায় ঘোষণা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

এ মামলার আসামি পাঁচজন। এর মধ্যে পলাতক চারজন। তারা হলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। 
গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে। গত ১৫ জুন তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এদিন এ মামলায় দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ।

এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। এ ঘটনায় চঞ্চল সরকারের মক্কেলের সম্পৃক্ততা নেই উল্লেখ করে মামলার অভিযোগ থেকে তার অব্যাহতি চান তিনি। তবে পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। এর আগে গত ১০ জুন পুনরায় সাফাই সাক্ষ্য দেন চঞ্চল চন্দ্র সরকার।

পুনর্সাক্ষ্যে এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখানো ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আনেন তিনি। চলতি বছর ১৩ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষ্য দিয়েছিলেন এই আসামি।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি; শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে ওর দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের আরো এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন রায় ঘোষণা করা হয়নি।

মানবতাবিরোধী অপরাধ

রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির রায় কাল

নিজস্ব প্রতিবেদক
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলির রায় কাল
ছবি: কালের কণ্ঠ

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় নির্মাণাধীন ভবনের কার্নিশে ঝুলে থাকা তরুণকে গুলি এবং আরো দুজনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায়  কাল রবিবার।

গত ১৫ জুন বিচারপতি মো. গোলাম মর্তুজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ রায়ের এ দিন ধার্য করেন। ট্রাইব্যুনালের অপর দুই সদস্য হলেন, বিচারপতি শফিউল আলম ও বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

গতকাল শনিবার প্রসিকিউটর গাজী মোনাওয়ার হুসাইন তামীম সাংবাদিকদের জানান, মামলার রায় ঘোষণা ট্রাইব্যুনালের অনুমতি সাপেক্ষে বিটিভিতে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে।

এ মামলার আসামি পাঁচজন। এর মধ্যে পলাতক চারজন। তারা হলেন, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, খিলগাঁও অঞ্চলের সাবেক এডিসি মো. রাশেদুল ইসলাম, রামপুরা থানার সাবেক ওসি মশিউর রহমান ও সাবেক এসআই তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া। গ্রেপ্তার করে কারাগারে রাখা হয়েছে, পুলিশের সাবেক সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) চঞ্চল চন্দ্র সরকারকে। গত ১৫ জুন তাঁকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। এদিন এ মামলায় দ্বিতীয় দফায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। এরপর রায় ঘোষণার দিন ধার‌্য করেন ট্রাইব্যুনাল। আসামি চঞ্চল চন্দ্র সরকারের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী সারওয়ার জাহান নিপ্পন। এ ঘটনায় চঞ্চল সরকারের মক্কেলের সম্পৃক্ততা নেই উল্লেখ করে মামলার অভিযোগ থেকে তাঁর অব্যাহতি চান তিনি। তবে পাঁচ আসামিরই সর্বোচ্চ শাস্তি চান চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

এর আগে গত ১০ জুন পুনরায় সাফাই সাক্ষ্য দেন চঞ্চল চন্দ্র সরকার। পুনর্সাক্ষ্যে এক প্রসিকিউটরের বিরুদ্ধে ভয়ভীতি দেখানো ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগ আনেন তিনি। চলতি বছর ১৩ জানুয়ারি প্রথম সাক্ষ্য দিয়েছিলেন এই আসামি।

আসামিদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় রাজধানীর রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবক আমির হোসেনকে গুলি; শিশু বাসিত খান মুসার (৭) মাথা ভেদ করে ওর দাদি মায়া ইসলামের মৃত্যু এবং মো. নাদিম নামের আরও এক ব্যক্তিকে হত্যার অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ৪ মার্চ এ মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়েছিল। তবে প্রসিকিউশনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সেদিন রায় ঘোষণা করা হয়নি।

পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার সময় আটক শিক্ষার্থী নাজিম কারাগারে

নিজস্ব প্রতিবেদক
পরীক্ষার হল থেকে বের হওয়ার সময় আটক শিক্ষার্থী নাজিম কারাগারে

রাজধানীর সরকারি তিতুমীর কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় একদল যুবকের হাতে মারধরের শিকার ও পরবর্তীতে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা শিক্ষার্থী নাজিম উদ দৌলাকে (২৫) কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বনানী থানার একটি সন্ত্রাসবিরোধী ও বিস্ফোরক আইনের মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে শুক্রবার (২৬ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এ দিন আদালতে আসামি নাজিম উদ দৌলার পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন রাখি। তিনি বলেন, তিতুমীর কলেজ থেকে পরীক্ষা দিয়ে বের হওয়ার সময় নাজিম উদ দৌলাকে মব করে মেরে একদল লোক তাকে পুলিশে ধরিয়ে দেয়। তিনি কোনো ধরনের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত নন। তবে আদালত জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন।

​অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানী থানাধীন ১১ নম্বর ও ৬ নম্বর রোডের সংযোগস্থলে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বিরুদ্ধে মিছিল এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। ওই ঘটনায় হওয়া মামলার সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে গতকাল তিতুমীর কলেজ এলাকা থেকে নাজিমকে গ্রেপ্তার করে বনানী থানা পুলিশ। তিনি কুড়িগ্রামের রৌমারী থানার জাদু চর গ্রামের মমিনুল ইসলামের ছেলে। তিনি বর্তমানে গাজীপুরের বাসন থানার টেকনোপাড়া এলাকায় বসবাস করছিলেন।

পুলিশের আটক রাখার আবেদন থেকে জানা গেছে, গতকাল তিতুমীর কলেজ প্রাঙ্গণে আটক হওয়ার সময় ধস্তাধস্তিতে নাজিম আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরবর্তীতে পুলিশ তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়ে চিকিৎসার জন্য কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে পাঠায় এবং সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে থানায় নিয়ে আসে। পরে আজ বিকেলে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার এসআই কামাল হোসেন আসামিকে আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন জানালে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

আদালতে প্রক্সি দেওয়া নারী ২ দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদক
আদালতে প্রক্সি দেওয়া নারী ২ দিনের রিমান্ডে
ছবি: কালের কণ্ঠ

ঢাকার আদালতে ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনার মামলায় প্রকৃত আসামির পরিবর্তে আদালতে হাজির হয়ে ধরা পড়া মনোয়ারা বেগমকে দুই দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

শুক্রবার (২৬ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম মামলার তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পর এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই কামরুল ইসলাম।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ ২৯ লাখ টাকার চেক ডিজঅনারের অভিযোগে নিবেদিতা আহমেদ তুলি নামে এক সরকারি চাকরিজীবী মামলা করেন। মামলার আসামি নাসরিন সিকদার নির্ধারিত তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১৬ জুন তার জামিন বাতিল করে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকার চতুর্থ যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ তানিয়া সুলতানা লিপি। পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয় ২০ আগস্ট।

বৃহস্পতিবার নাসরিন সিকদারের পরিবর্তে মনোয়ারা বেগমকে আদালতে হাজির করে জামিন আবেদন করেন আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন। শুনানির সময় বিচারকের সন্দেহ হলে মনোয়ারাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পরে পরিচয়পত্র ও নথি যাচাই করে তিনি প্রকৃত আসামি নন বলে নিশ্চিত হন আদালত। এরপর তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে আদালতের বেঞ্চ সহকারী মিয়া মো. ইব্রাহিম খলিল অপু নাসরিন সিকদার, মনোয়ারা বেগম ও আইনজীবী মো. হাম্মাদ এমদাদ হোসাইনসহ অজ্ঞাতনামা আরও এক বা একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

শুক্রবার মনোয়ারাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়ালিদ হোসেন তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করেন।

শুনানির সময় বিচারক মনোয়ারাকে জিজ্ঞাসা করেন, তিনি আগে কখনও এ ধরনের কাজ করেছেন কি না। জবাবে তিনি বলেন, ‘না।’ নাসরিন সিকদারের সঙ্গে তার কী সম্পর্ক জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘কিছু না।’ কেন তিনি অন্যের পরিচয়ে আদালতে হাজির হয়েছেন—এ প্রশ্নের জবাবে মনোয়ারা বলেন, ‘আমি চেম্বারে কাজ করি। উকিল নিয়ে গেছে।’

পরে বিচারক তাকে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে ঘটনার বিস্তারিত জানাতে বলেন এবং দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে, নাসরিন সিকদার ও আইনজীবী হাম্মাদ এমদাদ হোসাইন অর্থের প্রলোভন দেখিয়ে মনোয়ারাকে প্রকৃত আসামি সাজিয়ে আদালতে হাজির হতে প্ররোচিত করেন। এভাবে তারা আদালতকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছেন এবং বিচারিক কার্যক্রমে প্রতারণা ও জালিয়াতির আশ্রয় নিয়েছেন।

ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ ও শাখা প্রধানের বিরুদ্ধে চার্জশিট | কালের কণ্ঠ