kalerkantho

দ্বিতীয় রাজধানী প্রতিদিন

মেয়র নাছির বলেন

বঙ্গবন্ধু ও জেলহত্যার সুবিধাভোগীদের সঙ্গে আঁতাতকারীরা বেঈমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

৪ নভেম্বর, ২০১৮ ০২:১৫



বঙ্গবন্ধু ও জেলহত্যার সুবিধাভোগীদের সঙ্গে আঁতাতকারীরা বেঈমান

মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। ফাইল ছবি

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার পেছনে জিয়াউর রহমানের প্রত্যক্ষ ইন্ধন ছিল। তিনি হত্যাকারীদের রক্ষার জন্য ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ সংসদে পাস করিয়েছিলেন। তাই বঙ্গবন্ধু ও জেলহত্যার সুবিধাভোগীদের সঙ্গে রাজনৈতিক আঁতাতকারীরা জাতীয় বেঈমান। তাদের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগ সব সময় রাজপথে থাকবে।’ 

গতকাল শনিবার বিকেলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার চত্বরে মহানগর আওয়ামী লীগের উদ্যোগে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে মহানগর অওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন এসব কথা বলেন। 

নাসির উদ্দীন বলেন, জেলহত্যাকারীদের রক্ষার জন্য পৃথিবীর কোনো দেশের সংসদে এ ধরনের জংলি ও অসভ্য আইন পাস করানোর নজির নেই। এই হত্যাকারীদের যারা রক্ষায় নানাভাবে ছলাকলা করেছে, তাদের সঙ্গে আঁতাত করে কেউ কেউ বর্তমান সরকারকে ধাক্কা দেওয়ার ষড়যন্ত্র করছে। তিনি আরো বলেন, ‘জেল হচ্ছে সবচেয়ে নিরাপদ একটি জায়গা। এই জায়গাতেই বঙ্গবন্ধুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ও আস্থাভাজন রাজনৈতিক সহচর জাতীয় চার নেতাকে হত্যা করে পৃথিবীর ইতিহাসে আরেকটি কলঙ্কিত অধ্যায় রচনা করা হয়েছিল। এই অধ্যায়টি বাংলাদেশে মধ্যযুগীয় বর্বরতার চেয়েও ভয়াবহ।’

নাছির উদ্দীন বলেন, বাংলাদেশ আজ সারা বিশ্বে গণমানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের জন্য এবং মানবতার শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য প্রশংসিত। এই ধারা অব্যাহত রাখতে আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নৌকার বিজয় ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই। 

মহানগর আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাহতাব উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যা ও জেলহত্যার মাধ্যমে একাত্তরের পরাজিত শক্তি চেয়েছিল আওয়ামী লীগ ও বাঙালি জাতিসত্তাকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে। কিন্তু তাদের স্বপ্ন পূরণ হয়নি। শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিতে আজ তারা ইতিহাসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হয়েছে।’ 

মাহতাব উদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এবং মহানগর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক শফিকুল ইসলাম ফারুকের সঞ্চালনায় আয়োজিত সমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি নঈম উদ্দিন চৌধুরী, অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম হোসেন চৌধুরী বাবুল, খোরশেদ আলম সুজন, জহিরুল আলম দোভাষ, আলতাফ হোসেন চৌধুরী বাচ্চু প্রমুখ।



মন্তব্য