kalerkantho


শিশুর ঈদের পোশাক

এটুজেড প্রতিবেদক   

৭ জুলাই, ২০১৪ ০০:০০



শিশুর ঈদের পোশাক

এড্রয়েট

বেশির ভাগ ফ্যাশন হাউসই বড়দের পাশাপাশি ছোটদের জন্যও রাখে ঈদের পোশাক। আবার কয়েকটি ফ্যাশন হাউস শুধু শিশুদের পোশাক নিয়েই কাজ করে। তাই তাদের আয়োজন আর উৎসাহও বেশি। এমন একটি ফ্যাশন হাউস বসুন্ধরা সিটির লেভেল-৪ এর শৈশব। এখানে নবজাতক থেকে শুরু করে ১৬ বছরের শিশুদের জন্য বিভিন্ন ধরনের ঈদের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। যেমন চেক ফতুয়া, এক্সট্রা টপ, টি-শার্ট, ফ্রক, শার্ট, ২-৩ বছরের বাচ্চাদের পাঞ্জাবি-পায়জামা, শার্ট, টি-শার্ট, প্যান্ট, পার্টি টি-শার্ট, ঘাগরা সেট, লেহেঙ্গা, রেডি শাড়ি, ফ্রক, থ্রিপিস, স্কার্ট টপস, প্যান্ট, জিন্স টপ, জিন্স প্যান্ট, পার্টি ড্রেস ইত্যাদি। শৈশবের ব্যবস্থাপক রায়হানের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এবারের ঈদে ৫০টি নতুন ডিজাইনের পোশাক এনেছেন।

এ ছাড়া নগরদোলা, সাদাকালো, অন্যমেলা, নিত্য উপহার, আড়ং, রঙ, দেশাল, প্রবর্তনা, নিপুণ, অঞ্জন'স, ওটু, চাঁদের হাসি, ইনফিনিটিসহ প্রায় সব ধরনের ফ্যাশন হাউসই বড়দের পাশাপাশি ছোটদের পোশাকে তুলে ধরেছে নিজস্ব ডিজাইন।

শিশুদের জন্য এবারও বিভিন্ন ডিজাইনের স্যুট, কোট, রাবার বেল্টের টাই, হালকা ডিজাইনের রঙিন গেঞ্জি, পাঞ্জাবি, ফতুয়া, থ্রিপিস এবং শাড়ি এনেছে ইনফিনিটি।

আড়ং এনেছে বিভিন্ন ফ্রক ও ফ্রিলের পার্টি ফ্রক। আরো রয়েছে সালোয়ার-কামিজ, ঘাগরা চোলি ও নকশা করা বিভিন্ন ধরনের প্যান্ট। প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে উজ্জ্বল রংকে।

সিল্ক, মসলিন, অ্যান্ডি ও খাদির পোশাক এনেছে নগরদোলা। ফুটিয়ে তোলা হয়েছে উৎসবের আমেজ।

ফ্যাশন হাউস নিখুঁত বাংলাদেশ সুঁই-সুতার মাধ্যমে সুতি কাপড়ে পোশাকের নকশা করেছে। আছে থ্রিপিস, ফতুয়া, স্কার্ট, শার্ট ও পাঞ্জাবি।

ফ্যাশন হাউস কে-ক্র্যাফটের ডিজাইনার শাহনাজ খান বলেন, 'আরামের ব্যাপারটাকে গুরুত্ব দিয়ে পোশাক তৈরি করেছি সুতি কাপড়ে। ভয়েল, বেক্সি ভয়েল, কটন জর্জেট ও অ্যান্ডির কালেকশন আছে। পিংক, পার্পেল, ফিরোজা, ম্যাজেন্টা, লাল, নীল ইত্যাদি আলাদা আলাদা বা কোথাও কোথাও একসঙ্গে ব্যবহৃত হয়েছে। স্ক্রিন প্রিন্ট, ব্লক প্রিন্ট থাকছে।'

কাপড়ের ফুল, টুনটুনি পাখি, প্রজাপতির ডানা ইত্যাদি মোটিফ থাকছে কে-ক্র্যাফটের পোশাকে। ছেলেদের শার্ট বা ফতুয়ায় প্রাধান্য পাচ্ছে হাফ হাতা এবং হাতাছাড়া কাট। লং প্যান্টের বদলে মিলবে কোয়ার্টার। এ ছাড়া মেয়ের সঙ্গে মায়ের এবং বাবার সঙ্গে ছেলের ম্যাচ করা পোশাকও পাবেন এখানে।

ফ্যাশন হাউস অঞ্জন'সে আছে এমন জোড়া পোশাক। মা-মেয়ে বা বড় বোন, ছোট বোন এবং বাবা-ছেলে বা বড় ভাই, ছোট ভাই মিলিয়ে একই পোশাক।

সাতটি প্রায় বিলুপ্ত পাখি থেকে রং নিয়ে এবার শিশুদের পোশাক করেছে যাত্রা। যেমন বকের পালক ও ঠোঁট থেকে সাদা আর বাসন্তী, কোয়েলের চুন্দ্রির ছিটে, দুধরাজ পাখির সাদাকালো, মাছরাঙা থেকে কমলা, লাল-কালো আর নীলের সব শেড। কিছু কিছু জামায় কুঁচির বদলে পাখির পালকের মতো করে লেয়ার দেওয়া হয়েছে।

কিডস কর্নার আছে লারিভে। যেখানে শিশুদের জন্য রয়েছে চমৎকার স্টাইলিশ সব পোশাক। এবারও শিশুদের জন্য বেশ কিছু ব্যতিক্রম ডিজাইনের পোশাক এনেছে এড্রয়েট। শিশুদের বিভিন্ন ধরনের পোশাকের মধ্যে আছে ফতুয়া, পাঞ্জাবি, শার্ট, সালোয়ার-কামিজ ও শাড়ি।

বাংলার মেলার বাচ্চাদের পোশাকের রং ও ডিজাইনে রয়েছে নতুনত্ব। উজ্জ্বল সব রং ব্যবহার করে কটন, খাদি, অ্যান্ডি প্রভৃতি কাপড়ে টাইডাই, ব্লক, হ্যান্ডস্টিচ, মেশিন এমব্রয়ডারি, চুমকি, গ্লাস ফিটিং ইত্যাদি কাজের সমন্বয়ে থাকছে টপস, স্কার্ট, সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবি ও ফতুয়া। এবি ফ্যাশনের পোশাকে থাকছে সালোয়ার-কামিজ, লং স্কার্টসহ নানা আয়োজন। ঈদে ট্রেন্ডি আউটলুক দিতে ব্যবহৃত হয়েছে বিভিন্ন রং। আবর্তন শিশুদের জন্য এনেছে সালোয়ার-কামিজ, পাঞ্জাবিসহ বর্ণিল সব পোশাক। ঋতু ও উৎসব উপযোগী কাপড়, রং ও ডিজাইন থাকছে ফড়িংয়ের শোরুমে। আছে সালোয়ার-কামিজ, শাড়ি, ফতুয়া ও পাঞ্জাবি। সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া, টপস, পাঞ্জাবি ও টি-শার্ট এনেছে রঙ। পোশাকে হালকা ও উজ্জ্বল সব রঙের ব্যবহার হয়েছে। শিশুদের পোশাকে নানাভাবে ফুল, লতাপাতা তুলে আনা হয়েছে সাদাকালোর পোশাকে। থাকছে সালোয়ার-কামিজ, ফতুয়া ও পাঞ্জাবি।

দরদাম : ফ্যাশন হাউসগুলোতে কাজ অনুসারে পাঞ্জাবির দাম ৫৫০ থেকে তিন হাজার টাকা, ফতুয়া ২৫০ থেকে এক হাজার ২০০ টাকা, সালোয়ার-কামিজ ৮৫০ থেকে সাত হাজার টাকা পর্যন্ত। ফ্রক ৫০০ থেকে চার হাজার টাকা। শাড়ি মিলবে ৫০০ থেকে শুরু।

 

 



মন্তব্য