kalerkantho

বৃহস্পতিবার ।  ১৯ মে ২০২২ । ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯ । ১৭ শাওয়াল ১৪৪৩  

♦ গ্রুপ-২
♦ ভারত ♦ পাকিস্তান ♦ নিউজিল্যান্ড ♦ বি-১ ♦ এ-২

আফগানিস্তান

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিং : ৮

১৭ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



আফগানিস্তান

বিশ্বকাপে খেলতে পারবে তো আফগানিস্তান? তালেবান ক্ষমতায় আসার পর প্রশ্নটা আসছিল ঘুরেফিরে। দেশটির সংকট না কাটলেও ক্রিকেটে অবশ্য আঁচ পড়েনি। সময়মতোই বিশ্বকাপ খেলতে দেশ ছেড়েছে পুরো দল। আইপিএল খেলার সুবাদে আগে থেকে আরব আমিরাতে ছিলেন রশিদ খান ও মোহাম্মদ নবী।

বিজ্ঞাপন

কন্ডিশন নিয়ে দুজনের অভিজ্ঞতা কাজে আসবে পুরো দলের।

আফগানিস্তান ২০০৭ ও ২০০৯ বিশ্বকাপে সুযোগ পায়নি। পরের চারটি আসরে খেলে সেরা পারফরম্যান্স গতবার সুপার টেনে খেলা। আইসিসির পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে তিন তিনবার হারিয়েছে আফগানরা! এই ক্যারিবিয়ানরাই কিন্তু সর্বোচ্চ দুইবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। একবার হারিয়েছিল বিশ্বকাপে। অন্য দুইবার ২০১৯ সালে ভারতের লখনউতে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে। সেখানে জয় ২-১-এ। সর্বশেষ আট ম্যাচে হারের তেতো স্বাদ পেতে হয়নি রশিদ খানদের। জয়ে থাকার আত্মবিশ্বাস বিশ্বকাপে প্রেরণা জোগাবে নিশ্চিতভাবে।

 

সেরা তারকা

রশিদ খান

বয়স মাত্র ২৩ বছর। অথচ বিশ্বজুড়ে ২৫টি দলে খেলা হয়ে গেছে রশিদ খানের! টি-টোয়েন্টির এই ফেরিওয়ালাকে অধিনায়ক করে বিশ্বকাপ দল ঘোষণা করেছিল আফগানিস্তান। তবে দল নির্বাচনে পরামর্শ না চাওয়ায় নেতৃত্ব ছেড়ে দেন রশিদ। মোহাম্মদ নবীর নেতৃত্বে বিশ্বকাপ খেলবেন এই লেগ স্পিনার। শহীদ আফ্রিদিকে আদর্শ করে বেড়ে ওঠা রশিদ খানকে আইপিএলের দল সানরাইজার্স হায়দরাবাদ কিনেছিল ৯ কোটি রুপিতে! কারণ বিশ্বজুড়ে খেলা টি-টোয়েন্টিতে তিনি ৩৯২ উইকেট নিয়েছেন মাত্র ৬.৩৫ ইকোনমি রেটে। জাতীয় দলের হয়েও ৫১ ম্যাচে শিকার ৯৫টি।

 

কোচ

ল্যান্স ক্লুজনার

অবসরের পর দক্ষিণ আফ্রিকার ডলফিন আর জিম্বাবুয়ে জাতীয় দলের কোচ ছিলেন তিনি। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে প্রধান কোচ হন আফগানিস্তানের। তাঁর হাত ধরেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আয়ারল্যান্ড ও জিম্বাবুয়েকে টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারিয়েছে আফগানরা।

 

স্কোয়াড

মোহাম্মদ নবী (অধিনায়ক), আসগর আফগান, গুলবাদিন নাইব, হাসমতউল্লাহ শহীদি, করিম জানাত, মোহাম্মদ শাহজাদ, নাজিবুল্লাহ জাদরান, রশিদ খান, হামিদ হাসান, হজরতউল্লাহ জাজাই, মুজিব উর রহমান, নাভিন উল হক, রহমতউল্লাহ গুরবাজ, উসমান ঘানি, ফরিদ আহমেদ।

 

পারফরম্যান্স

২০০৭ :    অংশ নেয়নি

২০০৯ :    অংশ নেয়নি

২০১০ :    গ্রুপ পর্ব

২০১২ :    গ্রুপ পর্ব

২০১৪ :    গ্রুপ পর্ব

২০১৬ :    সুপার টেন

 

পরিসংখ্যান

♦    বিশ্বকাপে ১৪ ম্যাচে জয় ৫, হার ৯টি। সাফল্যের হার ৩৫.৭১ শতাংশ।

♦    ১৪ ম্যাচে সবচেয়ে বেশি ৩২৩ রান মোহাম্মদ শাহজাদের। সর্বোচ্চ ১৭ উইকেট মোহাম্মদ নবীর।



সাতদিনের সেরা