kalerkantho

রবিবার । ১৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৮। ২৮ নভেম্বর ২০২১। ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩

♦ গ্রুপ-১
♦ অস্ট্রেলিয়া ♦ দক্ষিণ আফ্রিকা ♦ ওয়েস্ট ইন্ডিজ ♦ এ-১ ♦ বি-২

ইংল্যান্ড

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিং : ১

১৭ অক্টোবর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



ইংল্যান্ড

টি-টোয়েন্টি র‌্যাংকিংয়ের এক নম্বর দল। ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে ইংল্যান্ডকে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এনে দিয়েছিল পল কলিংউডের দল। এরপর ২০১৬ সালে খুব কাছে গিয়ে ডুবে তাদের স্বপ্নতরী। সেবার ফাইনালে শেষ ওভারে ক্রেগ ব্রাথওয়েটের টানা চারটি ছক্কায় ইংলিশদের হাতের মুঠো থেকে বেরিয়ে যায় বিশ্বকাপ। তিন বছর পর আরো বড় সাফল্য আসে ইংলিশ ক্রিকেটে। এবার এউইন মরগানরা ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে ভাসান কুলীন ইংলিশদের। বেন স্টোকস ও জোফ্রা আর্চার ছাড়া ওয়ানডের বিশ্বজয়ী দলের বেশির ভাগ সদস্যই থাকায় ট্রফি পুনরুদ্ধারের আশায়ই বুক বাঁধছে ইংল্যান্ড। অসাধারণ ধারাবাহিকতা দেখিয়েই তারা উঠে এসেছে র‌্যাংকিংয়ের চূড়ায়। গ্রুপ ১-এ আগেই নিশ্চিত করা সব প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়েই কিন্তু আমিরাতে এসেছেন মরগানরা। অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা ও উইন্ডিজ গ্রুপের এই তিন পরাশক্তির বিপক্ষেই সব শেষ সিরিজে তারা জয়ী দল। অবিশ্বাস্য এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারলে বাটলার-মরগানদের হাত ধরে আবারো শিরোপা উৎসবে ভাসতে পারে ইংলিশরা।

 

সেরা তারকা

এউইন মরগান

জন্ম আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে। দেশটির প্রতিনিধিত্বও করেছেন আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। এরপর শৈশবের লালিত স্বপ্ন পূরণে গায়ে চাপিয়েছেন ইংলিশ জার্সি। ক্রিকেটে ইংল্যান্ডের অনেক রূপকথা রচিত হয়েছে ‘আইরিশ’ মরগানের হাত ধরে। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম কারিগর ছিলেন এই আক্রমণাত্মক ব্যাটার। বৈশ্বিক আসরে আবার ওটাই ছিল ইংল্যান্ডের প্রথম ট্রফি জয়। এরপর ২০১৯ সালে ইংলিশরা প্রথমবার ওয়ানডে বিশ্বকাপও জেতে তাঁর অধিনায়কত্বেই। আগামী ১৪ নভেম্বর মরগানের হাতে কি উঠবে আরেকটি বৈশ্বিক ট্রফি!  

 

কোচ

ক্রিস সিলভারউড

ফাস্ট বোলিং কোচ হয়ে ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে প্রবেশ ইংলিশ কোচিং স্টাফে। ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী কোচ ট্রেভর বেইলিস সরে দাঁড়ালে ২০১৯ সালের অক্টোবরে দায়িত্ব পান প্রধান কোচের। ইংল্যান্ডকে ‘ডাবল বিশ্বকাপ’ জেতানোর সংকল্পই এখন ক্রিস সিলভারউডের।

 

স্কোয়াড

এউইন মরগান (অধিনায়ক), মঈন আলী, জনি বেয়ারস্টো, স্যাম বিলিংস, জস বাটলার, টম কারান, ক্রিস জর্ডান, লিয়াম লিভিংস্টোন, দাউয়িদ মালান, টাইমল মিলস, আদিল রশিদ, জেসন রয়, ডেভিড উইলি, ক্রিস ওকস এবং মার্ক উড।

 

পারফরম্যান্স

২০০৭ :    সুপার এইট

২০০৯ :    সুপার এইট ২০১০    :    চ্যাম্পিয়ন

২০১২ :    সুপার এইট ২০১৪    :    সুপার টেন

২০১৬ :    রানার্স আপ

 

পরিসংখ্যান

♦ ৩২ ম্যাচে ১৫ জয়, হার ১৬ এবং ফল হয়নি একটিতে। সাফল্যের হার ৪৮.৩৮ শতাংশ।

♦ সর্বোচ্চ ৫৮০ রান কেভিন পিটারসেনের। সর্বোচ্চ ৩০ উইকেট স্টুয়ার্ট ব্রডের।



সাতদিনের সেরা