kalerkantho

মঙ্গলবার । ৪ কার্তিক ১৪২৭। ২০ অক্টোবর ২০২০। ২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কেয়ার বাংলাদেশ ও কালের কণ্ঠ’র যৌথ উদ্যোগে ওয়েবিনার

‘মহামারি-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও প্রাণিসম্পদ খাত পুনরুদ্ধার’

২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ৯ মিনিটে



‘মহামারি-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও প্রাণিসম্পদ খাত পুনরুদ্ধার’

করোনায় অন্যান্য খাতের মতো বড় ধাক্কা খেয়েছে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি খাত। তবে করোনা মহামারির সময় সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সঠিক নির্দেশনা এবং বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর (এনজিও) নানা সহায়তার কারণে এই খাতের উদ্যোক্তাদের সমস্যা কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। পশুপালন, কৃষি ও সামাজিক সঞ্চয়ে উদ্বুদ্ধ করে দেশের দরিদ্র, অনগ্রসর ও সংখ্যালঘু পরিবারের সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নতি নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘সমষ্টি’ নামের একটি প্রকল্প রয়েছে কেয়ারের। এই প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি অঞ্চলের মোট ১৪টি জেলার ২৮টি উপজেলার ২ লাখ ২০ হাজার পরিবার নানা ধরনের সহায়তা ও নির্দেশনা উপভোগ করছে। দেশের বৃহৎ জনসংখ্যার অবলম্বন এই খাতটিতে এখনো বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এসব চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে জানতে এবং উত্তরণের উপায় খুঁজতে কালের কণ্ঠ ও কেয়ার বাংলাদেশ অনলাইন আলোচনাসভার আয়োজন করে। গত বৃহস্পতিবার ‘মহামারি-পরবর্তী অর্থনৈতিক পুনর্গঠন ও প্রাণিসম্পদ খাত পুনরুদ্ধার’ শীর্ষক ওয়েবিনারের বক্তব্য এখানে তুলে ধরা হলো।

অনুলিখন : শাখাওয়াত হোসাইন, তানজিদ বসুনিয়া সজীব আহমেদ

 

প্রাণিসম্পদ খাতের পরিচর্যা খুব জরুরি

ইমদাদুল হক মিলন

সম্পাদক, কালের কণ্ঠ

স্বাধীনতার পর থেকে প্রাণিসম্পদ ও কৃষি খাতকে ঘিরে দারিদ্র্য দূরীকরণে নানা চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। গ্রামীণ অবকাঠামোতে একটি পরিবার কয়েকটি হাঁস-মুরগি বা গবাদি পশু পালন এবং মাছ চাষের মাধ্যমে একটু বাড়তি আয় করার চেষ্টা করছে। এটি তাদের আয়ের উৎস। সেই সঙ্গে রাষ্ট্রের অর্থনীতিতেও ভূমিকা রাখছে। গত ১০ বছরে গরু-ছাগলের খামারের ব্যাপক বিস্তার ঘটেছে। এর ফলে আমাদের প্রাণিসম্পদের ব্যাপক উন্নয়ন হয়েছে। এ খাতটির পরিচর্যাও খুব জরুরি। আবার কিছু খারাপ দিকও রয়েছে। খামারিরা গরু ও দুধ বিক্রি করতে পারেন না, রাস্তায় ফেলে দেন অনেক সময়। করোনার কারণে আমাদের প্রাণিসম্পদ খাত খুব বড় ধরণের প্রতিকূলতার মধ্যে পড়েছে। মৎস্য চাষে বাংলাদেশ গত ২০ বছরে একটি বিপ্লব ঘটিয়ে দিয়েছে। বিদেশে চিংড়ি রপ্তানি দিয়ে শুরু হয়েছিল, এখন উন্নয়নে বড় একটি খাত হয়ে দাঁড়িয়েছে। বন্যায় প্রতিবছর মৎস্য চাষিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। দুর্যোগ আমাদের অর্থনীতিকে ধাক্কা দিয়ে ক্ষতির মুখে ফেলে দেয়। এই জায়গাগুলো থেকে উত্তরণের জন্য কেয়ার যেভাবে সচেতনভাবে কাজ করছে, বাংলাদেশের প্রতিটি সচেতন মানুষকেও একইভাবে ভাবা উচিত। সরকারেরও বড় ভূমিকা আমরা প্রত্যাশা করি। সরকারি বড় ভূমিকা বা প্রণোদনা ছাড়া এই জায়গাগুলো আমরা পুনরুদ্ধার করতে পারব না।

 

কর্মক্ষেত্র সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত 

রমেশ সিং

কান্ট্রি ডিরেক্টর, কেয়ার বাংলাদেশ

করোনা মহামারি এখনো শেষ হয়নি। এরই মধ্যে বিশ্বের অনেক দেশ করোনার দ্বিতীয় ধাপ (সেকেন্ড ওয়েভ) মোকাবেলা করছে। বাংলাদেশও করোনায় আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে এবং এই মহামারি মোকাবেলায় কাজ করে যাচ্ছে। কিছুদিন পর এই মহামারি শেষ হয়ে যাবে, কিন্তু এই মহামারির ক্ষতি পুষিয়ে নিতে অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধারের জন্য এখনই কার্যক্রম শুরু করা উচিত। এটি আমাদের সবার জন্যই অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

 

বেসরকারি সেক্টরও কৃত্রিম প্রজননে এগিয়ে আসছে

ড. মো. গোলাম রাব্বানী

প্রধান কারিগরি সমন্বয়ক

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (ডিএলএস)

বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। ১৮ কোটি মানুষের জন্য এক কোটি গাভি এবং দুই কোটির বেশি গবাদি পশুর প্রয়োজন নেই। একটি গবাদি পশু থেকে এক হাজার কেজি মাংস পাওয়া গেলে ১০০ কেজির ১০টি পশুর প্রয়োজন নেই। একইভাবে একটি গাভি থেকে ৪০ লিটার দুধ পাওয়া গেলে পাঁচ লিটারের আটটি গাভি পালনের দরকার নেই। পশুর জেনেটিক সামর্থ্য উন্নত করার জন্য প্রাণিসম্পদ বিভাগ চেষ্টা করছে। কৃত্রিম প্রজনন দেশে পরিচিত করে তুলতে পারছি। এখন বেসরকারি সেক্টর থেকেও কৃত্রিম প্রজনন করছে। পশু জেনেটিক বিষয়টি উচ্চ প্রযুক্তির। এটাকে সহজভাবে জনগণের সামনে তুলে ধরতে হবে। যেসব বেসরকারি সংস্থা কৃত্রিম প্রজনন করে, তারা কতটুকু সক্ষম সেটা নিয়ে ভাবতে হবে।

 

প্রান্তিক খামারিদের জন্য ঋণ যেন সহজলভ্য হয়

ড. এ বি এম খালিদুজ্জামান

সহকারী পরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

করোনায় লকডাউন শুরুর সময় গোখাদ্য, ভ্যাকসিনসহ অন্যান্য উপকরণ সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রেখে প্রাণিসম্পদ খাতকে টিকিয়ে রাখতে একটি আদেশ জারি করে মন্ত্রণালয়। যুগান্তকারী এই পদক্ষেপের কারণেই লকডাউনের মধ্যেও প্রাণিসম্পদসংশ্লিষ্ট অংশীজনদের কার্যক্রম তেমন হারে কমেনি। মানুষের ইমিউনিটি বাড়ানোর জন্য দুধ, মাংস, ডিম বেশি বেশি খেতে হয়। সে ধরনের প্রচারও চালানো হয়েছিল তখন। বেশি বেশি দুধ মজুদ করার জন্য প্রক্রিয়াজাতকারী কম্পানিকে অনুরোধ করা হয়েছে। অতিরিক্ত দুধ মজুদ করায় তাদের ধন্যবাদ জানাই। আগে থেকে যাঁরা ঋণ নিয়েছেন, কিন্তু কভিডের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, আবার তাঁরা ঋণ পাবেন। জামানত ছাড়া নতুন ঋণ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের নির্দেশনা ছিল না। পরে প্রাণিসম্পদ বিভাগ থেকে আমরা ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি, যাতে প্রান্তিক খামারিদের জন্য ঋণ সহজলভ্য হয়।

 

প্রান্তিক পর্যায়ে যাচ্ছে ব্যাংকিং

শাহনাজ আক্তার শাহীন

অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, ব্যাংক এশিয়া লিমিটেড

অর্থনীতি সচল রাখতে হলে ব্যাংকের ভূমিকা অপরিসীম, এটা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। তবে সেই কাজটি ধরে রাখতে হলে অবশ্যই আমাদের কৃষকের কাছে কিংবা প্রান্তিক পর্যায়ে পৌঁছতে হবে। সে জায়গায় আমরা (ব্যাংকিং সেক্টর) কতটুকু করতে পারছি সেটি একটি বড় প্রশ্ন। নেটওয়ার্ক সীমাবদ্ধতার কারণে আমরা সবাই সে জায়গায় যেতে পারছি না। তবে এই সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে উঠতে এরই মধ্যে অনেক দূর এগিয়ে এসেছি। এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আমরা প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছার চেষ্টা করছি।

 

ডিজিটাল ইকোনমির বড় সম্ভাবনা প্রাণিসম্পদ 

শমী কায়সার

সভাপতি, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)

করোনার কারণে ই-কমার্স খাতে একটি বড় ফোকাস এসেছে। আমাদের ই-ক্যাবের ১২০০ সদস্যের মধ্যে ৮৫ শতাংশই ছিল ফ্যাশন, জুয়েলারি, ইলেকট্রনিক পণ্যসহ অন্যান্য খাতের প্রতিষ্ঠান। প্রথম দিকে মোট ৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যগুলো নিয়ে কাজ করলেও করোনার ফলে চলতি বছরের আগস্টে এসে সেই সংখ্যা ২২ শতাংশে গিয়ে ঠেকেছে। সে ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে প্রাণিসম্পদ খাত। গত কোরবানির ঈদের সময় আমরা শঙ্কিত ছিলাম এই ভেবে যে মানুষ অনলাইনে গিয়ে গরু কিনবে কি না। কিন্তু দেখা গেল, আমাদের ডিজিটাল হাট থেকে প্রায় ২৭ হাজার গরু বেচাকেনা হয়েছে।

 

দুধ উৎপাদনের খাদ্য ব্যয় কমাতে হবে

ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন

বিভাগীয় প্রধান, প্রাণিপুষ্টি বিভাগ, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়

আমাদের খামারিরা মনে করেন, দুধের দাম বাড়িয়ে দিলেই তাঁদের সব সমস্যা সমাধান হবে। বাস্তবে এটা সত্য নয়। আমরা গবেষণা করে দেখেছি যে দুধের দাম বাড়ানোর মাধ্যমে কোনো সমাধান হয় না। বরং নিজেদের ও স্টেকহোল্ডারদের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে এর সুষ্ঠু সমাধান সম্ভব। দুধের উৎপাদন খরচ আমাদের দেশে অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় ৩০-৪০ শতাংশ বেশি। দুধের দামও ৩০-৪০ শতাংশ বেশি। এটা আমাদের জন্য বড় পীড়াদায়ক। আমাদের ফিড কস্ট (মূল্য) খুব বেশি। তবে সরকার দানাদার খাদ্য আমদানিতে শুল্ক কমিয়ে দেওয়ায় এই মুহূর্তে দানাদার খাদ্যের দাম কমতির দিকে।

 

সম্মিলিত প্রচেষ্টায় করোনা পরিস্থিতিতেও কোরবানির পশুর ব্যবস্থাপনা ভালো ছিল

ডা. আবদুল জব্বার শিকদার

মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর

আমরা এখন মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ। এখন বিদেশ থেকে মাংস আমদানি করতে হয় না। এই অগ্রগতি সরকারের মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর এবং এনজিওর সম্মিলিত চেষ্টায় হয়েছে। দেশে এ বছর দুধ উৎপাদন হয়েছে ১০৬ কোটি মেট্রিক টন। এক হাজার ৭৩৪ কোটি ডিম পাওয়া গেছে। অথচ স্বাধীনতার পরপর ছিল মাত্র ১১৫ কোটি। এ খাতে সরকারের সুদৃষ্টি আছে বলেই এত উন্নতি এসেছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান এই খাতটি এগিয়ে নিতে কাজ করছে। বেসরকারি সেক্টরের যারা এই খাতের সঙ্গে সরাসরি জড়িত, তারাও কাজ করে যাচ্ছে। দেশের তরুণরা এই খাতে জড়িত হচ্ছে। আশা করছি, সামনে এই খাতে আরো উন্নতি আসবে। বর্তমানে আমাদের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে ১৭টি প্রজেক্ট চলছে। এর মধ্যে দুটি আন্তর্জাতিক, আর ১৫টি হলো দেশে। করোনা পরিস্থিতির ক্ষেত্রে এই প্রকল্প থেকে আট লাখ ৫০ হাজার লোককে পশু-পাখি ও কৃষি উপকরণ দেব। সেই সঙ্গে ভ্যাকসিন ও ওষুধও দেওয়া হবে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত শেডগুলোতে কিছু উপকরণ দেওয়া হচ্ছে। সরকারের সরাসরি সহযোগিতা ও বিভিন্ন নির্দেশনায় কাজ করে যাওয়ার ফলে কভিডে যে ভয় ছিল, সেটা কাটিয়ে আমরা ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছি।

 

সুইজারল্যান্ড সরকার বাংলাদেশের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে

সোহেল ইবনে আলী

সিনিয়র প্রগ্রাম ম্যানেজার, সুইজারল্যান্ড দূতাবাস, বাংলাদেশ

সুইজারল্যান্ড সরকার প্রায় ৫০ বছর ধরে বাংলাদেশের উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে। সেই ধারাবাহিকতায় আজকের এই আয়োজনে সম্পৃক্ত হতে পেরে আমরা গর্বিত। আমাদের এই সম্পৃক্ততা ভবিষ্যতেও রাখতে চাই। পাঁচ বছর ধরে আমরা ‘সমষ্টি’ প্রকল্পের মাধ্যমে কেয়ার বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ খাতের উন্নয়নে। সম্প্রতি প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও করোনা মহামারির কারণে প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ খাতের ক্ষতি হয়েছে। খাতটির মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা মারাত্মক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বর্তমানে সমষ্টি প্রকল্পের মাধ্যমে ইমার্জেন্সি কভিড রেসপন্স প্রোগ্রামের মাধ্যমে তাদের সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। কিন্তু সেই সহায়তা তাদের চাহিদা অনুযায়ী যথেষ্ট নয়। এখনো পরিকল্পনা করছি কেয়ার বাংলাদেশকে নিয়ে কিভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষুদ্র-মাঝারি ব্যবসায়ীদের আরো সহায়তা করা যায়। খাতটিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে বড় ধরনের সরকারি তহবিলের প্রয়োজন। প্রাণী ও দুগ্ধ খাতের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের স্বল্প সুদে এবং জামানতবিহীন ঋণ দেওয়া প্রয়োজন।

 

খামারিদের ক্ষতি পোষানোর উদ্যোগ নিতে হবে

আমানুর রহমান

পরিচালক, অতি দরিদ্র গ্রামীণ কর্মসূচি

কেয়ার বাংলাদেশ

করোনার কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে খামারিরা। এছাড়া বন্যা, সাইক্লোন, আম্ফানও ক্ষতিগ্রস্ত করেছে তাদের। এ অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য সবাই মিলে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি এ খাতে জড়িত সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে নীতি নির্ধারণ করতে হবে। যাতে খামারিরা এর সুফল ভোগ করতে পারে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা