kalerkantho

মঙ্গলবার । ৬ ডিসেম্বর ২০২২ । ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৯ । ১১ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪

[ ঘরে বসে দেখতে পারো ]

ডাইনোসর ঠেকানোর যুদ্ধ

নাবীল অনুসূর্য   

৩ অক্টোবর, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ডাইনোসর ঠেকানোর যুদ্ধ

জুরাসিক পার্ক (১৯৯৩) * পরিচালনা : স্টিভেন স্পিলবার্গ * অভিনয়ে : স্যাম নিয়াল, লরা ডার্ন, জেফ গোল্ডব্লাম * দেখা যাবে : নেটফ্লিক্সে

জন হ্যামন্ডের একটা বায়ো ইঞ্জিনিয়ারিং কম্পানি আছে। নাম ইনজেন। সেখানকার বিজ্ঞানীরা এক অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। ক্লোন করে বানিয়েছে প্রাগৈতিহাসিক সব প্রাণী।

বিজ্ঞাপন

নানা প্রজাতির ডাইনোসর। তাদের নিয়ে সাজানো হয়েছে আস্ত একটা থিম পার্ক, যেন মানুষ সেখানে বেড়াতে আসতে পারে। নিজের চোখে দেখতে পারে পুরাকালের পৃথিবীর রূপ। নাম দেওয়া হয়েছে ‘জুরাসিক পার্ক’। সেখানে রাখা হয়েছে সব ধরনের নিরাপত্তাব্যবস্থা। এত সাবধানতা, তাতেও অবশ্য শেষ রক্ষা হলো না। একদিন ছোট একটা অঘটন ঘটেই গেল। তখন দ্বীপে একটা বিশেষ ভ্রমণের ব্যবস্থা করল হ্যামন্ড, যেন প্রমাণ হয়ে যায় সেটা ছিল নিছকই একটা দুর্ঘটনা। সঙ্গে ইনজেনের আইনজীবী ডোনাল্ড জেনারো, গণিতবিদ ইয়ান মাইকেল এবং দুই বিজ্ঞানী অ্যালান গ্রান্ট ও এলি সাটলার। ওদিকে পার্কের লিড কম্পিউটার প্রগ্রামার ডেনিস নেডরি আবার খুব একটা সুবিধার লোক নয়। ইনজেনের প্রতিদ্বন্দ্বী কম্পানির সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। ঠিক হয়েছে, সে ডাইনোসরের ভ্রূণ সরবরাহ করবে মোটা টাকার বিনিময়ে। এর মধ্যেই ধেয়ে এলো একটা ঘূর্ণিঝড়। নিরাপত্তার খাতিরে বেশির ভাগ কর্মীকেই দ্বীপ থেকে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হলো। নেডরি দেখল, এই সুযোগ। ঝড়ের মধ্যে পার্কের স্বয়ংক্রিয় নিরাপত্তাব্যবস্থা বন্ধ করে ডাইনোসরের ভ্রূণ চুরি করল। ওদিকে মুক্ত হয়ে ডাইনোসরগুলো দ্বীপজুড়ে বাধিয়ে তুলল লঙ্কাকাণ্ড। যদি ওগুলো কোনোভাবে মূল ভূখণ্ডে পৌঁছতে পারে, তাহলে আর দেখতে হবে না। মানবসভ্যতার ইতি ঘটিয়ে আবার শুরু হয়ে যাবে ডাইনোসরদের যুগ! সেটা ঠেকানোর জন্য রয়েছে শুধু তিনজন—গ্রান্ট, এলি ও মাইকেল। তারা কি পারবে ডাইনোসরগুলোকে ঠেকাতে? জানতে হলে দেখতে পারো দারুণ এই সিনেমা।



সাতদিনের সেরা