kalerkantho

শনিবার । ২০ আগস্ট ২০২২ । ৫ ভাদ্র ১৪২৯ । ২১ মহররম ১৪৪৪

[ ঘরে বসে দেখতে পারো ]

একটা গাছ বেঁচে থাকার মতো মাটিও নেই!

নাবীল অনুসূর্য

২৭ জুন, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



একটা গাছ বেঁচে থাকার মতো মাটিও নেই!

রোবট ওয়াল-ই। ওয়াল-ই সিনেমার পোস্টার থেকে নেওয়া ছবি

আজ থেকে প্রায় ৭০০ বছর পরের কথা। মানুষ যে হারে পরিবেশ দূষণ করে, তাতে যা হওয়ার তা-ই হয়েছে। পৃথিবীটা ময়লা-আবর্জনায় একদম ভরে গেছে। অবস্থা এতটাই ভয়াবহ হয়ে গেছে যে একটা গাছ বেঁচে থাকার মতো পরিষ্কার মাটিও নেই কোথাও।

বিজ্ঞাপন

কোনো গাছ নেই, মানে কোনো প্রাণীর পক্ষেও আর পৃথিবীতে বাস করা সম্ভব নয়। মানুষের পক্ষে তো নয়ই। শেষে আর উপায় না দেখে বিজ্ঞানীরা একটা বিশাল স্পেসশিপ বানায়। তারপর তাতে দুনিয়ার সব মানুষকে নিয়ে উড়াল দেয় আকাশে। মানে মহাশূন্যে। সেটাই তখন পুরো মানবজাতির ঠিকানা। অবশ্য পৃথিবীতে একটা রোবটকে রেখে যাওয়া হয়। পুরনো প্রজন্মের একটা পরিচ্ছন্নতাকারী রোবট। ওকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে পৃথিবীতে জমে থাকা রাজ্যের ময়লা পরিষ্কার করার। নাম ‘ওয়াল-ই’। ও একাই এখন পৃথিবীর বাসিন্দা। আরেকটা রোবট অবশ্য নিয়মিত আসে পৃথিবীতে। নাম ‘ইভা’। বেশ আধুনিক রোবট। পৃথিবীর কোথাও কোনো গাছ এখনো বেঁচে আছে কি না, সেটা খুঁজে বেড়ানোই ওর কাজ। কোনো গাছ পাওয়া গেলে সেটা লাগানো হবে ওয়াল-ইর পরিষ্কার করা জায়গায়। নতুন করে গড়ে তোলা হবে পৃথিবী। শেষবার এসে তো মরতেই বসেছিল ইভা। ওয়াল-ই ওকে বাঁচায়। সেই সূত্র ধরে দুই রোবটের হয়ে যায় প্রেম। ওদিকে স্পেসশিপের সিস্টেম আবার নিজেই শুরু করে দিয়েছে বিশাল ষড়যন্ত্র। পৃথিবীতে ফিরে যাওয়ার মিশনের কথা বেমালুম চেপে গেছে নতুন ক্যাপ্টেনদের কাছে। সে কথা জানতে পেরে সিস্টেমের বিরুদ্ধে লড়াই শুরু করে ক্যাপ্টেন। সঙ্গে ইভা আর ওয়াল-ই। এই লড়াইয়ে শেষ পর্যন্ত কে জেতে জানতে দেখে ফেলতে পারো সিনেমাটা।

 

ওয়াল-ই (২০০৮)

পরিচালনা : অ্যান্ড্রু স্ট্যান্টন

এনিমেশন

দেখা যাবে : ডিজনি প্লাস



সাতদিনের সেরা