kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জুন ২০২২ । ১৪ আষাঢ় ১৪২৯ । ২৭ জিলকদ ১৪৪৩

[ যে বই তুমি পড়বে ]

হডসনের বন্দুক

নাবীল অনুসূর্য   

২৩ মে, ২০২২ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



হডসনের বন্দুক

লেখক : সৈয়দ শামসুল হক, প্রকাশনী : পাঞ্জেরী পাবলিকেশনস লিমিটেড, মূল্য : ১৯০ টাকা

নয়ন চৌধুরীকে একবার দেখলে ভোলা মুশকিল। গায়ে লম্বা ঝোলা আলখাল্লা, ঘাড় বেয়ে পড়া লম্বা চুল। হাতে প্রায়ই থাকে বাঁশি। তিনি বাংলাদেশের বিখ্যাত চিত্রকর।

বিজ্ঞাপন

তবে কিশোর-কিশোরীদের কাছে তিনি নয়ন মামা। রহস্যের গন্ধ পেলেই ছোটেন পেছনে। সঙ্গে থাকে বিদিতা হক ওরফে ঝিনুক। তাঁর বোনের মেয়ে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। ভর্তির পরপরই এক সড়ক দুর্ঘটনায় মা-বাবাকে হারায়। সেই থেকে মামাই ওর মা-বাবা। ছোটবেলায় বছর চারেক ছিল লন্ডনে। বাবার চাকরির সূত্রে। এবার এসেছিল কমনওয়েলথ ইনস্টিটিউটে মামার আর্ট এক্সিবিশনে। ফেরার সময় বিমানে ওদের পাশের সিটে বসে এক ইংরেজ ভদ্রলোক। ডাবের মতো মুখ। দেখতে তরুণই মনে হয়, কিন্তু চোখে বুড়োপনা চশমা। ওদের বিমান যাবে ঢাকায়। দেখেশুনে রহস্যসন্ধানী নয়ন মামা চট করে ধরে ফেললেন, লোকটা যাবে সিলেটে। নাম জন হডসন। বলল, চা-বাগানে বেড়াতে যাচ্ছে। অথচ বিমানবন্দরে নেমে ঝিনুক দেখে, লোকটা চেলো নামের একটা বিশাল বাদ্যযন্ত্রের বাক্স নিয়ে যাচ্ছে। বেড়াতে কেউ এত বড় বাদ্যযন্ত্র নিয়ে বের হয়? সন্দেহ দানা বাঁধে নয়ন মামা আর ঝিনুকের মনে। দেড় শ বছর আগে হডসন নামের আরেক ইংরেজ এসেছিল এই উপমহাদেশে। সিপাহি বিদ্রোহের সময়। ব্রিটিশ গোয়েন্দা বিভাগের সদস্য। ভারতের সিপাহিরা সেবার দিল্লি গিয়ে বাহাদুর শাহকে ভারতবর্ষের সম্রাট ঘোষণা করে, কিন্তু হেরে যায় যুদ্ধে। পতন ঘটে দিল্লির। বাহাদুর শাহকে সপরিবারে হত্যা করেছিল সেই ক্যাপ্টেন হডসন। একটা এনফিল্ড রাইফেল দিয়ে। রহস্যের গন্ধ পেয়ে জন হডসনের গতিবিধি অনুসরণ করতে থাকে নয়ন মামা আর ঝিনুক। তারপর সত্যি সত্যি তারা উন্মোচন করে দূর ইতিহাসের সঙ্গে জড়িত এক রোমাঞ্চকর জিনিস। কী সেটা? বন্দুক? সব প্রশ্নের উত্তর মিলবে সৈয়দ শামসুল হকের এই গোয়েন্দা উপন্যাসে।



সাতদিনের সেরা