kalerkantho

মঙ্গলবার । ৩ কার্তিক ১৪২৮। ১৯ অক্টোবর ২০২১। ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩

[ ঘ রে ব সে দে খ তে পা রো ]

চারমূর্তির অভিযান

২০ সেপ্টেম্বর, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চারমূর্তির অভিযান

চারমূর্তি [১৯৭৮], পরিচালক : উমানাথ ভট্টাচার্য, অভিনয়ে : চিন্ময় রায়, রবি ঘোষ, সন্তোষ দত্ত, কোথায় দেখবে : ইউটিউব

পটলডাঙ্গার সেই চার ছোকরাকে মনে আছে? তাদের পালের গোদাকে? মানে টেনিদাকে। সেই বিখ্যাত সংলাপ ‘ডি-লা গ্রান্ডি মেফিস্টোফিলিস ইয়াক ইয়াক’ ভোলা কার সাধ্য। সাতবারের চেষ্টায় মাধ্যমিক পাসের ইতিহাসও চাইলে ভোলা যায় না। নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় টেনিদাকে নিয়ে এন্তার লিখেছেন। সে তুলনায় অবশ্য সিনেমা হয়েছে কম। যেগুলো হয়েছে, সব তত ভালো হয়নি। এর মধ্যে ১৯৭৮ সালে হওয়া ‘চারমূর্তি’ বেশ ভালো। উমানাথ ভট্টাচার্যের ছবিটিতে টেনিদার ভূমিকায় অভিনয় করেন চিন্ময় রায়। ছবিটি তৈরি হয় একই নামের উপন্যাস অবলম্বনে। ছবিতে দেখা যায় পরীক্ষা, তিন শাগরেদ প্যালা, হাবুল আর ক্যাবলাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে টেনিদা। শেষমেশ যাওয়া হয় ঝন্টিপাহাড়ে। রামগড়ের কাছে পাহাড়ঘেরা জায়গাটা ক্যাবলার অসংখ্য পিসেমশাইয়ের একজনের, কিন্তু সেখানে যাওয়ার পথেই ট্রেনে ঝামেলা হয়। নানা ঝামেলার পর সেখানে পৌঁছে হয় আরেক ঝামেলা—পড়তে হয় ভূতের খপ্পরে। কিন্তু দ্রুতই তারা জানতে পারে, ভূত নয়, তাদের ভয় দেখাচ্ছে কিছু মানুষ! যাদের আছে অন্য উদ্দেশ্য। এমন পরিস্থিতিতে কি টেনিদা বসে থাকতে পারেন। ‘অবশ্যকর্তব্য’ ভেবে ঝাঁপিয়ে পড়েন, কিন্তু তাঁর যা স্বভাব, যেখানে যান গোলমাল পাকিয়ে ছাড়েন। এখানেও তার ব্যতিক্রম হয় না। টেনিদার ভূমিকায় চিন্ময় রায় তো আছেনই। এ ছাড়া ছবিতে আছেন রবি ঘোষ, সন্তোষ দত্তের মতো অসাধারণ অভিনেতাও। পুরো ছবিই তৈরি হয়েছে কমেডির মোড়কে। অনেক মজার দৃশ্য আছে। যেমন—একটি দৃশ্যে পরীক্ষা শেষে টেনিদাকে জিজ্ঞেস করা হলো, পরীক্ষা কেমন দিলে? উত্তরে তেলেভাজা কেড়ে নিয়ে টেনিদা সগৌরবে বলেন, ‘আমার পরীক্ষা কেমন হয় জানিস না?’ এ ছাড়া বলা যায়, জঙ্গলের মধ্যে ঘটনাক্রমে টেনিদার গোপন সুড়ঙ্গ আবিষ্কারের দৃশ্য। পুরো ছবিই সাদা-কালোয় তৈরি, কিন্তু ‘অ্যাঞ্জেল ডিজিটাল’-এর অফিশিয়াল চ্যানেলে দারুণ ঝকঝকে প্রিন্টের ছবিটি দেখতে খারাপ লাগবে না। লতিফুল হক



সাতদিনের সেরা