kalerkantho

রবিবার । ১০ শ্রাবণ ১৪২৮। ২৫ জুলাই ২০২১। ১৪ জিলহজ ১৪৪২

[ মনে পড়ে ]

সেজো মামার দুষ্টুমি

হিমু চন্দ্র শীল, একাদশ শ্রেণি, কক্সবাজার সরকারি কলেজ

৭ জুন, ২০২১ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



সেজো মামার দুষ্টুমি

তখন আমরা ক্লাস সেভেনে পড়ি। বার্ষিক পরীক্ষা শেষে মামাবাড়ি চলে যেতাম। মামাতো ভাই-বোন আর আমরা প্রায় কাছাকাছি বয়সের। তাই খুব মজা হতো। একবার বার্ষিক পরীক্ষার পর গেলাম মামার বাড়ি। স্কুল বন্ধ। পড়াশোনার চাপ নেই। খুব মজা। তার ওপর আবার মামাতো ভাইয়ের জন্মদিন। দেখতে দেখতে ঘনিয়ে এলো তার জন্মদিন। কেক অর্ডার করা হলো। বন্ধুদের নিমন্ত্রণ করা হলো। পুরো রুম বেলুন দিয়ে সাজিয়ে নিলাম আমরা। সেজো মামাকে আমরা গুরু মানি। যত রকমের আবদার আছে সব তাঁর কাছেই করতাম। যা হোক হরেক রকমের খাবারের পসরা সাজিয়ে সন্ধ্যায় কেক কাটা হলো। ভীষণ মজা আর হৈ-হুল্লোড় করলাম। সব শেষে যখন মামাতো ভাই কেকের ইয়া বড় বাক্সটা হাতে নিয়ে ডাস্টবিনে ফেলতে যাবে, তখনই সেজো মামার মাথায় এক দুষ্ট বুদ্ধি খেলল। মামা তার হাত থেকে কেকের বাক্সটি নিলেন। তারপর ঘরের ঝুড়িতে থাকা তরকারির খোসা আর ফেলনা কাগজপত্র দিয়ে বাক্সটিকে ভর্তি করলেন। পরে স্কচটেপ মুড়িয়ে দিলেন। যেন দেখে মনে হয় মালসমেত বাক্সটি এইমাত্র এসে পৌঁছেছে। তারপর আমাকে বললেন রাস্তার ওপর বাক্সটি রেখে আসতে। রেখে এলাম। এরপর সবাই মিলে ছাদে উঠলাম পরবর্তী কাণ্ড দেখার জন্য। মিনিট দুয়েক পর একটা ট্রাক এসে বাক্সটির সামনে থামল। ট্রাক থেকে একজন নেমে এসে খুশি মনে বাক্সটি কুড়িয়ে নিল। চারদিকে তাকিয়ে আবার ট্রাকে উঠে গেল। মনে হলো বাক্সটি পেয়ে যারপরনাই খুশি সে। আমরা ছাদ থেকে সেই দৃশ্য দেখছি আর হেসে লুটোপুটি খাচ্ছি। ভাবছি যখন বাক্সটি খুলবে, তখন তার কী অবস্থা হবে। ঘটনাটি মনে পড়লে এখনো হাসি পায়।



সাতদিনের সেরা