kalerkantho

শুক্রবার । ১২ অগ্রহায়ণ ১৪২৭। ২৭ নভেম্বর ২০২০। ১১ রবিউস সানি ১৪৪২

[ ক র বে না কি? ]

ঘুমানোর চাকরি

২৩ নভেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ঘুমানোর চাকরি

ঘুমাতে ভালোবাসে এমন মানুষ দুনিয়াতে কম নেই। আর বেশি ঘুমানোর কারণে অনেককে গালমন্দও হজম করতে হয়। শুনতে হয়, তোকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। তবে এসব মানুষের জন্য কিন্তু চাকরি আছে। ঘুমানোর চাকরি। বিশ্বাস হচ্ছে না? পৃথিবীর অনেক দেশেই শুধু ঘুমানোর জন্য লোকদের বেতন দেওয়া হয়। এই বেতন লাখ টাকাও হয়।

যারা এ চাকরি নেয়, তাদের প্রতিদিন কমপক্ষে ৯ ঘণ্টা ঘুমাতে হয়। তখন তাদের নিয়ে গবেষণা করেন বিজ্ঞানীরা। জানো তো, ঘুমালেও মানুষের মস্তিষ্ক সচল থাকে। ঘুমন্ত অবস্থায় মানুষের নিউরনে নানা অনুরণন চলতে থাকে। যেমন বলা হয়, আইনস্টাইন ঘুমিয়ে ঘুমিয়েও অঙ্ক করতেন। যতক্ষণ তিনি ঘুমাতেন ততক্ষণই তাঁর মস্তিষ্ক হিসাবে মিলিয়ে যেত। তাই মস্তিষ্ক নিয়ে গবেষণা একটি আকর্ষণীয় ব্যাপার। আর তাতে ঘুমন্ত মানুষগুলো হয় মিডিয়াম বা মাধ্যম। ঘুমের মধ্যে মানুষ তো স্বপ্নও দেখে। তখন নিউরনগুলো কী আচরণ করে তা নিয়ে কৌতূহলী বিজ্ঞানীরা। স্বপ্ন খুবই অদ্ভুুত বিষয়। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন মানুষ যা নিয়ে চিন্তা করে, ঘুমের মধ্যেও সে স্বপ্নই দেখে।  আবার অনেকে নাকি স্বপ্নে ভবিষ্যৎ দেখতে পায়। এসব ব্যাপারে বৈজ্ঞানিক ভিত্তি জানা কি জরুরি নয় বলো? ঘুমন্ত মানুষ ছাড়া এসব গবেষণায় কে সাহায্য করতে পারে? আমাদের পাশের দেশ ভারতেও কিন্তু এ গবেষণা হয়। গবেষণার স্বার্থে মানুষগুলোকে ১০০ দিন ধরে ৯ ঘণ্টা করে ঘুমাতে হয়। তার জন্য তাদের বেতনও দেওয়া হয়। তবে শর্ত হলো, তারা নেটফ্লিক্স বা ইন্টারনেটে সময় বেশি কাটাতে পারবে না। কারণ তাতে মস্তিষ্কে চাপ পড়ে। ঘুমের জন্য আরেকটি চাকরি হলো বেড টেস্টিং। পৃথিবীর খ্যাতনাম বিছানা নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ঘুমপ্রিয় মানুষদের বেড টেস্টার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তারা ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে বিছানাগুলোর গুণাগুণ নির্ধারণ করে।

মালিহা রহমান

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা