kalerkantho

মঙ্গলবার । ১১ কার্তিক ১৪২৭। ২৭ অক্টোবর ২০২০। ৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

[ হ বে না কি ]

ভেনট্রিলোকুইস্ট

২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



ভেনট্রিলোকুইস্ট

নিনা কনটি

আমাদের দেশে ভেনট্রিলোকুইস্ট বেশি নেই। কিন্তু কাজটা ইন্টারেস্টিং। জানাচ্ছেন মালিহা রাহমান

ভেনট্রিলোকুইজম হলো নানান স্বরে কথা বলা। যাঁরা এটা পারেন তাঁদের বলে ভেনট্রিলোকুইস্ট। মঞ্চে ভেনট্রিলোকুইস্টরা এমনভাবে তাদের কণ্ঠকে ব্যবহার করেন যাতে মনে হয় অন্য কোনো উৎস থেকে শব্দটি আসছে। তোমরা পাপেট শো দেখেছ। সেখানে পুতুলকে কথা বলতে বা গান গাইতে শুনেছ। কিন্তু পুতুল কিভাবে কথা বলবে? আসলে তো কেউ একজন পেছন থেকে ভয়েস দিচ্ছেন। আর ভেনট্রিলোকুইস্টরা পুতুল হাতে নিয়ে মঞ্চে দাঁড়িয়েই কথা বলেন। একাধিক স্বরে কথা বলার দক্ষতা তারা আয়ত্ত করেন। পুতুলের সঙ্গে আরেকটি পুতুল হয়ে তারা আলাপ জুড়ে দেন।  ১৮৩০ সালে নটিংহ্যামে জিওরেজ সুটন নামের এক লোক বাণিজ্যিকভাবে পাপেট শো শুরু করেন। তিনিই দ্বৈত স্বরে কথা বলেন পুতুল হাতে নিয়ে। এখন কিন্তু বিল বিয়ার্ড, বারটিল স্ট্রং, এডগার বারজেন, শেরি লুইস, জিম হ্যান্ডসন—বেশ কয়েকজন খ্যাতিমান ভেনট্রিলোকুইস্ট আছেন পৃথিবীজুড়ে। তবে সবচেয়ে বিখ্যাত আলেক্স কিং। অনেক নারীও এ পেশায় আছেন। নিনা কনটি নামের এক ব্রিটিশ নারী তো রীতিমতো তারকা।

একজন ভালো ভেনট্রিলোকুইস্টের আয়ও কিন্তু অনেক। টরি ফ্যাটর নামের এক আমেরিকান ভেনট্রিলোকুইস্ট ১৬০ মিলিয়ন ডলারের মালিক। তিনি প্রতি শোতে ২২ মিলিয়ন ডলার পারিশ্রমিক নেন। এতে যে পুতুল ব্যবহৃত হয় তাকে বলা হয় ডামি। ডামি নিয়ে কিন্তু অনেক ভয়ংকর গল্প আছে। হলিউডে এ নিয়ে ছবিও হয়েছে। আমাদের দেশেও ভেনট্রিলোকুইজমের চর্চা হয়। পাপেট শোতে পাপেটিয়ারকে পশু-পাখির ডাক নকল করতে দেখা যায়। এটি একটি অন্য রকম বিনোদনজগৎ।

মন্তব্য