kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

[ আ মি তো মা দে র ই লো ক ]

‘আমার যদি একটা জাদুর কুপি থাকত’

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় ফুল বিক্রি করে টুনি। বয়স আট কি নয়। মীনা কার্টুনের মীনাকে খুব পছন্দ। তারও তিনটা ইচ্ছা আছে। মীনার মতো জাদুর কুপি হাতে পেলে সেগুলো পূরণ করতে পারত। পিন্টু রঞ্জন অর্ককে বলেছে সেসব কথা

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



‘আমার যদি একটা জাদুর কুপি থাকত’

টুনি

আমরা হাজারীবাগে থাহি। আমার মায়ের নাম লিনা। শহীদ মিনারে ফুল বেচে। বাজান দ্যাশে কাম করে। আমগো দ্যাশ ভৈরব। আমার জম্ম হইছে এইহানে। আমার দুই ভাই। আমার ছোডো। আমার বড় একটা বইন আছিল। বিয়া দিয়া দিছে। বইনটা মইধ্যে মইধ্যে আহে।

 

মীনা দেখতে সুন্দর

টিভি আমগো বাসায় আছে। আমগোর না, বাড়িওয়ালীর টিভি। তবে সব সুময় দেখবার পারি না। বেশি দিন সকালে দেহি। কোনো সুম রাইতেও দেহি। টিভিতে ছবি দেহি, ভূতের ছবি। আর দেহি মীনা কার্টুন। মীনা কার্টুনের মীনারে আমার খুব ভালা লাগে। কারণ মীনা দেখতে সুন্দর। আর ভালা লাগে টিয়া পাখিটারে। কী জানি নাম, ও মিঠু। হ্যায় মীনার লগে লগে ঘুরে। মীনা কার্টুনে আরো এক ছেড়া আছে। রাজু। মীনার ভাই। হ্যায়ও মীনার লগে ঘুরে, স্কুলে যায়, পড়ে। আবার খেলাধুলা করে। আমিও মীনার মতন ইশকুলে যাই। শহীদ মিনারে আমগো স্কুল। নাম মজার স্কুল। এক ভাইয়ে পড়াইত। করোনা দেইখ্যা এহন পড়ায় না। মীনারে দেইখ্যা শিখছি, খাওনের আগে আর পায়খানা থেইক্যা ফিরা হাত ধুওন লাগে।

 

এমন যদি হতো

মীনার তিনডা ইচ্ছা (মীনার তিনটি ইচ্ছা) নামে একটা পর্ব আছে। হেইডা আমার খুব ভালা লাগে। হেইডায় জাদুর পাটিতে কইরা মীনা আর রাজু দ্যাশ-বিদ্যাশ ঘুইরা বেড়ায়। আর জাদুর কুপি ঘষা দিলে দৈত্য, ওমা, বিরাট এক দৈত্য আইসা পড়ে। দেখলে ভয় লাগে। দৈত্য মীনার তিনডা ইচ্ছা পূরণ কইরা দেয়। আমগো যদি মীনার মতো একটা জাদুর পাটি থাকত তাইলে হেইডাত কইরা ম্যালা জায়গায় ঘুইরা বেড়াইতাম। চিড়িয়াখানায় যাইতাম, হাতির পিডে চড়তাম। বিমানে চড়তাম। এক মিনিটে ভৈরব যাইতাম, আবার চইলা আইতাম। আর যদি একটা জাদুর কুপি থাকত, তাইলে তিনডা ইচ্ছার কথা কইতাম দৈত্যরে। প্রথমে চাইতাম, আমগো সুন্দর একখান ঘর। যেই ঘরে টিভি থাকব, অনেক রকম খেলনার জিনিস থাকব। আর চাইতাম, আমগো টেকা-পয়সার অভাব জানি চইলা যায়। তাইলে মারে আর কষ্ট করন লাগত না। তিন নাম্বারে চাইতাম একটা সাইকেল।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা