kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৬ কার্তিক ১৪২৭। ২২ অক্টোবর ২০২০। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

মীনার আঁতুড়ঘর

২১ সেপ্টেম্বর, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



মীনার আঁতুড়ঘর

ছবিটি এঁকেছে সায়রা মালিহা স্নেহা। সে নারায়ণগঞ্জের মাউন্ট রয়াল একাডেমি স্কুলে দশম শ্রেণিতে পড়ে

তোমার প্রিয় কার্টুন কোনটি জানতে চাইলে টম অ্যান্ড জেরির কথা অনেকেই বলবে। কিন্তু জানো কি মীনা কার্টুনের সঙ্গে টম অ্যান্ড জেরির একটি সম্পর্ক আছে?  এই দুটি কার্টুনেরই জন্মস্থান হানা বারবারা স্টুডিও। উইলিয়াম হানা আর জোসেফ বারবারার নাম থেকে স্টুডিওটির নাম হয়েছে। হানা ছিলেন প্রকৌশলী। কিন্তু কাজটিতে তিনি আনন্দ পাচ্ছিলেন না। ভাবতে থাকেন এমন কোনো কাজের কথা, যেটায় আনন্দ পাবেন। এরপরই এনিমেশন তৈরিতে লাগলেন। কয়েকটি সফল কাজের পর যোগাযোগ করলেন মেট্রো গোল্ডউইন মায়ারের (এমজিএম—হলিউডের বিখ্যাত চলচ্চিত্র প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান) সঙ্গে।

তোমরা টম অ্যান্ড জেরি কার্টুন শুরুর আগে একটি সিংহকে গর্জাতে দেখো, আর সিংহের নিচেই দেখো লেখা এমজিএম। ১৯৩৭ সালে এমজিএম আলাদাভাবে এনিমেশন বিভাগ খোলে। হানাকে এর দায়িত্ব দেওয়া হয়। এখানেই তাঁর পরিচয় হয় বারবারার সঙ্গে। বারবারা আসলে একজন ব্যাংকার। তবে মাঝেমধ্যে কার্টুনও আঁকতেন। একবার কী মনে করে একটি কার্টুন পাঠালেন একটি ম্যাগাজিনে। দিন কয়েক পর সেটি ছাপাও হয়ে যায়। এরপর বারবারা সিদ্ধান্ত নেন কার্টুন আঁকাকেই পেশা হিসেবে নেবেন। ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে দিয়ে এমজিএমে কার্টুনিস্ট হয়ে যান। তারপর হানা আর বারবারা মিলে তৈরি করেন টম অ্যান্ড জেরি। সেই ১৯৪০ সালে। পরের ১৭ বছরে তাঁরা টম অ্যান্ড জেরির অনেক পর্ব তৈরি করেন। ১৯৫৭ সালে হানা ও বারবারা এমজিএমের চাকরি ছেড়ে দিয়ে নিজেদের আলাদা একটি কার্টুন তৈরির প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। এটাই বিশ্বখ্যাত হানা বারবার স্টুডিও। এই স্টুডিওতে অনেক জনপ্রিয় কার্টুন (স্কুবি ডু, দ্য মজিলা গরিলা শো, দ্য স্মারফস, গডজিলা ইত্যাদি) তৈরি হয়েছে। আমাদের মীনার শুরুও হানা-বারবারার ম্যানিলা স্টুডিওতে (পরের দিকের পর্বগুলো মীনার নির্মাতা রামমোহনের স্টুডিওতে তৈরি হয়েছে)। যা হোক, গল্প লেখার কাজ শেষ হওয়ার পর নির্ধারিত হয় এর প্রথম এপিসোড হবে ‘মুরগিগুলো গুনে রাখ’। আর এটি হানা-বারবারার স্টুডিওতেই তৈরি করা হয়। ঁ তোমরা হয়তো এর মধ্যে জেনেও গেছ মীনা গেইমের  কথা। গুগল প্লে স্টোর থেকে এটি ইনস্টল করা যাচ্ছে ২০১৬ সালের ডিসেম্বর থেকে।

আল সানি

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা