kalerkantho

শনিবার । ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭। ১৫ আগস্ট ২০২০ । ২৪ জিলহজ ১৪৪১

এই ফাঁকে দেখে নাও

ঘরে বসে থাকলে ভাইরাসের ভয় নেই। কিন্তু বাসায় এমনি এমনি কি আর বসে থাকা যায়! চাইলে এই ফাঁকে দেখে নিতে পারো দারুণ কিছু চলচ্চিত্র। তালিকাটা দিয়েছেন ফয়সল আবদুল্লাহ

২৭ মার্চ, ২০২০ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



এই ফাঁকে দেখে নাও

মিয়াজাকির ছবিগুলো

জাপানি পরিচালক হায়ায়ো মিয়াজাকি। এনিমেশন ছবি বানান তিনি। তাঁর ছবি মানেই একটা অদ্ভুত কল্পনার রাজ্য। ২০০১ সালে তিনি তৈরি করেছিলেন ‘স্পিরিটেড অ্যাওয়ে’ নামের একটা এনিমেশন চলচ্চিত্র। অস্কার পাওয়া সিনেমাটি না দেখে থাকলে এই ছুটিতে যেন বাদ না যায়। ছোট্ট চিহিরো নিজের জগত্ ছেড়ে চলে গেল ডাইনি আর ভূতের জগতে। তারপর কী করে অনেক কাঠখড় পুড়িয়ে সে সেখানে টিকে থাকে এবং ফিরে আসার চেষ্টা করে সেটা নিয়েই এর গল্প। মিয়াজাকির বাদবাকি এনিমেশনও কিন্তু দারুণ। এর মধ্যে দেখতে পারো কিকি’স ডেলিভারি সার্ভিস, পোরকো রোসো, প্রিন্সেস মনোনোকি, হাউলস মুভিং ক্যাসল, পোনিও, দ্য উইন্ড রাইজেস।

 

পিক্সারের নতুন

টয় স্টোরি, আপ, ওয়াল-ই, র্যাটাটুলি, ইনসাইড আউট, কারস, মিস্টার ইনক্রেডিবলস, কোকো, মনস্টার ইনকরপোরেশনস, ব্রেভ, ফাইন্ডিং নিমো, ফাইন্ডিং ডোরি—এ নামগুলো যাদের খুব চেনা, তারা তো পিক্সারকে চেনো। পিক্সার হলো এ ছবিগুলোর নির্মাতা প্রতিষ্ঠান। আর তাদের তৈরি এনিমেশনগুলোর মধ্যে যেগুলো এখনো দেখা হয়নি, সেগুলো দেখে ফেলতে পারো একটার পর একটা। সেই সঙ্গে পিক্সারের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রগুলোও কিন্তু অবসরে চটপট দেখে নিতে পারো। ইউটিউবেই দেখতে পাবে সব কয়টি। স্বল্পদৈর্ঘ্যের ছবিগুলোর মধ্যে নতুন যেগুলো ইউটিউবে পাওয়া যাচ্ছে সেগুলোর তালিকা পেতে সার্চ করো ‘pixar sparkshorts’ লিখে।

 

আছে ডিজনি

নতুন লায়ন কিং ছবিটা বাদ যায়নি তো? ফ্রোজেনের দ্বিতীয় পর্ব দেখা হয়েছে? আনা, এলসা, ক্রিস্টফ, ওলাফ ও ভেনরা এবার আরেনডেল ছেড়ে বেড়াতে গিয়েছে এক প্রাচীন জাদুর রাজ্যে। দেখতে পারো মেরি পপিনস রিটার্নস, আ রিংকল ইন টাইম, মেলফিশেন্ট : মিসট্রেস অব ইভিল, আলাদিন (২০১৯), দ্য নাটক্রেকার অ্যান্ড দ্য ফোর রিয়েলমস, অ্যালিস থ্রু দ্য লুকিং গ্লাস ইত্যাদি। ডিজনির পুরনো ছবিগুলোকেও হেলা করা যাবে না মোটেও। দেখতে পারো ফ্যান্টাসিয়া, ট্রেজার আইল্যান্ড, বামবি, ডামবো (১৯৪১), পিটার প্যান (১৯৫৩), পলিয়ানা, পিনোকিও, সিন্ডারেলা, দ্য অ্যাডভেঞ্চার অব ইকাবড অ্যান্ড মিস্টার টোড, স্লিপিং বিউটি, পলিয়ানা (১৯৬০)।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা