kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৮ জানুয়ারি ২০২০। ১৪ মাঘ ১৪২৬। ২ জমাদিউস সানি ১৪৪১     

ফ্যাক্টস

গেরিলা যুদ্ধ

যুদ্ধের কথা শুনলেই মনে হয় দুই দল বুঝি একটা বড় কোনো মাঠে জড়ো হয়ে একে অন্যের দিকে গোলা আর গুলি ছুড়ছে। একটা সময় যুদ্ধ এমনই ছিল। কিন্তু যুদ্ধের আবার নিয়ম কিসের! যুদ্ধ তো যুদ্ধই! যেকোনো মূল্যে হারানো চাই শত্রুকে। দেখা গেল বনে-জঙ্গলে লুকিয়ে, রাতের আঁধারে সাঁতরে নদী পার হয়ে হামলা চালিয়ে অল্প কিছু অকুতোভয় যোদ্ধাও বারোটা বাজিয়ে দিতে পারে শত্রুদের। চুপিসারে লুকিয়ে এমন যুদ্ধ করাই হলো গেরিলা যুদ্ধ। যারা এমন যুদ্ধ করে তারাই হলো গেরিলা। ১৯৭১ সালে আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে এই গেরিলাদের অবদান ছিল অনেক বেশি। পাকিস্তানি সেনাবাহিনী যখন মূল সড়ক, জাহাজ ও শহরে আস্তানা গাড়ত, তখন গেরিলারা অস্ত্র আর গ্রেনেড হাতে লুকিয়ে থাকত নৌকার ছইয়ের ভেতর, রাতের আঁধারে মাইন নিয়ে সাঁতরে গিয়ে সেটা লাগিয়ে দিয়ে আসত পাকিস্তানিদের জাহাজে। অতর্কিত হামলা চালিয়ে উড়িয়ে দিত ব্রিজ, রেলপথ। দেখা গেল মাত্র চার-পাঁচজন গেরিলা যোদ্ধার ভয়েই তটস্থ থাকত গোটা একটা সেনাবহর। এবার জেনে নাও গেরিলা যুদ্ধ নিয়ে কিছু না-জানা তথ্য—

—ফয়সল আবদুল্লাহ   

১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ১ মিনিটে



গেরিলা যুদ্ধ

সাধারণত যারা বেসামরিক মানুষ, তারাই গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেয়। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও গ্রামের কৃষক-শ্রমিকরাই গেরিলা যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল। ছবি : সংগৃহীত

গেরিলা শব্দটি স্প্যানিশ ‘গুয়েরিলেরোস’ শব্দ থেকে এসেছে। এর মানে খুদে যুদ্ধ।

 

গেরিলা যুদ্ধের প্রথম প্রমাণ পাওয়া যায় ৬০০ বছর আগের চীনে। ওই সময় চীনের সম্রাট হুয়াংয়ের বিরুদ্ধে চোরাগোপ্তা যুদ্ধ চালিয়েছিল মিয়াও সম্প্রদায়ের লোকেরা।

 

গেরিলা যুদ্ধে গেরিলাদের মূল দক্ষতা হলো যুদ্ধক্ষেত্রের কোথায় কী আছে, কোন পথে গেলে কেউ দেখবে না সেটা জানা থাকা।

 

গেরিলারা দিনের বেলায় জনসমক্ষে থাকলেও ছদ্মবেশ নিয়ে থাকে। তাদের প্রশিক্ষণ চলে রাতের অন্ধকারে কিংবা গহিন জঙ্গলে।

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা