kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ১৪ নভেম্বর ২০১৯। ২৯ কার্তিক ১৪২৬। ১৬ রবিউল আউয়াল ১৪৪১     

তোমাদের জন্য বই

গল্পটা তিমি নিয়ে

১৮৫১ সালের আজকের দিনে প্রকাশিত হয় সাড়া জাগানো বই মবি ডিক। এর লেখক হারমান মেলভিল। মবি-ডিকের গল্প শোনাচ্ছেন ইশতিয়াক হাসান

১৮ অক্টোবর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



গল্পটা তিমি নিয়ে

কাহিনির নায়ক নাবিক ইসমাইল। তিমি শিকারি এক জাহাজে চাকরি নেয় সে। জাহাজের নাম পিকুয়ড আর এর ক্যাপ্টেন এহাব। শুরুতে ইসমাইল ভেবেছিল, অন্যান্য জাহাজের মতো একের পর এক তিমি শিকার করা হবে। কিন্তু তার পরই জানতে পারল, ঘটনা ভিন্ন। ক্যাপ্টেন এহাব প্রকাণ্ড এক তিমির কারণে তার পা হারায়। তার মূল লক্ষ্য যেকোনোভাবে মবি-ডিক নামের ওই তিমিটাকে শিকার করা। অন্যদের জীবন যাক, প্রতিশোধ তাকে নিতেই হবে। নানা বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত মবি ডিকের মুখোমুখি হয় জাহাজ। কিন্তু তিমিটা এতটাই ভয়ংকর যে জাহাজটাকেই ধ্বংস করে দেয়। ইসমাইলই বেঁচে যায়। একটা কফিনে উঠে সাগরে ভাসতে থাকে ইসমাইল। দ্য রেচেল নামের অন্য একটি জাহাজ তাকে উদ্ধার করে।

শুনে অবাক হবে, মবি-ডিকের কাহিনি কিন্তু নেওয়া হয়েছে সত্যিকারের এক তিমিতে অনুপ্রাণিত হয়ে। তবে ওটার নাম ছিল মোচা ডিক। চিলির মোচা দ্বীপের কাছে তিমিটাকে প্রথম দেখা যায় বলে ওই নামকরণ। অ্যালবিনো বা সাদা একটা স্পার্ম তিমি ছিল ওটা। ৭০ ফুট লম্বা তিমিটার অভ্যাস ছিল তিমি ধরার বোটগুলোর পাশে শান্তভাবে চলা। যখনই মনে করত, বোট থেকে তাকে আক্রমণ করা হবে, লাফিয়ে উঠে ধ্বংস করে দিতে চাইত বোটটাকে। ১৮৩৯ সালে মারা হয় তিমিটাকে। তবে লেখক হারমান মেলভিল কেন নামটা মোচার বদলে মবি রাখলেন, তা জানা যায়নি। আরেকটি ঘটনা মেলভিলকে এই বই লিখতে উত্সাহ জোগায়। ১৮২০ সালে অ্যাসেক্স নামের একটা তিমি শিকারি জাহাজকে ডুবিয়ে দেয় অন্য একটি খ্যাপা স্পার্ম তিমি।

মবি-ডিক নিয়ে তৈরি হয়েছে একাধিক ছবি। আবার বইটি বাংলা ভাষায়ও অনুবাদ হয়েছে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা