kalerkantho

নিজে বানাই

বন্ধুর জন্য উপহার

তারেকা জুজু

২ আগস্ট, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



বন্ধুর জন্য

উপহার

সামনেই বন্ধু দিবস। আবার ঈদও এগিয়ে এসেছে। বন্ধুকে শুভেচ্ছা জানাতে দিতে পারো কার্ড। তবে স্বাগতা সব সময়ই বন্ধুদের শুভেচ্ছা জানাতে উপহারে একটু ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে পছন্দ করে। চলো তাহলে স্বাগতা বন্ধুকে কী উপহার দিচ্ছে দেখে নেওয়া যাক। একটি মগের কাগজের খালি বাক্স ছিল স্বাগতার কাছে। সেই বাক্সটিকে স্বাগতা নানা রঙে রাঙিয়ে নেয় প্রথমে। এ কাজে পোস্টার রং আর ১০ নম্বর জলরং তুলি ব্যবহার করে। রং বাছাইয়ের পর্বে স্বাগতা সবচেয়ে উজ্জ্বল তিনটি রং বেছে নেয়। লাল, হলুদ আর সবুজ। একটি কালার প্লেটে সামান্য পানি নিয়ে কাজে নামে।

১০ নম্বর জলরং তুলি ব্যবহার করে পানি দিয়ে পোস্টার রং ঘন করে গুলিয়ে নেয়। প্রথমে লাল রং দিয়ে বাক্সের ওপরের অংশটি রং করে। তারপর বাক্সের চারপাশে চারটি দিকের দুটি দিক লাল আর দুটি দিকের একটি হলুদ, আর একটি সবুজ পোস্টার রঙে রাঙায়।

রং করার পর বাক্সটি টুক করেই শুকিয়ে যায় বাতাসে! রং শুকিয়ে যাওয়ার পর কী দারুণ যে দেখাচ্ছিল বাক্সটি; এরপর স্বাগতা ওর জমানো অনেক রঙের লিফলেট থেকে বিজ্ঞাপনের লেখাজোখা অংশগুলো বাদ দিয়ে কিছু রঙিন অংশ কেটে নিয়ে প্রজাপতি বানায়। ছোট প্রজাপতিগুলো কাটতে স্বাগতা সেফটি কাঁচি ব্যবহার করে। আর প্রজাপতি কাটার সময় ছোট্ট কাগজটিকে দুই ভাঁজ করে।

তোমরা যারা কাগজ দুই ভাঁজ করে প্রজাপতি কাটতে পারো না, তাদের জন্য স্বাগতা একটি টিপস দিয়েছে। সেটা হচ্ছে লিফলেটের ছোট্ট রঙিন কাগজটিতে পেনসিল দিয়ে আগে ছোট্ট প্রজাপতি এঁকে নাও, তারপর সেফটি কাঁচি দিয়ে কেটে নিলেই হলো।

স্বাগতা ছোট্ট ছোট্ট প্রজাপতি কাটার পর ব্যস্ত হয়ে পড়ে ওগুলোকে বাক্সের গায়ে লাগাতে। প্রজাপতিগুলো লাগাতে ও ব্যবহার করে বাক্সের একটি কর্নার। একটির পর একটি প্রজাপতি লাইন ধরে বসতে থাকে বাক্সের গায়ে। আইকা আঠা ব্যবহার করে এ কাজে। বাক্স খোলার মুখের জায়গাটুকু বাদ দিয়ে সব জায়গাই দখল করে বসেছিল স্বাগতার প্রজাপতিরা!

শেষে একটি সবুজ রিবন এনে স্বাগতা স্কচটেপ দিয়ে সেঁটে দেয় বাক্সের একেবারে ওপরে। চমত্কার এ গিফট বাক্সটির ভেতর নানা রকম চকোলেট ভরে স্বাগতা বন্ধুকে পাঠিয়ে দেয়। তুমিও চাইলে খুব সহজেই স্বাগতার মতো এমন উপহার পাঠাতে পারো বন্ধুকে।

 

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা