kalerkantho

সোমবার । ১৪ অক্টোবর ২০১৯। ২৯ আশ্বিন ১৪২৬। ১৪ সফর ১৪৪১       

হুতোমের পাঠশালা

চাঁদে অভিযান

১৯ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



চাঁদে অভিযান

১৯৬১ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডি ঘোষণা দিয়েছিলেন, চলতি দশকের মধ্যেই মার্কিনরা চাঁদে পৌঁছবে। ১৯৬৯ সালের আগেই গুপ্তঘাতকের হাতে মারা যান কেনেডি। তাই চন্দ্রজয়টা তাঁর আর দেখা হয়নি।

১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই দিনটি পৃথিবীর মানুষ মনে রাখবে সব সময়। কারণ? এ দিনই অ্যাপোলো-১১-তে চড়ে মার্কিন নভোচারী নিল আর্মস্ট্রং আর এডউইন অলড্রিন চাঁদের বুকে পা রাখেন। চলতি বছরের ২০ জুলাই এই স্মরণীয় ঘটনাটির ৫০ বছর পূর্তি।

অলড্রিন, কলিন্স আর আর্মস্ট্রং—এই তিনজন গিয়েছিলেন চন্দ্রাভিযানে। এর মধ্যে মাইকেল কলিন্সই শুধু চাঁদে পা রাখতে পারেননি। অপর দুজন যখন চাঁদে নেমেছেন, তখন কলিন্স মহাকাশযানের অন্যান্য দিক সামলাচ্ছিলেন।

মানুষ চাঁদে যাওয়ার বহু আগেই কল্পবিজ্ঞান লেখক জুলভার্ন চাঁদে অভিযান নিয়ে লিখেছেন বই ‘ফ্রম দি আর্থ টু দ্য মুন’। কমিক চরিত্র টিনটিনও কিন্তু চাঁদে গিয়েছিল মানুষের আগে। তবে সেটা গল্পে!

অ্যাপোলো-১১-এর এই অভিযানের পেছনে ছিল লক্ষাধিক মানুষের শ্রম। কেউ বলে বিজ্ঞানী, টেকনিশিয়ান আর প্রকৌশলী মিলিয়ে সংখ্যাটা চার লাখ! অ্যাপোলো নভোযানের তিনটি অংশ ছিল। একটি অংশে নভোচারীরা বসতেন, অন্য অংশে খাদ্য, পানি, জ্বালানি; আর তৃতীয় অংশটির নাম ইগল। ইগল-এ চেপে দুই নভোচারী চাঁদের বুকে নেমেছিলেন।

 

মার্কিন নভোচারীরা অ্যাপোলো-১১-তে বহন করে এনেছিলেন চাঁদের বালু আর অন্যান্য উপাদান। এগুলোর ওজন হয়েছিল সাড়ে ২১ কেজি। অন্তত তিনটি নতুন খনিজ পদার্থ আবিষ্কার করা হয় এই নমুনা থেকে। পরে অবশ্য পৃথিবীতেও এগুলো পাওয়া গেছে। সংগ্রহ : অমর্ত্য গালিব চৌধুরী

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা