kalerkantho

শনিবার । ২০ জুলাই ২০১৯। ৫ শ্রাবণ ১৪২৬। ১৬ জিলকদ ১৪৪০

বিচিত্রা

লর্ডসের সাতসতেরো

লতিফুল হক   

১২ জুলাই, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ২ মিনিটে



লর্ডসের সাতসতেরো

ক্রিকেটের কথা উঠলেই আসে লর্ডসের কথা। লন্ডনের এই মাঠটিকে ‘হোম অব ক্রিকেট’ বলা হয়। সাবেক ইংলিশ ক্রিকেটার টমাস লর্ড মাঠের প্রতিষ্ঠাতা। ক্রিকেটের সবচেয়ে পুরনো মাঠগুলোর একটি এটি। ১৮১৪ সালে মাঠের শুরু। প্রথম টেস্ট ক্রিকেট হয় ১৮৮৪ সালের জুলাইয়ে, ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যে। প্রথম ওয়ানডেও হয় এই দুই দলের মধ্যেই, তবে সেটা আরো প্রায় ১০০ বছর পর—১৯৭২ সালে। ঐতিহ্যমণ্ডিত এই মাঠে কোন কীর্তি গড়তে পারলে সব ক্রিকেটারই নিজেদের ধন্য মনে করে। লর্ডসে আছে একটা অনার বোর্ড। কোনো ব্যাটসম্যান সেঞ্চুরি করলে, বোলার পাঁচ উইকেট পেলে বা এক টেস্টে ১০ উইকেট পেলে এই বোর্ডে নাম ওঠে। বাংলাদেশের দুই ক্রিকেটার তামিম ইকবাল ও শাহাদাত হোসেনের নাম আছে এই বোর্ডে। তামিম লর্ডসে সেঞ্চুরি করেছিলেন, শাহাদাত পেয়েছিলেন পাঁচ উইকেট। এবার পাঁচ উইকেট নেওয়ায় নাম উঠেছে মুস্তাফিজেরও।

এই মাঠে এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি রান করেছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান গ্রাহাম গুচ। ২০১৫ রান নিয়ে তিনি আছেন শীর্ষে। বোলিং রেকর্ডও ইংল্যান্ডেরই দখলে, বোলার হলেন জেমস অ্যান্ডারসন। তাঁর এই মাঠে ১০৩ উইকেট আছে।

ক্রিকেটের জন্য খ্যাত হলেও এই মাঠে অন্য খেলাও হয়েছে। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে এখানে আর্চারি প্রতিযোগিতা হয়েছে। মাঠ ছাড়াও লর্ডসের জাদুঘর খুবই বিখ্যাত। খেলাধুলার অন্যতম প্রাচীন এই জাদুঘরে ক্রিকেটের অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্মারক সংরক্ষিত আছে। যার মধ্যে বাংলাদেশের প্রথম বিশ্বকাপ জার্সি, আমিনুল ইসলাম বুলবুলের অটোগ্রাফ-সংবলিত ব্যাট ও হেলমেট আছে। ওই ব্যাট দিয়েই দেশের অভিষেক টেস্টে রেকর্ডময় সেঞ্চুরি করেছিলেন বুলবুল। ২০১৪ সালে মাঠটির ২০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। ১৯৭৫, ১৯৭৯, ১৯৮৩ ও ১৯৯৯ সালে বিশ্বকাপ ক্রিটেকের ফাইনাল হয়েছে এই মাঠে। হবে এবারও। ১৪ জুলাই ঐতিহাসিক এই মাঠেই শিরোপার জন্য লড়বে দুই দল। এবার বিশ্বকাপে লর্ডসে বাংলাদেশের একটাই খেলা ছিল। শেষ ম্যাচটি। সেখানে পাকিস্তানের কাছে অবশ্য হেরে গেছে মাশরাফিরা।    

 

মন্তব্য