kalerkantho

সোমবার । ০৯ ডিসেম্বর ২০১৯। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬। ১১ রবিউস সানি ১৪৪১     

রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যটনশিল্পের জন্য ইতিবাচক দিক

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম   

১২ নভেম্বর, ২০১৯ ০০:০০ | পড়া যাবে ৩ মিনিটে



রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিরাপত্তাব্যবস্থা পর্যটনশিল্পের জন্য ইতিবাচক দিক

‘বিগত বেশ কয়েক বছরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তাব্যবস্থার উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়নের কারণে আমাদের পর্যটনশিল্পে অগ্রগতি হয়েছে।

দেশের পর্যটনশিল্পের মূল উপাদান হচ্ছে প্রাকৃতিক ও সাংস্কৃতিক সম্পদ। প্রাকৃতিক বৈচিত্র্যের সম্ভাবনাগুলো সঠিকভাবে কাজে লাগাতে পারলে আমরা পর্যটনশিল্প খাতে অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারব।

আমাদের পাহাড়-নদী-সমুদ্র রয়েছে। পর্যটনের জন্য এগুলোই আমাদের সম্পদ। এ ছাড়া রয়েছে সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য। এখানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীসহ বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর আলাদা সংস্কৃতি রয়েছে।

পাহাড়-সমুদ্রবেষ্টিত কক্সবাজার হচ্ছে বাংলাদেশের পর্যটনের মূল কেন্দ্র।

কক্সবাজারকে ঘিরে রয়েছে বঙ্গোপসাগরের নীলাভ জলরাশিবিধৌত অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের বেশ কয়েকটি দ্বীপ। পর্যটনশিল্পের বিকাশে কক্সবাজারকে ঘিরে বর্তমান সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করছে; বিশেষ করে সোনাদিয়া ইকো ট্যুরিজম পার্ক, সাবরাং ট্যুরিজম পার্ক, নাফ ট্যুরিজম পার্ক। এই পার্কগুলো পর্যটননগর কক্সবাজারের আকর্ষণ অনেকাংশে বৃদ্ধি করবে।’

কক্সবাজারের পর্যটনশিল্পের সম্ভাবনা ও কিছু সমস্যা নিয়ে কালের কণ্ঠ’র সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেছেন পর্যটনশিল্পের সঙ্গে যুক্ত তরুণ উদ্যোক্তা ও ডিভাইন ইকো রিসোর্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

মোয়াজ্জেম হোসেন চৌধুরী শাওন।

পর্যটননগর কক্সবাজারকে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত করতে রেললাইন স্থাপন, বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীতকরণ, কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত সাগরের পার বেঁধে ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ নির্মাণ—এসব উন্নয়ন কার্যক্রম কক্সবাজারের পর্যটন খাতকে বহুদূর এগিয়ে নেবে।

দেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পনার মধ্যে ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠন গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ। বিশেষ করে পর্যটকদের নিরাপত্তাব্যবস্থার গুরুত্ব বিবেচনায় সরকার এই ট্যুরিস্ট পুলিশ গঠন করেছে।

তিনি বলেন, পর্যটনশিল্পের বিকাশের জন্য এই খাতের সঙ্গে যুক্ত সরকারের সংশ্লিষ্ট সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানসমূহকে আরো উদার হতে হবে। সারা বছর কক্সবাজারের হোটেল-মোটেলগুলোতে পর্যটক থাকে না। পর্যটনের পিক-অফপিক সময় আছে। বিষয়গুলো তাদের  বুঝতে হবে।

শাওন বলেন, ‘কক্সবাজারকে ঘিরে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পর কারণে কেবল কক্সবাজারেই যে পর্যটনশিল্পের বিকাশ লাভ করছে তা নয়, এতে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় যুক্ত হচ্ছে নতুন মাত্রা।’

ডিভাইন ইকো রিসোর্টের এই কর্ণধার বলেন, ‘কক্সবাজার পর্যটনকে আরো আকর্ষণীয় ও আনন্দময় করে তুলতে হলে বিচ এলাকায় সন্ধ্যাকালীন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজনসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদনধর্মী অনুষ্ঠানের আয়োজন করা যেতে পারে।

শাওন চৌধুরী বলেন, পর্যটনশিল্পের অগ্রযাত্রার প্রধান বিষয় হলো রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা। এ ছাড়া বর্তমান সময়ে দেশের সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে মানুষ পারিবারিক চাহিদা পূরণের পর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন স্থানে বেড়াতে বেরোচ্ছে।

সাধারণ মানুষের এই প্রবণতা দেশের পর্যটনশিল্পের জন্য একটি ইতিবাচক দিক বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডিভাইন ইকো রিসোর্টে থাকলে একেবারে প্রকৃতির কাছাকাছি থেকে সাগরের সৌন্দর্য উপভোগ করা যায়।  বিচের লাগোয়া হওয়ায় রাতের সাগরের শব্দ, জলের কল্লোল যেকোনো ভ্রমণবিলাসী মানুষকে বিমোহিত করবে। বহিরাবরণে কটেজ মনে হলেও এই রিসোর্টে থাকা-খাওয়া ফোর স্টার হোটেলের মানসম্পন্ন বলে জানান শাওন।

ডিভাইন ইকো রিসোর্টের ঠিকানা হোটেল মোটেল জোন-২, কলাতলী বিচ পয়েন্ট, কক্সবাজার।

ফোন : ০১৯৭২০৯০৯৫০ ওয়েবসাইট www.divineecoresort.com

মন্তব্য



সাতদিনের সেরা